existing text.docx → পূর্ণ বাংলা খসড়া। স্পেস, ট্যাব ও লাইন বিরতি উপেক্ষা করা হয়েছে। মূল নথির লাল কাটা লেখা বিয়োগ এবং কাটা নয় এমন লাল লেখা যোগ হিসেবে ধরা হয়েছে।
লাল: মূল যোগ মিলেছেলাল কাটা: মূল বিয়োগ মিলেছেনীল: অতিরিক্ত যোগবেগুনি কাটা: অতিরিক্ত বিয়োগহলুদ: লাল চিহ্নের মিল নিশ্চিত নয়
DOCX-এর গেজেট শিরোনাম, পৃষ্ঠা নম্বর ও প্রতিলিপির অস্বাভাবিক অক্ষরও তুলনায় রাখা হয়েছে। রঙিন চিহ্নগুলো পাঠের পার্থক্য বোঝায়। কালো লেখা পার্থক্যের আশপাশের প্রসঙ্গ।
রেজিস্টার্ড বিল নংডি এ-১
বাংলাদেশ
ศศ
প্রজাতন্ত্রী
*
বাংলাদেশ
সরকার
অতিরিক্ত সংখ্যা
গেজেট
কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত
শুক্রবা..................., ২০২৬
সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩ ও সাইবার সুর, এপ্রিল ১০ক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ
ঢাকা, ২৭ চৈত্র, ১৪৩২/১০ এপ্রিল, 2026
২০২৬
সংস৫ রহিতপূর্বক সাইবার সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং সাইবার স্পেসে
সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ, দকর্তৃক গৃহীত নিম্নলিখিত মন ও উক্ত অপরাধের বিচার এবং আইনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান টি ২৭ চৈত্র, ১৪৩২ মোতাবেক ১০ এপ্রিপ্রণয়নকল্পে পুনঃপ্রণয়নকল্পে
আনীত
বিল
, ২০২৬ তারিখে
যেহেতু সাইবার নিরাষ্ট্রপতির সম্মতিলাভ করিয়াছে এবং এতদ্বারা এই আইপত্তা আইন, ২০২৩ এ নাগরিক সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধান টি সর্বসাধাঅপ্রতুল থাকার কারণে র উহা অবপপ্রয়োগ তিও নিপীড়নের জন্য ক্ষেত্র
প্রকাশ স্তুত করা
যাইতেছে:—
২০২৬ রে; এবং
যেহেতু মত প্রকাশের স্বাধীনতাসনের ৮১ নং আইন
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ হ অন্যান্য মৌলিক অধিকার খর্ব করিবার কারণে উক্ত আইন রহিত পূর্বক করিয়া সাইবার সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ
এবং সাইবারস্পেসে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ, দমন ও উক্ত
এতদ্ -সংক্রান্ত অপরাধের বিচারএবং সহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে
বিধাআইন প্রণয়ন কল্পে প্রণীত রা সমীচীন;
যেহেতু, সাইবার নিরাপত্তা আইনযেহেতু ,২০২৩ (২০২৩ সনের ৩৯ নং আইন) ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ২৫ নং
অধ্যাদেশ) রহিতপূর্বক পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
হইবে।
সেহেতু এতদ্বাদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন প্রণয়ন করা হইল:―
-
প্রথম অধ্যায়
প্রারম্ভিক
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।— (১) এই আইন ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা ২১ মে, ২০২৫ তারিখে অবিলম্বে কার্যকর হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
মূল্য
(১৬৬১৩)
: টাকা ৪০.০০
১৬৬১৪
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
২। সংজ্ঞার্থ।— (১) বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই আইনে –
(ক) ‘আদালত’ অর্থ প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অথবা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৬৮ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল;
(ক) “‘আপিল ট্রাইব্যুনাল” ’ অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর
ধারা ৮২ এর অধীন গঠিত সাইবার আপিল ট্রাইব্যুনাল;
(খ) “‘উপাত্ত-ভান্ডার” ’ অর্থ টেক্সট, ইমেজ, অডিও বা ভিডিও আকারে উপস্থাপিত তথ্য, ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত
বা বিযুক্ত ডিজিটাল ডকুমেন্টস বা ইলেক্ট্রনিক ফাইল, জ্ঞান, ঘটনা, মৌলিক ধারণা বা নির্দেশাবলি, যাহা(গ)
-
(অ) কোনো কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন, ডিজিটাল ওয়ারেবলস, বা ইন্টারনেট অফ থিংস
(আইওটি) ডিভাইস বা কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
সফটওয়্যা
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
রেজিস্টার্ড নং ডি এ-১
বাংলাদেশ
ศศ
প্রজাতন্ত্রী
*
বাংলাদেশ
সরকার
অতিরিক্ত সংখ্যা
গেজেট
কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত
শুক্রবার, এপ্রিল ১০, ২০২৬
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ
ঢাকা, ২৭ চৈত্র, ১৪৩২/১০ এপ্রিল, 2026
২০২৬
সংসদ কর্তৃক গৃহীত নিম্নলিখিত আইনটি ২৭ চৈত্র, ১৪৩২ মোতাবেক ১০ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে
রাষ্ট্রপতির সম্মতিলাভ করিয়াছে এবং এতদ্বারা এই আইনটি সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করা
যাইতেছে:—
২০২৬ সনের ৮১ নং আইন
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ রহিতপূর্বক সাইবার সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং
সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ, দমন ও উক্ত
অপরাধের বিচার এবং আনুষঙ্গিক বিষয়ে
বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন
যেহেতু সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ২৫ নং অধ্যাদেশ) রহিতপূর্বক পুনঃপ্রণয়ন
করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয় ;
হইবে।
সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন প্রণয়ন করা হইল : ―
প্রথম অধ্যায়
প্রারম্ভিক
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।— (১) এই আইন সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ নামে অভিহিত
(২) ইহা ২১ মে, ২০২৫ তারিখে কার্যকর হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
মূল্য
(১৬৬১৩)
: টাকা ৪০.০০
১৬৬১৪
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
২। সংজ্ঞা।— (১) বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই আইনে
(ক) “আপিল ট্রাইব্যুনাল” অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং
আইন) এর ধারা ৮২ এর অধীন গঠিত সাইবার আপিল ট্রাইব্যুনাল ;
(খ) “উপাত্ত-ভান্ডার” অর্থ টেক্সট, ইমেজ, অডিও বা ভিডিও আকারে উপস্থাপিত তথ্য,
ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বা বিযুক্ত ডিজিটাল ডকুমেন্টস বা ইলেক্ট্রনিক ফাইল, জ্ঞান,
ঘটনা, মৌলিক ধারণা বা নির্দেশাবলি, যাহা
(গ)
(অ) কোনো কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন, ডিজিটাল ওয়ারেবলস, বা ইন্টারনেট
অফ থিংস (আইওটি) ডিভাইস বা কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক
বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সফটওয়্যা
পূর্ণ বাংলা খসড়া
বিল নং..................., ২০২৬
সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩ ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ রহিতপূর্বক সাইবার সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং সাইবার স্পেসে
সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ, দমন ও উক্ত অপরাধের বিচার এবং আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে পুনঃপ্রণয়নকল্পে
আনীত
বিল
যেহেতু সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এ নাগরিক সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধান অপ্রতুল থাকার কারণে উহা অপপ্রয়োগ ও নিপীড়নের ক্ষেত্র
প্রস্তুত করে; এবং
যেহেতু মত প্রকাশের স্বাধীনতাসহ অন্যান্য মৌলিক অধিকার খর্ব করিবার কারণে উক্ত আইন রহিত করিয়া সাইবার সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ
এবং সাইবারস্পেসে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ, দমন ও এতদ্ -সংক্রান্ত অপরাধের বিচারসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে
আইন প্রণয়ন করা সমীচীন;
যেহেতু, সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩ (২০২৩ সনের ৩৯ নং আইন) ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ২৫ নং
অধ্যাদেশ) রহিতপূর্বক পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-
প্রথম অধ্যায়
প্রারম্ভিক
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।— (১) এই আইন ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
২। সংজ্ঞার্থ।— (১) বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই আইনে –
(ক) ‘আদালত’ অর্থ প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অথবা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৬৮ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল;
(ক) ‘আপিল ট্রাইব্যুনাল’ অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর
ধারা ৮২ এর অধীন গঠিত সাইবার আপিল ট্রাইব্যুনাল;
(খ) ‘উপাত্ত-ভান্ডার’ অর্থ টেক্সট, ইমেজ, অডিও বা ভিডিও আকারে উপস্থাপিত তথ্য, ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত
বা বিযুক্ত ডিজিটাল ডকুমেন্টস বা ইলেক্ট্রনিক ফাইল, জ্ঞান, ঘটনা, মৌলিক ধারণা বা নির্দেশাবলি, যাহা-
(অ) কোনো কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন, ডিজিটাল ওয়ারেবলস, বা ইন্টারনেট অফ থিংস
(আইওটি) ডিভাইস বা কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
সফটওয়্যা
র, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন, ডিজিটাল ওয়ারেবলস, বা কম্পিউটার সিস্টেম বা
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সফটওয়্যার এজেন্ট, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল বা টুল
ইত্যাদিতে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্ৰপ্রস্তুত করা হইয়াছে;
“(গ) ‘এজেন্সি” ’ অর্থ ধারা ৫ এর অধীন গঠিত জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি;
(ঘ) “‘কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম” ’ বা “‘কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিম” ’ অর্থ ধারা ৯ এর উপ-ধারা
(২) এ বর্ণিত কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম বা কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিম;
(ঙ) “‘কম্পিউটার সিস্টেম”’ অর্থ এক বা একাধিক কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস এর মধ্যে
আন্তঃসংযোগকৃত প্রক্রিয়া যাহা এককভাবে বা একে অপরের সহিত সংযুক্ত থাকিয়া তথ্য-উপাত্ত গ্রহণ, প্রেরণ
বা সংরক্ষণ করিতে সক্ষম;
(চ) (ছ)
“‘কম্পিউটার ডাটা” ’ অর্থ যেকোনো তথ্য, উপাত্ত বা ধারণার এমন উপস্থাপনা, যাহা কম্পিউটার সিস্টেমে
প্রক্রিয়াকরণের উপযোগী, যাহার মধ্যে এমন প্রোগ্রামও অন্তর্ভুক্ত, যাহা কম্পিউটার সিস্টেমকে কোনো নির্দিষ্ট
কার্য সম্পাদনে সক্ষম করিবে;
“(ছ) ‘কাউন্সিল” ’ অর্থ ধারা ১২ এর অধীন গঠিত জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল;
(জ) “‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো (Critical Information Infrastructure-CII)”
’ অর্থ
সরকার কর্তৃক ঘোষিত এইরূপ কোনো বাহ্যিক বা ভার্চুয়াল তথ্য পরিকাঠামো যাহা কোনো তথ্য-উপাত্ত বা
কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক তথ্য নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চারণ বা সংরক্ষণ করে এবং যাহা ক্ষতিগ্রস্ত
বা সংকটাপন্ন হইলে-
(অ) জননিরাপত্তা, বা অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, বা জনস্বাস্থ্য, এবং
(আ) জাতীয় নিরাপত্তা বা রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা বা সার্বভৌমত্ব,
এর উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়িতে পারে;
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬১৫
(ঝ) “‘গ্লোবাল থ্রেট ইন্টেলিজেন্স” ’ অর্থ এমন একটি কর্ম-প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যাহার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
অবকাঠামোর সাইবার সুরক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার খাতে
বৈশ্বিক হুমকি এবং ঝুঁ
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
র, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন, ডিজিটাল ওয়ারেবলস, বা
কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সফটওয়্যার
এজেন্ট, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল বা টুল ইত্যাদিতে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্ৰস্তুত
করা হইয়াছে ;
“এজেন্সি” অর্থ ধারা ৫ এর অধীন গঠিত জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি;
(ঘ) “কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম” বা “কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিম” অর্থ
ধারা ৯ এর উপ-ধারা (২) এ বর্ণিত কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম বা কম্পিউটার
ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিম
(ঙ) “কম্পিউটার সিস্টেম”অর্থ এক বা একাধিক কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস এর
মধ্যে আন্তঃসংযোগকৃত প্রক্রিয়া যাহা এককভাবে বা একে অপরের সহিত সংযুক্ত
থাকিয়া তথ্য-উপাত্ত গ্রহণ, প্রেরণ বা সংরক্ষণ করিতে সক্ষম ;
(চ)
(ছ)
“কম্পিউটার ডাটা” অর্থ যেকোনো তথ্য, উপাত্ত বা ধারণার এমন উপস্থাপনা, যাহা
কম্পিউটার সিস্টেমে প্রক্রিয়াকরণের উপযোগী, যাহার মধ্যে এমন প্রোগ্রামও অন্তর্ভুক্ত,
যাহা কম্পিউটার সিস্টেমকে কোনো নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে সক্ষম করিবে ;
“কাউন্সিল” অর্থ ধারা ১২ এর অধীন গঠিত জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল ;
(জ) “গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো (Critical Information Infrastructure-CII)”
অর্থ সরকার কর্তৃক ঘোষিত এইরূপ কোনো বাহ্যিক বা ভার্চুয়াল তথ্য পরিকাঠামো যাহা
কোনো তথ্য-উপাত্ত বা কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক তথ্য নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াকরণ,
সঞ্চারণ বা সংরক্ষণ করে এবং যাহা ক্ষতিগ্রস্ত বা সংকটাপন্ন হইলে
(অ) জননিরাপত্তা, বা অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, বা জনস্বাস্থ্য, এবং
(আ) জাতীয় নিরাপত্তা বা রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা বা সার্বভৌমত্ব, এর উপর ক্ষতিকর প্রভাব
পড়িতে পারে ;
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬১৫
(ঝ) “গ্লোবাল থ্রেট ইন্টেলিজেন্স” অর্থ এমন একটি কর্ম-প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যাহার মাধ্যমে
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবকাঠামোর সাইবার সুরক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ
হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার খাতে বৈশ্বিক হুমকি এবং ঝুঁ
পূর্ণ বাংলা খসড়া
র, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন, ডিজিটাল ওয়ারেবলস, বা কম্পিউটার সিস্টেম বা
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সফটওয়্যার এজেন্ট, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল বা টুল
ইত্যাদিতে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হইয়াছে;
(গ) ‘এজেন্সি’ অর্থ ধারা ৫ এর অধীন গঠিত জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি;
(ঘ) ‘কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম’ বা ‘কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিম’ অর্থ ধারা ৯ এর উপ-ধারা
(২) এ বর্ণিত কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম বা কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিম;
(ঙ) ‘কম্পিউটার সিস্টেম’ অর্থ এক বা একাধিক কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস এর মধ্যে
আন্তঃসংযোগকৃত প্রক্রিয়া যাহা এককভাবে বা একে অপরের সহিত সংযুক্ত থাকিয়া তথ্য-উপাত্ত গ্রহণ, প্রেরণ
বা সংরক্ষণ করিতে সক্ষম;
(চ) ‘কম্পিউটার ডাটা’ অর্থ যেকোনো তথ্য, উপাত্ত বা ধারণার এমন উপস্থাপনা, যাহা কম্পিউটার সিস্টেমে
প্রক্রিয়াকরণের উপযোগী, যাহার মধ্যে এমন প্রোগ্রামও অন্তর্ভুক্ত, যাহা কম্পিউটার সিস্টেমকে কোনো নির্দিষ্ট
কার্য সম্পাদনে সক্ষম করিবে;
(ছ) ‘কাউন্সিল’ অর্থ ধারা ১২ এর অধীন গঠিত জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল;
(জ) ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো (Critical Information Infrastructure-CII)’ অর্থ
সরকার কর্তৃক ঘোষিত এইরূপ কোনো বাহ্যিক বা ভার্চুয়াল তথ্য পরিকাঠামো যাহা কোনো তথ্য-উপাত্ত বা
কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক তথ্য নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চারণ বা সংরক্ষণ করে এবং যাহা ক্ষতিগ্রস্ত
বা সংকটাপন্ন হইলে-
(অ) জননিরাপত্তা, বা অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, বা জনস্বাস্থ্য, এবং
(আ) জাতীয় নিরাপত্তা বা রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা বা সার্বভৌমত্ব,
এর উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়িতে পারে;
(ঝ) ‘গ্লোবাল থ্রেট ইন্টেলিজেন্স’ অর্থ এমন একটি কর্ম-প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যাহার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
অবকাঠামোর সাইবার সুরক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার খাতে
বৈশ্বিক হুমকি এবং ঝুঁ
রা, সাইবার ডিফেন্স ও কৌশল সমাধান প্রস্তাব করা যাহা কোন ব্যক্তি, কৃত্রিম
বুদ্ধিমত্তা এজেন্ট, প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রকে এসব হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে সহায়তা
করে;
(ঞ) “‘জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (National Cyber Emergency Response
Team-NCERT)” ’ অর্থ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সত্তা যাহা সাইবার আক্রমণ এবং সাইবার সুরক্ষা
সংক্রান্ত ঘটনাসমূহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ফোরকাস্ট ও পর্যালোচনা, সাইবার সুরক্ষা আইন প্রয়োগের কারিগরি
জ্ঞান নির্মাণ ও বিস্তারে সহায়তা এবং সাইবার অপরাধের আইনি তদন্তের জন্য সকল ধরনের প্রযুক্তিগত
সহায়তা প্রদান করে;
(ট) “‘জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা অপারেশন সেন্টার (National Security Operation Center-
NSOC)” ’ অর্থ একটি রাষ্ট্র-সমর্থিত সংস্থা যাহা একটি দেশের জাতীয় পর্যায়ের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত
করিবার জন্য কাজ করে। এটি জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো (যেমন বিদ্যুৎ, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা,
ব্যাংকিং, যোগাযোগ ব্যবস্থা) এবং সরকারি ডাটা সিস্টেমের সুরক্ষা নিশ্চিত করিতে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন
করে; জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা অপারেশন সেন্টার সাধারণত সাইবার হুমকি শনাক্ত, প্রতিরোধ, মোকাবিলা
এবং পরবর্তী পদ
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
রা, সাইবার ডিফেন্স ও কৌশল সমাধান প্রস্তাব করা যাহা কোন ব্যক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
এজেন্ট, প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রকে এসব হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ
করিতে সহায়তা করে ;
(ঞ) “জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (National Cyber Emergency
Response Team-NCERT)” অর্থ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সত্তা যাহা সাইবার
আক্রমণ এবং সাইবার সুরক্ষা সংক্রান্ত ঘটনাসমূহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ফোরকাস্ট ও
পর্যালোচনা, সাইবার সুরক্ষা আইন প্রয়োগের কারিগরি জ্ঞান নির্মাণ ও বিস্তারে সহায়তা
এবং সাইবার অপরাধের আইনি তদন্তের জন্য সকল ধরনের প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান
করে ;
(ট) “জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা অপারেশন সেন্টার (National Security Operation
Center-NSOC)” অর্থ একটি রাষ্ট্র-সমর্থিত সংস্থা যাহা একটি দেশের জাতীয়
পর্যায়ের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করিবার জন্য কাজ করে। এটি জাতীয়ভাবে
গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো (যেমন বিদ্যুৎ, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যাংকিং, যোগাযোগ ব্যবস্থা
এবং সরকারিডাটা সিস্টেমের সুরক্ষা নিশ্চিত করিতে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে ;
জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা অপারেশন সেন্টার সাধারণত সাইবার হুমকি শনাক্ত,
প্রতিরোধ, মোকাবিলা এবং পরবর্তী পদ
পূর্ণ বাংলা খসড়া
রা, সাইবার ডিফেন্স ও কৌশল সমাধান প্রস্তাব করা যাহা কোন ব্যক্তি, কৃত্রিম
বুদ্ধিমত্তা এজেন্ট, প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রকে এসব হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে সহায়তা
করে;
(ঞ) ‘জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (National Cyber Emergency Response
Team-NCERT)’ অর্থ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সত্তা যাহা সাইবার আক্রমণ এবং সাইবার সুরক্ষা
সংক্রান্ত ঘটনাসমূহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ফোরকাস্ট ও পর্যালোচনা, সাইবার সুরক্ষা আইন প্রয়োগের কারিগরি
জ্ঞান নির্মাণ ও বিস্তারে সহায়তা এবং সাইবার অপরাধের আইনি তদন্তের জন্য সকল ধরনের প্রযুক্তিগত
সহায়তা প্রদান করে;
(ট) ‘জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা অপারেশন সেন্টার (National Security Operation Center-
NSOC)’ অর্থ একটি রাষ্ট্র-সমর্থিত সংস্থা যাহা একটি দেশের জাতীয় পর্যায়ের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত
করিবার জন্য কাজ করে। এটি জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো (যেমন বিদ্যুৎ, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা,
ব্যাংকিং, যোগাযোগ ব্যবস্থা) এবং সরকারি ডাটা সিস্টেমের সুরক্ষা নিশ্চিত করিতে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন
করে; জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা অপারেশন সেন্টার সাধারণত সাইবার হুমকি শনাক্ত, প্রতিরোধ, মোকাবিলা
এবং পরবর্তী পদ
সিকিউরিটি
অপারেশন সেন্টার এর মধ্যে সমন্বয় সাধনকারী হিসেবে কাজ করে এবং তাদের কার্যক্রম ও সাফল্য সূচক
(Key performance Indicator-KPI) তদারকি করে;
১৬৬১৬
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
(ঠ) “‘ট্রাইব্যুনাল” ’ অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৬৮
এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল;
(ড) (ঢ)
(ণ)
“‘ট্রাফিক ডাটা” ’ অর্থ কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে সংঘটিত যোগাযোগ সম্পর্কিত যেকোনো কম্পিউটার
ডাটা, যাহা যোগাযোগের শৃঙ্খলে অংশ নেওয়া কম্পিউটার সিস্টেম দ্বারা উৎপন্ন হয় বা অনুরূপ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
সিস্টেম দ্বারা উৎপন্ন হয়, যাহা যোগাযোগের উৎস, গন্তব্য, পথ, সময়, তারিখ, আকার, সময়কাল বা প্রাথমিক
সেবার ধরন নির্দেশ করে;
“(ঢ) ‘ডিজিটাল” ’ অর্থ যুগ্ম-সংখ্যা (০ ও ১/বাইনারি) বা ডিজিটভিত্তিক কার্য পদ্ধতি এবং এই আইনের উদ্দেশ্য
পূরণকল্পে,
ইলেকট্রিক্যাল,
ইলেকট্রনিক,
ডিজিটাল
ম্যাগনেটিক,
অপটিক্যাল,
বায়োমেট্রিক,
ইলেকট্রোকেমিক্যাল, ইলেকট্রোমেকানিক্যাল, ওয়্যারলেস বা ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক টেকনোলজি, কৃত্রিম
বুদ্ধিমত্তা টেকনোলজি, ব্লকচেইন, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ও মেশিন ভিশনও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
“(ণ) ‘ডিজিটাল ডিভাইস” ’ অর্থ কোনো ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল, ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল বা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
যন্ত্র বা সিস্টেম, যাহা ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল, ম্যাগনেটিক বা অপটিক্যাল ইমপালস ব্যবহার করিয়া যৌক্তিক,
গা
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার এর মধ্যে সমন্বয় সাধনকারী হিসেবে কাজ করে এবং
তাদের কার্যক্রম ও সাফল্য সূচক (Key performance Indicator-KPI) তদারকি
করে ;
১৬৬১৬
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
(ঠ) “ট্রাইব্যুনাল” অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং
আইন) এর ধারা ৬৮ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল ;
(ড)
(ঢ)
(ণ)
“ট্রাফিক ডাটা” অর্থ কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে সংঘটিত যোগাযোগ সম্পর্কিত
যেকোনো কম্পিউটার ডাটা, যাহা যোগাযোগের শৃঙ্খলে অংশ নেওয়া কম্পিউটার
সিস্টেম দ্বারা উৎপন্ন হয় বা অনুরূপ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সিস্টেম দ্বারা উৎপন্ন হয়, যাহা
যোগাযোগের উৎস, গন্তব্য, পথ, সময়, তারিখ, আকার, সময়কাল বা প্রাথমিক সেবার
ধরন নির্দেশ করে ;
“ডিজিটাল” অর্থ যুগ্ম-সংখ্যা (০ ও ১/বাইনারি) বা ডিজিটভিত্তিক কার্য পদ্ধতি এবং
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল ম্যাগনেটিক,
অপটিক্যাল, বায়োমেট্রিক, ইলেকট্রোকেমিক্যাল, ইলেকট্রোমেকানিক্যাল, ওয়্যারলেস
বা ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক টেকনোলজি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা টেকনোলজি, ব্লকচেইন, লার্জ
ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ও মেশিন ভিশনও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে ;
“ডিজিটাল ডিভাইস” অর্থ কোনো ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল, ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল বা
তথ্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্র বা সিস্টেম, যাহা ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল, ম্যাগনেটিক বা
অপটিক্যাল ইমপালস ব্যবহার করিয়া যৌক্তিক, গা
পূর্ণ বাংলা খসড়া
সিকিউরিটি
অপারেশন সেন্টার এর মধ্যে সমন্বয় সাধনকারী হিসেবে কাজ করে এবং তাদের কার্যক্রম ও সাফল্য সূচক
(Key performance Indicator-KPI) তদারকি করে;
(ঠ) ‘ট্রাইব্যুনাল’ অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৬৮
এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল;
(ড) ‘ট্রাফিক ডাটা’ অর্থ কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে সংঘটিত যোগাযোগ সম্পর্কিত যেকোনো কম্পিউটার
ডাটা, যাহা যোগাযোগের শৃঙ্খলে অংশ নেওয়া কম্পিউটার সিস্টেম দ্বারা উৎপন্ন হয় বা অনুরূপ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
সিস্টেম দ্বারা উৎপন্ন হয়, যাহা যোগাযোগের উৎস, গন্তব্য, পথ, সময়, তারিখ, আকার, সময়কাল বা প্রাথমিক
সেবার ধরন নির্দেশ করে;
(ঢ) ‘ডিজিটাল’ অর্থ যুগ্ম-সংখ্যা (০ ও ১/বাইনারি) বা ডিজিটভিত্তিক কার্য পদ্ধতি এবং এই আইনের উদ্দেশ্য
পূরণকল্পে,
ইলেকট্রিক্যাল,
ইলেকট্রনিক,
ডিজিটাল
ম্যাগনেটিক,
অপটিক্যাল,
বায়োমেট্রিক,
ইলেকট্রোকেমিক্যাল, ইলেকট্রোমেকানিক্যাল, ওয়্যারলেস বা ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক টেকনোলজি, কৃত্রিম
বুদ্ধিমত্তা টেকনোলজি, ব্লকচেইন, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ও মেশিন ভিশনও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(ণ) ‘ডিজিটাল ডিভাইস’ অর্থ কোনো ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল, ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল বা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
যন্ত্র বা সিস্টেম, যাহা ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল, ম্যাগনেটিক বা অপটিক্যাল ইমপালস ব্যবহার করিয়া যৌক্তিক,
গা
ড ম্যানুফ্যাকচারিং, মেশিন ভিশন, ব্লক চেইন, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ
মডেল, ক্লাউড কম্পিউটিং, ইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটি) ইত্যাদি আধুনিক কম্পিউটিং বা সফটওয়্যার বা
অ্যাপস কাজ করে;
(ত) “‘ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব” ’ অর্থ একটি অনুমোদিত পরীক্ষাগার যাহা জাতীয় আইন, আন্তর্জাতিক মান,
সাইবার সুরক্ষার বিভিন্ন প্রোটোকল এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করে, যাহা আইনিভাবে
গ্রহণযোগ্য পদ্ধতিতে ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপন করিতে প্রয়োজনীয় কারিগরি
সক্ষমতাসহ গঠিত হয়;
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬১৭
(থ) “ডিজিটাল শিশু যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত উপাদান” অর্থ যে কোনো মাধ্যমে, কোনো ডিজিটাল বা
ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করিয়া তৈরি করা কোনো উপাদান বা উপস্থাপনা যাহা-
(অ) দৃষ্টিগত, শ্রবণযোগ্য, বা পাঠ্যগতভাবে, অথবা অন্যকোনোভাবে, চিত্রিত বা বর্ণনা করে, যাহা বাস্তব
বা অনুকৃত (simulated) যৌন সম্পর্কিত স্পষ্ট কার্যকলাপ, অথবা কোনো যৌন অ
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
ড ম্যানুফ্যাকচারিং, মেশিন ভিশন, ব্লক চেইন, লার্জ
ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল, ক্লাউড কম্পিউটিং, ইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটি) ইত্যাদি
আধুনিক কম্পিউটিং বা সফটওয়্যার বা অ্যাপস কাজ করে ;
(ত) “ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব” অর্থ একটি অনুমোদিত পরীক্ষাগার যাহা জাতীয় আইন,
আন্তর্জাতিক মান, সাইবার সুরক্ষার বিভিন্ন প্রোটোকল এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত
কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করে, যাহা আইনিভাবে গ্রহণযোগ্য পদ্ধতিতে ডিজিটাল প্রমাণ
সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপন করিতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সক্ষমতাসহ
গঠিত হয় ;
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬১৭
(থ) “ডিজিটাল শিশু যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত উপাদান” অর্থ যে কোনো মাধ্যমে, কোনো
ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করিয়া তৈরি করা কোনো উপাদান বা
উপস্থাপনা যাহা
(অ) দৃষ্টিগত, শ্রবণযোগ্য, বা পাঠ্যগতভাবে, অথবা অন্যকোনোভাবে, চিত্রিত বা বর্ণনা
করে, যাহা বাস্তব বা অনুকৃত (simulated) যৌন সম্পর্কিত স্পষ্ট কার্যকলাপ,
অথবা কোনো যৌন অ
পূর্ণ বাংলা খসড়া
ড ম্যানুফ্যাকচারিং, মেশিন ভিশন, ব্লক চেইন, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ
মডেল, ক্লাউড কম্পিউটিং, ইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটি) ইত্যাদি আধুনিক কম্পিউটিং বা সফটওয়্যার বা
অ্যাপস কাজ করে;
(ত) ‘ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব’ অর্থ একটি অনুমোদিত পরীক্ষাগার যাহা জাতীয় আইন, আন্তর্জাতিক মান,
সাইবার সুরক্ষার বিভিন্ন প্রোটোকল এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করে, যাহা আইনিভাবে
গ্রহণযোগ্য পদ্ধতিতে ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপন করিতে প্রয়োজনীয় কারিগরি
সক্ষমতাসহ গঠিত হয়;
থ) “ডিজিটাল শিশু যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত উপাদান” অর্থ যে কোনো মাধ্যমে, কোনো ডিজিটাল বা
ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করিয়া তৈরি করা কোনো উপাদান বা উপস্থাপনা যাহা-
(অ) দৃষ্টিগত, শ্রবণযোগ্য, বা পাঠ্যগতভাবে, অথবা অন্যকোনোভাবে, চিত্রিত বা বর্ণনা করে, যাহা বাস্তব
বা অনুকৃত (simulated) যৌন সম্পর্কিত স্পষ্ট কার্যকলাপ, অথবা কোনো যৌন অ
ন করিতে, অথবা যৌন শোষণ বা
নির্যাতন, অথবা যৌন সেবায় জড়িত হইতে বা সহায়তা করিতে, অথবা শিশুসহ অন্য ব্যক্তির সহিত
যৌনতাপূর্ণ যোগাযোগে জড়িত হইতে বা পর্যবেক্ষণ করিতে, অথবা প্ৰপ্রযোজ্য আইনে সংজ্ঞায়িত অন্যান্য
যৌন অপরাধে জড়িত হইতে বা সহায়তা করিতে (যাহার মধ্যে রহিয়াছে যৌন সেবার জন্য অর্থ প্রদান বা
গ্রহণ করা) অথবা যৌন শোষণের জন্য কোনো শিশুকে নিয়ন্ত্রণ করা, অ
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
ন করিতে, অথবা যৌন শোষণ বা নির্যাতন, অথবা যৌন
সেবায় জড়িত হইতে বা সহায়তা করিতে, অথবা শিশুসহ অন্য ব্যক্তির সহিত
যৌনতাপূর্ণ যোগাযোগে জড়িত হইতে বা পর্যবেক্ষণ করিতে, অথবা প্ৰযোজ্য
আইনে সংজ্ঞায়িত অন্যান্য যৌন অপরাধে জড়িত হইতে বা সহায়তা করিতে
(যাহার মধ্যে রহিয়াছে যৌন সেবার জন্য অর্থ প্রদান বা গ্রহণ করা) অথবা যৌন
শোষণের জন্য কোনো শিশুকে নিয়ন্ত্রণ করা, অ
পূর্ণ বাংলা খসড়া
ন করিতে, অথবা যৌন শোষণ বা
নির্যাতন, অথবা যৌন সেবায় জড়িত হইতে বা সহায়তা করিতে, অথবা শিশুসহ অন্য ব্যক্তির সহিত
যৌনতাপূর্ণ যোগাযোগে জড়িত হইতে বা পর্যবেক্ষণ করিতে, অথবা প্রযোজ্য আইনে সংজ্ঞায়িত অন্যান্য
যৌন অপরাধে জড়িত হইতে বা সহায়তা করিতে (যাহার মধ্যে রহিয়াছে যৌন সেবার জন্য অর্থ প্রদান বা
গ্রহণ করা) অথবা যৌন শোষণের জন্য কোনো শিশুকে নিয়ন্ত্রণ করা, অ
ন উদ্দেশ্যে কোনো শিশুকে প্রলুব্ধ করা:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধরনের উপাদান যৌন উত্তেজনা বা পরিতৃপ্তি সৃষ্টি বা প্ররোচিত করিবার উদ্দেশ্যে তৈরি
করা হইয়াছে কিনা তাহা অপ্রাসঙ্গিক বলিয়া বিবেচ্য হইবে:
১৬৬১৮
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধরনের যেকোনো উপাদান যাহা স্পষ্টভাবে আইন প্রয়োগের স্বার্থে বা অপরাধ তদন্ত,
চিকিৎসা সেবা, বা অনুমোদিত গবেষণা, শিক্ষা, বা গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের উদ্দেশ্যে কেবল বৈধ উদ্দেশ্যে তৈরি এবং/অথবা
ব্যবহৃত হইয়াছে, তাহা এই সংজ্ঞার আওতাভুক্ত হইবে না;
;
(দ) “‘পুলিশ অফিসার” ’ অর্থ সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিম্নে নহেন এইরূপ কোনো পুলিশ অফিসার;
(ধ) “‘প্রোগ্রাম” ’ অর্থ কোনো পাঠযোগ্য মাধ্যমে যন্ত্র সহযোগে শব্দ, সংকেত, পরিলেখ বা অন্য কোনো আকারে
প্রকাশিত নির্দেশাবলি, যাহার মাধ্যমে ডিজিটাল ডিভাইস দ্বারা কোনো বিশেষ কার্য-সম্পাদন বা বাস্তবে
ফলদায়ক করা যায়;
(ন) “‘ফৌজদারি কার্যবিধি” ’ অর্থ Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V
of 1898);
(প) ‘ব্যক্তি’ অর্থে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি, অংশীদারি কারবার, ফার্ম বা অন্য কোনো সংস্থা,
ডিজিটাল ডিভাইসের ক্ষেত্রে উহার নিয়ন্ত্রণকারী এবং আইনের মাধ্যমে সৃষ্ট কোনো সত্তা বা কৃত্রিম আইনগত
সত্তাও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(ফ) ‘বে-আইনি প্রবেশ” ’ অর্থ কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে বা উক্তরূপ অনুমতির শর্ত
লঙ্ঘনক্রমে কোনো কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বা ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থায়
প্রবেশ, বা উক্তরূপ প্রবে
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
ন উদ্দেশ্যে কোনো শিশুকে প্রলুব্ধ করা :
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধরনের উপাদান যৌন উত্তেজনা বা পরিতৃপ্তি সৃষ্টি বা প্ররোচিত
করিবার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হইয়াছে কিনা তাহা অপ্রাসঙ্গিক বলিয়া বিবেচ্য হইবে :
১৬৬১৮
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধরনের যেকোনো উপাদান যাহা স্পষ্টভাবে আইন প্রয়োগের
স্বার্থে বা অপরাধ তদন্ত, চিকিৎসা সেবা, বা অনুমোদিত গবেষণা, শিক্ষা, বা গণমাধ্যমের
প্রতিবেদনের উদ্দেশ্যে কেবল বৈধ উদ্দেশ্যে তৈরি এবং/অথবা ব্যবহৃত হইয়াছে, তাহা এই
সংজ্ঞার আওতাভুক্ত হইবে না ;
;
(দ) “পুলিশ অফিসার” অর্থ সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিম্নে নহেন এইরূপ কোনো পুলিশ
অফিসার ;
(ধ) “প্রোগ্রাম” অর্থ কোনো পাঠযোগ্য মাধ্যমে যন্ত্র সহযোগে শব্দ, সংকেত, পরিলেখ বা
অন্য কোনো আকারে প্রকাশিত নির্দেশাবলি, যাহার মাধ্যমে ডিজিটাল ডিভাইস দ্বারা
কোনো বিশেষ কার্য-সম্পাদন বা বাস্তবে ফলদায়ক করা যায় ;
(ন) “ফৌজদারি কার্যবিধি” অর্থ Code of Criminal Procedure, 1898 (Act
No. V of 1898);
(প) ‘ব্যক্তি’ অর্থে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি, অংশীদারি কারবার, ফার্ম বা অন্য
কোনো সংস্থা, ডিজিটাল ডিভাইসের ক্ষেত্রে উহার নিয়ন্ত্রণকারী এবং আইনের মাধ্যমে
সৃষ্ট কোনো সত্তা বা কৃত্রিম আইনগত সত্তাও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে ;
(ফ) ‘বে-আইনি প্রবেশ” অর্থ কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে বা উক্তরূপ
অনুমতির শর্ত লঙ্ঘনক্রমে কোনো কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস বা ডিজিটাল
নেটওয়ার্ক বা ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থায় প্রবেশ, বা উক্তরূপ প্রবে
পূর্ণ বাংলা খসড়া
ন উদ্দেশ্যে কোনো শিশুকে প্রলুব্ধ করা:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধরনের উপাদান যৌন উত্তেজনা বা পরিতৃপ্তি সৃষ্টি বা প্ররোচিত করিবার উদ্দেশ্যে তৈরি
করা হইয়াছে কিনা তাহা অপ্রাসঙ্গিক বলিয়া বিবেচ্য হইবে:
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধরনের যেকোনো উপাদান যাহা স্পষ্টভাবে আইন প্রয়োগের স্বার্থে বা অপরাধ তদন্ত,
চিকিৎসা সেবা, বা অনুমোদিত গবেষণা, শিক্ষা, বা গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের উদ্দেশ্যে কেবল বৈধ উদ্দেশ্যে তৈরি এবং/অথবা
ব্যবহৃত হইয়াছে, তাহা এই সংজ্ঞার আওতাভুক্ত হইবে না;
(দ) ‘পুলিশ অফিসার’ অর্থ সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিম্নে নহেন এইরূপ কোনো পুলিশ অফিসার;
(ধ) ‘প্রোগ্রাম’ অর্থ কোনো পাঠযোগ্য মাধ্যমে যন্ত্র সহযোগে শব্দ, সংকেত, পরিলেখ বা অন্য কোনো আকারে
প্রকাশিত নির্দেশাবলি, যাহার মাধ্যমে ডিজিটাল ডিভাইস দ্বারা কোনো বিশেষ কার্য-সম্পাদন বা বাস্তবে
ফলদায়ক করা যায়;
(ন) ‘ফৌজদারি কার্যবিধি’ অর্থ Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V
of 1898);
(প) ‘ব্যক্তি’ অর্থে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি, অংশীদারি কারবার, ফার্ম বা অন্য কোনো সংস্থা,
ডিজিটাল ডিভাইসের ক্ষেত্রে উহার নিয়ন্ত্রণকারী এবং আইনের মাধ্যমে সৃষ্ট কোনো সত্তা বা কৃত্রিম আইনগত
সত্তাও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(ফ) ‘বে-আইনি প্রবেশ’ অর্থ কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে বা উক্তরূপ অনুমতির শর্ত
লঙ্ঘনক্রমে কোনো কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বা ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থায়
প্রবেশ, বা উক্তরূপ প্রবে
) হইতে তথ্য-উপাত্ত সরানো, সফটওয়্যার লগ, ট্রেস, রেকর্ড মুছে দেয়া বা সরানো, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তর,
ব্লক করা, যাহা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং নামেও অভিহিত হইবে;
(ব) ‘ভৌত অবকাঠামো' ’ অর্থ সকল ধরনের হার্ডওয়ারভিত্তিক উপাদান ও প্রযুক্তি, যাহা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক
এবং ভার্চুয়াল পরিবেশের কার্যক্রমকে সমর্থন করে; ডাটা সেন্টার, সার্ভার এবং কম্পিউটার হার্ডওয়ার,
নেটও
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
) হইতে তথ্য-উপাত্ত সরানো, সফটওয়্যার লগ, ট্রেস, রেকর্ড
মুছে দেয়া বা সরানো, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তর, ব্লক করা, যাহা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং নামেও
অভিহিত হইবে ;
(ব) ‘ভৌত অবকাঠামো' অর্থ সকল ধরনের হার্ডওয়ারভিত্তিক উপাদান ও প্রযুক্তি, যাহা
ডিজিটাল নেটওয়ার্ক এবং ভার্চুয়াল পরিবেশের কার্যক্রমকে সমর্থন করে; ডাটা সেন্টার,
সার্ভার এবং কম্পিউটার হার্ডওয়ার, নেটও
পূর্ণ বাংলা খসড়া
) হইতে তথ্য-উপাত্ত সরানো, সফটওয়্যার লগ, ট্রেস, রেকর্ড মুছে দেয়া বা সরানো, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তর,
ব্লক করা, যাহা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং নামেও অভিহিত হইবে;
(ব) ‘ভৌত অবকাঠামো’ অর্থ সকল ধরনের হার্ডওয়ারভিত্তিক উপাদান ও প্রযুক্তি, যাহা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক
এবং ভার্চুয়াল পরিবেশের কার্যক্রমকে সমর্থন করে; ডাটা সেন্টার, সার্ভার এবং কম্পিউটার হার্ডওয়ার,
নেটও
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সঞ্চালন ও
বিতরণ নেটওয়ার্ক, ভূমিও নদীর তলদেশের ক্যাবল, সাবমেরিন ক্যাবল, ওভারহেড ফাইবার ক্যাবল,
অপটিক্যাল সঞ্চালন নেটওয়ার্কও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬১৯
(ভ) ‘মহাপরিচালক' ’ অর্থ এজেন্সির মহাপরিচালক;
(ম) ‘ম্যালওয়্যার’ অর্থ এইরূপ কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক নির্দেশ, তথ্য-উপাত্ত, প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্স প্ স
যাহা-
(অ) কোনো কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস কর্তৃক সম্পাদিত কার্যকে পরিবর্তন, বিকৃত, বিনাশ,
ক্ষতি বা ক্ষুণ্ণ করে বা উহার কার্য-সম্পাদনে বিরূপ প্রভাব বিস্তার করে, বা প্রবেশাধিকারের
সীমা বা গ
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
বিদ্যুৎ ও
জ্বালানি সঞ্চালন ও বিতরণ নেটওয়ার্ক, ভূমিও নদীর তলদেশের ক্যাবল, সাবমেরিন
ক্যাবল, ওভারহেড ফাইবার ক্যাবল, অপটিক্যাল সঞ্চালন নেটওয়ার্কও ইহার অন্তর্ভুক্ত
হইবে ;
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬১৯
ভ) ‘মহাপরিচালক' অর্থ এজেন্সির মহাপরিচালক ;
(ম) ‘ম্যালওয়্যার’ অর্থ এইরূপ কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক নির্দেশ, তথ্য-উপাত্ত,
প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্স যাহা
(অ) কোনো কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস কর্তৃক সম্পাদিত কার্যকে পরিবর্তন,
বিকৃত, বিনাশ, ক্ষতি বা ক্ষুণ্ণ করে বা উহার কার্য-সম্পাদনে বিরূপ প্রভাব বিস্তার
করে, বা প্রবেশাধিকারের সীমা বা গ
পূর্ণ বাংলা খসড়া
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সঞ্চালন ও
বিতরণ নেটওয়ার্ক, ভূমিও নদীর তলদেশের ক্যাবল, সাবমেরিন ক্যাবল, ওভারহেড ফাইবার ক্যাবল,
অপটিক্যাল সঞ্চালন নেটওয়ার্কও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(ভ) ‘মহাপরিচালক’ অর্থ এজেন্সির মহাপরিচালক;
(ম) ‘ম্যালওয়্যার’ অর্থ এইরূপ কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক নির্দেশ, তথ্য-উপাত্ত, প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্ স
যাহা-
(অ) কোনো কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস কর্তৃক সম্পাদিত কার্যকে পরিবর্তন, বিকৃত, বিনাশ,
ক্ষতি বা ক্ষুণ্ণ করে বা উহার কার্য-সম্পাদনে বিরূপ প্রভাব বিস্তার করে, বা প্রবেশাধিকারের
সীমা বা গ
র ছবি বা যৌন উদ্দীপক উপাদান বা পর্নোগ্রাফিক উপাদান
অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে প্রেরণ, কারো অনুমতি ব্যতিরেকে তাহার ছবিকে কোনো প্রযুক্তির সহায়তায় পর্নোগ্রাফিক
উপাদানে রূপদান করা বা যৌনকরণ করা: ; বা
;
(ই) সাইবার স্পেসে সম্পর্কের প্রস্তাবে সাড়া প্রদান না করিবার কারণে হমকি প্রদান, প্রলোভন বা হুমকির
মাধ্যমে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রচেষ্টা;
(র) “রিভেঞ্জ পর্ণর্ন” অর্থ কোনো ব্যক্তির অনুমতি ব্যতিত তাহার ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে উক্ত ব্যক্তির অন্তরঙ্গ
অথবা ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও অথবা অনুরূপ উপাত্ত যে কোনো প্রকার প্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া ছড়াইয়া দেওয়া;
১৬৬২০
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
(ল) ‘সাইবার সুরক্ষা' ’ অর্থে ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন, ডিজিটাল ওয়ারেবলস,
কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার ডাটা, সিগনালিং ডাটা, ট্রাফিক ডাটা, ডাটাসেন্টার ও ক্লাউডসহ সাইবার
স্পেসে
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
র ছবি বা যৌন উদ্দীপক উপাদান বা
পর্নোগ্রাফিক উপাদান অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে প্রেরণ, কারো অনুমতি ব্যতিরেকে
তাহার ছবিকে কোনো প্রযুক্তির সহায়তায় পর্নোগ্রাফিক উপাদানে রূপদান করা
বা যৌনকরণ করা : বা
;
(ই) সাইবার স্পেসে সম্পর্কের প্রস্তাবে সাড়া প্রদান না করিবার কারণে হমকি প্রদান,
প্রলোভন বা হুমকির মাধ্যমে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রচেষ্টা ;
(র) “রিভেঞ্জ পর্ণ” অর্থ কোনো ব্যক্তির অনুমতি ব্যতিত তাহার ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে উক্ত
ব্যক্তির অন্তরঙ্গ অথবা ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও অথবা অনুরূপ উপাত্ত যে কোনো প্রকার
প্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া ছড়াইয়া দেওয়া ;
১৬৬২০
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
(ল) ‘সাইবার সুরক্ষা' অর্থে ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন, ডিজিটাল
ওয়ারেবলস, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার ডাটা, সিগনালিং ডাটা, ট্রাফিক ডাটা,
ডাটাসেন্টার ও ক্লাউডসহ সাইবার স্পেসে
পূর্ণ বাংলা খসড়া
র ছবি বা যৌন উদ্দীপক উপাদান বা পর্নোগ্রাফিক উপাদান
অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে প্রেরণ, কারো অনুমতি ব্যতিরেকে তাহার ছবিকে কোনো প্রযুক্তির সহায়তায় পর্নোগ্রাফিক
উপাদানে রূপদান করা বা যৌনকরণ করা; বা
(ই) সাইবার স্পেসে সম্পর্কের প্রস্তাবে সাড়া প্রদান না করিবার কারণে হমকি প্রদান, প্রলোভন বা হুমকির
মাধ্যমে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রচেষ্টা;
(র) “রিভেঞ্জ পর্ন” অর্থ কোনো ব্যক্তির অনুমতি ব্যতিত তাহার ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে উক্ত ব্যক্তির অন্তরঙ্গ
অথবা ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও অথবা অনুরূপ উপাত্ত যে কোনো প্রকার প্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া ছড়াইয়া দেওয়া;
(ল) ‘সাইবার সুরক্ষা’ অর্থে ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন, ডিজিটাল ওয়ারেবলস,
কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার ডাটা, সিগনালিং ডাটা, ট্রাফিক ডাটা, ডাটাসেন্টার ও ক্লাউডসহ সাইবার
স্পেসে
সঠিক
অ্যাক্সেস নিশ্চিতকরণসহ উক্তরূপ বিষয়াবলিতে কোন ব্যক্তির পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এজেন্ট বা টুলের
এক্সেস বুঝাইবে। নাগরিকদের সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট প্রাপ্তির অধিকারও ইহার অন্তর্ভুর্ভূক্ত হইবে;
(শ) “‘সাইবার স্পেস” ’ অর্থ আন্তঃসংযোগকৃত সকল ডিজিটাল ডিভাইস এবং ডিজিটাল নেটওয়ার্কসমূহের সকল
ফিজিক্যাল এবং ভার্চুয়াল জগত বুঝাইবে (যেমন- ইন্টারনেট, ওয়েবসাইট, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা,
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ব্লকচেইন কম্পিউটিং, মেশিন লার্নিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
নেটওয়ার্ক, গেইমিং নেটওয়ার্ক, কম্পিউটার এইডেড ম্যানুফ্যাকচারিং, মে
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
সঠিক অ্যাক্সেস নিশ্চিতকরণসহ উক্তরূপ বিষয়াবলিতে কোন ব্যক্তির
পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এজেন্ট বা টুলের এক্সেস বুঝাইবে। নাগরিকদের সার্বক্ষণিক
ইন্টারনেট প্রাপ্তির অধিকারও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে ;
(শ) “সাইবার স্পেস” অর্থ আন্তঃসংযোগকৃত সকল ডিজিটাল ডিভাইস এবং ডিজিটাল
নেটওয়ার্কসমূহের সকল ফিজিক্যাল এবং ভার্চুয়াল জগত বুঝাইবে (যেমন- ইন্টারনেট,
টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ব্লকচেইন
কম্পিউটিং, মেশিন লার্নিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেটওয়ার্ক, গেইমিং নেটওয়ার্ক,
কম্পিউটার এইডেড ম্যানুফ্যাকচারিং, মে
পূর্ণ বাংলা খসড়া
সঠিক
অ্যাক্সেস নিশ্চিতকরণসহ উক্তরূপ বিষয়াবলিতে কোন ব্যক্তির পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এজেন্ট বা টুলের
এক্সেস বুঝাইবে। নাগরিকদের সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট প্রাপ্তির অধিকারও ইহার অন্তর্ভূক্ত হইবে;
(শ) ‘সাইবার স্পেস’ অর্থ আন্তঃসংযোগকৃত সকল ডিজিটাল ডিভাইস এবং ডিজিটাল নেটওয়ার্কসমূহের সকল
ফিজিক্যাল এবং ভার্চুয়াল জগত বুঝাইবে (যেমন- ইন্টারনেট, ওয়েবসাইট, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা,
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ব্লকচেইন কম্পিউটিং, মেশিন লার্নিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
নেটওয়ার্ক, গেইমিং নেটওয়ার্ক, কম্পিউটার এইডেড ম্যানুফ্যাকচারিং, মে
ও নন-হিউম্যান অনলাইন কর্মকান্ড সংঘটিত হয়) এবং ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার, কম্পিউটার
সিস্টেম, কম্পিউটার ডাটা, সিগনালিং ডাটা, ট্রাফিক ডাটা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উৎপন্ন ডাটাও ইত্যাদি উহার
অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(ষ) “‘সিগনালিং ডাটা” ’ অর্থে ডিজিটাল ডিভাইস, সার্ভার এবং নেটওয়ার্কের মধ্যকার সংযোগ স্থাপনকালীন বা
কানেকশন সেটআপ সম্পর্কিত তথ্য বুঝাইবে;
(স) “‘সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার (Security Operation Center-SOC)”
’ অর্থ যাহা
একটি নির্দিষ্ট সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল অবকাঠামো ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কাজ
করে; সাধারণত প্রতিষ্ঠানের আইটি সিস্টেমের সাইবার হুমকি শনাক্ত, প্রতিরোধ, ডাটা সু
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
ও নন-হিউম্যান অনলাইন কর্মকান্ড
সংঘটিত হয়) এবং ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার
ডাটা, সিগনালিং ডাটা, ট্রাফিক ডাটা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উৎপন্ন ডাটাও উহার অন্তর্ভুক্ত
হইবে ;
(ষ) “সিগনালিং ডাটা” অর্থে ডিজিটাল ডিভাইস, সার্ভার এবং নেটওয়ার্কের মধ্যকার
সংযোগ স্থাপনকালীন বা কানেকশন সেটআপ সম্পর্কিত তথ্য বুঝাইবে;
(স) “সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার (Security Operation Center - SOC) ”
অর্থ যাহা একটি নির্দিষ্ট সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল অবকাঠামো ও সম্পদের
নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে; সাধারণত প্রতিষ্ঠানের আইটি সিস্টেমের
সাইবার হুমকি শনাক্ত, প্রতিরোধ, ডাটা সু
পূর্ণ বাংলা খসড়া
ও নন-হিউম্যান অনলাইন কর্মকান্ড সংঘটিত হয়) এবং ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার, কম্পিউটার
সিস্টেম, কম্পিউটার ডাটা, সিগনালিং ডাটা, ট্রাফিক ডাটা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উৎপন্ন ডাটাও ইত্যাদি উহার
অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(ষ) ‘সিগনালিং ডাটা’ অর্থে ডিজিটাল ডিভাইস, সার্ভার এবং নেটওয়ার্কের মধ্যকার সংযোগ স্থাপনকালীন বা
কানেকশন সেটআপ সম্পর্কিত তথ্য বুঝাইবে;
(স) ‘সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার (Security Operation Center-SOC)’ অর্থ যাহা
একটি নির্দিষ্ট সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল অবকাঠামো ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কাজ
করে; সাধারণত প্রতিষ্ঠানের আইটি সিস্টেমের সাইবার হুমকি শনাক্ত, প্রতিরোধ, ডাটা সু
নিশ্চিত করে
এবং অননুমোদিত বা ক্ষতিকারক কার্যক্রম শনাক্তকরণ ও প্রতিরোধে সহায়তা করে; সিকিউরিটি অপারেশন
সেন্টার প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক হুমকি (যেমন- ফিশিং, ম্যালওয়্যার, র্যার ্যানসমওয়্যার, ডাটা লিক),
এবং অস্বাভাবিক নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক নিরীক্ষণ করে:
; প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক কার্যক্রম নিশ্চিত করিতে, শিল্প
মানদণ্ড (industry standard/compliance) অনুসরণ করিতে এবং নিরাপত্তা পরিবেশের
মান উন্নত করিতে কৌশলগত ভূমিকা পালন করে;
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬২১
(2হ) “‘সেবা প্রদানকারী” ’ অর্থ–
-
(অ) কোনো ব্যক্তি, সফটওয়্যার নির্মাতা বা এলগরিদম ডেভেলপার বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভার্চুয়াল
এজেন্ট ডেভেলপার যিনি কম্পিউটার বা ডিজিটাল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো ব্যবহারকারীকে
যোগাযোগের সাম
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
নিশ্চিত করে এবং অননুমোদিত বা
ক্ষতিকারক কার্যক্রম শনাক্তকরণ ও প্রতিরোধে সহায়তা করে; সিকিউরিটি অপারেশন
সেন্টার প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক হুমকি (যেমন- ফিশিং, ম্যালওয়্যার,
র্যানসমওয়্যার, ডাটা লিক), এবং অস্বাভাবিক নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক নিরীক্ষণ করে :
প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক কার্যক্রম নিশ্চিত করিতে, শিল্প মানদণ্ড (industry
standard compliance) অনুসরণ করিতে এবং নিরাপত্তা পরিবেশের মান উন্নত
করিতে কৌশলগত ভূমিকা পালন করে ;
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬২১
(2)
“সেবা প্রদানকারী” অর্থ –
(অ) কোনো ব্যক্তি, সফটওয়্যার নির্মাতা বা এলগরিদম ডেভেলপার বা কৃত্রিম
বুদ্ধিমত্তার ভার্চুয়াল এজেন্ট ডেভেলপার যিনি কম্পিউটার বা ডিজিটাল প্রক্রিয়ার
মাধ্যমে কোনো ব্যবহারকারীকে যোগাযোগের সাম
পূর্ণ বাংলা খসড়া
নিশ্চিত করে
এবং অননুমোদিত বা ক্ষতিকারক কার্যক্রম শনাক্তকরণ ও প্রতিরোধে সহায়তা করে; সিকিউরিটি অপারেশন
সেন্টার প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক হুমকি (যেমন- ফিশিং, ম্যালওয়্যার, র ্যানসমওয়্যার, ডাটা লিক),
এবং অস্বাভাবিক নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক নিরীক্ষণ করে; প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক কার্যক্রম নিশ্চিত করিতে, শিল্প
মানদণ্ড (industry standard/compliance) অনুসরণ করিতে এবং নিরাপত্তা পরিবেশের
মান উন্নত করিতে কৌশলগত ভূমিকা পালন করে;
(হ) ‘সেবা প্রদানকারী’ অর্থ-
(অ) কোনো ব্যক্তি, সফটওয়্যার নির্মাতা বা এলগরিদম ডেভেলপার বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভার্চুয়াল
এজেন্ট ডেভেলপার যিনি কম্পিউটার বা ডিজিটাল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো ব্যবহারকারীকে
যোগাযোগের সাম
ক্টর ডিজাইন বা টেস্টিং বা উৎপাদন
প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান বা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট
সেবা প্রদানকারী পরীক্ষক, নকশাকারী, প্রযুক্তিবিদ;
(ড়) ‘সেক্সটর্শন' ’ অর্থ এক প্রকার প্রতারণা বা এক্সটর্শন যাহার দ্বারা কোন ব্যক্তির অন্তরঙ্গ অথবা ব্যক্তিগত ছবি,
ভিডিও সংরক্ষণ বা সংরক্ষণেনের দাবি করিবার মাধ্যমে তাহা প্রকাশ করিবার হুমকি প্রদানের মাধ্যমে অর্থ, সুযোগ-
সুবিধা লাভ বা শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করা।
(২) এই আইনে ব্যবহৃত যে সকল শব্দ বা অভিব্যক্তির সংজ্ঞার্থ প্রদান করা হয় নাই, সেই সকল শব্দ বা অভিব্যক্তি তথ্য ও যোগাযোগ
প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এ যে অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে প্রযোজ্য হইবে।
১৬৬২২
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
৩। আইনের প্রযোজ্যতা।— (১) এই আইনের কোনো বিধানের সহিত কোনো আইনের কোনো বিধান অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়,
তাহা উক্ত আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানের সহিত এই আইনের বিধানটি যতখানি অসা
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
ক্টর ডিজাইন বা টেস্টিং
বা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান বা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং
প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারী পরীক্ষক, নকশাকারী, প্রযুক্তিবিদ ;
(ড়) ‘সেক্সটর্শন' অর্থ এক প্রকার প্রতারণা বা এক্সটর্শন যাহার দ্বারা কোন ব্যক্তির অন্তরঙ্গ
অথবা ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও সংরক্ষণ বা সংরক্ষণের দাবি করিবার মাধ্যমে তাহা
প্রকাশ করিবার হুমকি প্রদানের মাধ্যমে অর্থ, সুযোগ-সুবিধা লাভ বা শারীরিক সম্পর্ক
স্থাপনের চেষ্টা করা ।
(২) এই আইনে ব্যবহৃত যে সকল শব্দ বা অভিব্যক্তির সংজ্ঞার্থ প্রদান করা হয় নাই, সেই সকল
শব্দ বা অভিব্যক্তি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এ যে অর্থে
ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে প্রযোজ্য হইবে।
১৬৬২২
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
৩। আইনের প্রযোজ্যতা।—(১) এই আইনের কোনো বিধানের সহিত কোনো আইনের কোনো
বিধান অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহা উক্ত আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানের সহিত এই আইনের বিধানটি যতখানি
অসা
পূর্ণ বাংলা খসড়া
ক্টর ডিজাইন বা টেস্টিং বা উৎপাদন
প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান বা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট
সেবা প্রদানকারী পরীক্ষক, নকশাকারী, প্রযুক্তিবিদ;
(ড়) ‘সেক্সটর্শন’ অর্থ এক প্রকার প্রতারণা বা এক্সটর্শন যাহার দ্বারা কোন ব্যক্তির অন্তরঙ্গ অথবা ব্যক্তিগত ছবি,
ভিডিও সংরক্ষণ বা সংরক্ষনের দাবি করিবার মাধ্যমে তাহা প্রকাশ করিবার হুমকি প্রদানের মাধ্যমে অর্থ, সুযোগ-
সুবিধা লাভ বা শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করা।
(২) এই আইনে ব্যবহৃত যে সকল শব্দ বা অভিব্যক্তির সংজ্ঞার্থ প্রদান করা হয় নাই, সেই সকল শব্দ বা অভিব্যক্তি তথ্য ও যোগাযোগ
প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এ যে অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে প্রযোজ্য হইবে।
৩। আইনের প্রযোজ্যতা।— (১) এই আইনের কোনো বিধানের সহিত কোনো আইনের কোনো বিধান অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়,
তাহা উক্ত আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানের সহিত এই আইনের বিধানটি যতখানি অসা
#১৫খসড়া: পৃষ্ঠা ৮DOCX: অনুচ্ছেদ ৪৩৩–৪৩৪, ৪৩৬–৪৩৮, ৪৪০, ৪৪২, ৪৪৪অতিরিক্ত পার্থক্য
…
র বিরুদ্ধে এই আইনের বিধানাবলি এইরূপে প্রযোজ্য হইবে যেন উক্ত অপরাধের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বাংলাদেশেই সংঘটিত
হইয়াছে।
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তর হইতে বাংলাদেশের বাহিরে এই আইনেঅধ্যাদেশের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন,
তাহা হইলে এই আইনেঅধ্যাদেশের বিধানাবলি এইরূপে প্রযোজ্য হইবে যেন উক্ত অপরাধের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বাংলাদেশেই সংঘটিত হইয়াছে।
দ্বিতীয় অধ্যায়
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি
৫। এজেন্সি গঠন, কার্যালয়, ইত্যাদি।— (১
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
র বিরুদ্ধে এই আইনের
বিধানাবলি এইরূপে প্রযোজ্য হইবে যেন উক্ত অপরাধের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বাংলাদেশেই সংঘটিত হইয়াছে।
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তর হইতে বাংলাদেশের বাহিরে এই আইনের অধীন
কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে এই আইনের বিধানাবলি এইরূপে প্রযোজ্য হইবে যেন উক্ত
অপরাধের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বাংলাদেশেই সংঘটিত হইয়াছে।
দ্বিতীয় অধ্যায়
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি
৫। এজেন্সি গঠন, কার্যালয়, ইত্যাদি।— (১
পূর্ণ বাংলা খসড়া
র বিরুদ্ধে এই আইনের বিধানাবলি এইরূপে প্রযোজ্য হইবে যেন উক্ত অপরাধের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বাংলাদেশেই সংঘটিত
হইয়াছে।
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তর হইতে বাংলাদেশের বাহিরে এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন,
তাহা হইলে এই অধ্যাদেশের বিধানাবলি এইরূপে প্রযোজ্য হইবে যেন উক্ত অপরাধের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বাংলাদেশেই সংঘটিত হইয়াছে।
দ্বিতীয় অধ্যায়
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি
৫। এজেন্সি গঠন, কার্যালয়, ইত্যাদি।— (১
উহার শাখা কার্যালয়
স্থাপন করিতে পারিবে।
(৩) এজেন্সি প্রশাসনিকভাবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সংযুক্ত দপ্তর হিসাবে থাকিবে।
(৪) এজেন্সির দায়িত্ব ও কার্যাবলি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
৬। মহাপরিচালক ও পরিচালকগণের নিয়োগ, ইত্যাদি।— (১) মহাপরিচালক ও পরিচালকগণ, কম্পিউটার, ডিজিটাল
ডিভাইস, তথ্য প্রযুক্তি বা সাইবার সুরক্ষা ও এতদ্সংদ্ সংক্রান্ত আইনের বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের মধ্য হইতে, যাহাদের সাইবার সুরক্ষা
বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সনদ বা সার্টিফিকেট রহিয়াছে, সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬২৩
(২) মহাপরিচালক ও পরিচালকগণ এজেন্সির সার্বক্ষণিক কর্মচারী হইবে, এবং তাহারা এই আইন এবং তদধীন প্রণীত বিধির বিধানাবলি
সাপেক্ষে, সরকার কর্তৃক নির্দেশিত কার্য-সম্পাদন,
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
উহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।
(৩) এজেন্সি প্রশাসনিকভাবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সংযুক্ত দপ্তর হিসাবে থাকিবে।
(৪) এজেন্সির দায়িত্ব ও কার্যাবলি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে
৬। মহাপরিচালক ও পরিচালকগণের নিয়োগ, ইত্যাদি।— (১) মহাপরিচালক ও পরিচালকগণ,
কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, তথ্য প্রযুক্তি বা সাইবার সুরক্ষা ও এতদ্সংক্রান্ত আইনের বিষয়ে
বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের মধ্য হইতে, যাহাদের সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সনদ বা
সার্টিফিকেট রহিয়াছে, সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬২৩
(২) মহাপরিচালক ও পরিচালকগণ এজেন্সির সার্বক্ষণিক কর্মচারী হইবে, এবং তাহারা এই আইন
এবং তদধীন প্রণীত বিধির বিধানাবলি সাপেক্ষে, সরকার কর্তৃক নির্দেশিত কার্য-সম্পাদন,
পূর্ণ বাংলা খসড়া
উহার শাখা কার্যালয়
স্থাপন করিতে পারিবে।
(৩) এজেন্সি প্রশাসনিকভাবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সংযুক্ত দপ্তর হিসাবে থাকিবে।
(৪) এজেন্সির দায়িত্ব ও কার্যাবলি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
৬। মহাপরিচালক ও পরিচালকগণের নিয়োগ, ইত্যাদি।— (১) মহাপরিচালক ও পরিচালকগণ, কম্পিউটার, ডিজিটাল
ডিভাইস, তথ্য প্রযুক্তি বা সাইবার সুরক্ষা ও এতদ্ সংক্রান্ত আইনের বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের মধ্য হইতে, যাহাদের সাইবার সুরক্ষা
বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সনদ বা সার্টিফিকেট রহিয়াছে, সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।
(২) মহাপরিচালক ও পরিচালকগণ এজেন্সির সার্বক্ষণিক কর্মচারী হইবে, এবং তাহারা এই আইন এবং তদধীন প্রণীত বিধির বিধানাবলি
সাপেক্ষে, সরকার কর্তৃক নির্দেশিত কার্য-সম্পাদন,
উপাত্ত সাইবার সুরক্ষার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করিলে তিনি উক্ত
তথ্য-উপাত্ত অপসারণ, ক্ষেত্রমতো স্থানান্তর বা ব্লক করিবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশ
টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্ৰন্ত্রণ কমিশনকে, অতঃপর বিটিআরসি বলিয়া উল্লিখিত, অনুরোধ করিতে পারিবেন।
(২) যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর , তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কিংবা সরকারের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যান্য সংস্থা বা
বাহিনীর নিকট তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণসাপেক্ষে বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, সাইবার স্পেস বা ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে
প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য, অপতথ্য বা গুজব-
(ক) দেশের অখন্ডণ্ডতা, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, জনশৃঙ্খলা ক্ষুণ্ণ করে, কিংবা ক্ষুণ্ণ করিবার আশংকা থাকে;
(খ) ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক ঘৃণা মূলক বা জাতিগত বিদ্বেষমূলক
বক্তব্য যাহা সহিংসতা তৈরিতে উদ্রেগ সৃষ্টি করে বা বা করিবার আশংকা থাকে;
(গ) বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা প্রদান করে, ; বা
(ঘ) কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য মানহানিকর বা রাষ্ট্রের জন্য অবমাননাকর হয়-
তাহা হইলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কিংবা সরকারের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যান্য সংস্থা বা
বাহিনী উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার জন্য বা, ক্ষেত্রমত স্থানান্তরের করিবার জন্য মহাপরিচালকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয়
ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে বা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, বিটিআরসিকে অনুরোধ করিতে পারিবে।
(৩) উপধারা (১) ও (২) এর অধীন কোনো অনুরোধ প্রাপ্ত হইলে বা ট্রাইব্যুনালের আদেশ প্রাপ্ত হইলে বিটিআরসি বা তথ্য ও যোগাযোগ
প্রযুক্তি বিভাগের সংশ্লিষ্ট সংস্থা, উপযুক্ত ক্ষেত্রে, উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত ব্লক করিবার জন্য প্রযুক্তি কোম্পানিকে
অনুরোধ এবং অতঃপর উহা সরকারকে অবহিত করিবে এবং কোনো কন্টেন্ট ব্লক করা হইলে স্বচ্ছতার স্বার্থে সরকার সকল ব্লক হওয়া
কন্টেন্টের তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
(৪) উপ-ধারা (১), (২) ও (৩) এর অধীন তথ্য-উপাত্ত অপসারণ, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তর বা ব্লক করিবার ৩ (তিন) দিনের মধ্যে উক্ত বিষয়ে
সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে এবং উল্লিখিত সময়ের মধ্যে অনুমতি গ্রহণ না করিলে বা ট্রাইব্যুনাল অনুমতি প্রদান
না করিলে অপসারিত বা, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তরিত বা ব্লককৃত তথ্য-উপাত্ত পুনরায় বাধ্যতামূলকভাবে অবমুক্ত করিতে হইবে। ফলে কোনো
ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হইলে, সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি এজেন্সি বা আদালতের নিকট অবমুক্তির জন্য আবেদন করিতে পারিবেন এবং সরকারকে বা
সংশ্লিষ্ট পক্ষকে শুনানির সুযোগ দিয়ে এজেন্সি বা আদালত উক্ত আবেদন নিষ্পত্তি করিতে পারিবেন।
ব্যাখ্যা।— এই ধারার অধীন “সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি” অর্থ এমন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান—
(ক) যাহার বিরুদ্ধে উপধারা (১), (২) ও (৩) এর অধীন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইয়াছে;
(খ) উক্ত অর্থে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি, অভিভাবক, পরিবারের সদস্য বা অন্য কোনো বৈধ স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিও
অন্তর্ভূক্ত হইবেন।
(৫) এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
১৬৬২৪
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
৯। কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম।— (১) এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, এজেন্সির অধীন একটি জাতীয় কম্পিউটার
ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম এবং একটি জাতীয় সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টা
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
উপাত্ত সাইবার সুরক্ষার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করিলে তিনি উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ, ক্ষেত্রমতো স্থানান্তর
বা ব্লক করিবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্ৰণ
কমিশনকে, অতঃপর বিটিআরসি বলিয়া উল্লিখিত, অনুরোধ করিতে পারিবেন।
(২) যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণসাপেক্ষে বিশ্বাস করিবার
কারণ থাকে যে, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য দেশের অখন্ডতা,
নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা,জনশৃঙ্খলা ক্ষুণ্ণ করে, ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক ঘৃণামূলক বা জাতিগত বিদ্বেষমূলক
বক্তব্য যাহা সহিংসতা তৈরিতে উদ্রেগ সৃষ্টি করে বা বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা
প্রদান করে, তাহা হইলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার
জন্য বা, ক্ষেত্রমত স্থানান্তরের জন্য মহাপরিচালকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে বা প্রযোজ্য
ক্ষেত্রে বিটিআরসিকে অনুরোধ করিতে পারিবে।
(৩) উপধারা (১) ও (২) এর অধীন কোনো অনুরোধ প্রাপ্ত হইলে বা ট্রাইব্যুনালের আদেশ প্রাপ্ত
হইলে বিটিআরসি বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সংশ্লিষ্ট সংস্থা, উপযুক্ত ক্ষেত্রে, উক্ত তথ্য-
উপাত্ত অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত ব্লক করিবার জন্য প্রযুক্তি কোম্পানিকে অনুরোধ এবং অতঃপর উহা
সরকারকে অবহিত করিবে এবং কোনো কন্টেন্ট ব্লক করা হইলে স্বচ্ছতার স্বার্থে সরকার সকল ব্লক
হওয়া কন্টেন্টের তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
(৪) উপ-ধারা (১), (২) ও (৩) এর অধীন তথ্য-উপাত্ত অপসারণ, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তর বা ব্লক করিবার
৩ (তিন) দিনের মধ্যে উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে এবং উল্লিখিত
সময়ের মধ্যে অনুমতি গ্রহণ না করিলে বা ট্রাইব্যুনাল অনুমতি প্রদান না করিলে অপসারিত বা, ক্ষেত্রমত,
স্থানান্তরিত বা ব্লককৃত তথ্য-উপাত্ত পুনরায় বাধ্যতামূলকভাবে অবমুক্ত করিতে হইবে।
(৫) এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
১৬৬২৪
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
৯। কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম।—(১) এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, এজেন্সির অধীন
একটি জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম এবং একটি জাতীয় সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টা
পূর্ণ বাংলা খসড়া
উপাত্ত সাইবার সুরক্ষার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করিলে তিনি উক্ত
তথ্য-উপাত্ত অপসারণ, ক্ষেত্রমতো স্থানান্তর বা ব্লক করিবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশ
টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে, অতঃপর বিটিআরসি বলিয়া উল্লিখিত, অনুরোধ করিতে পারিবেন।
(২) যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কিংবা সরকারের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যান্য সংস্থা বা
বাহিনীর নিকট তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণসাপেক্ষে বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, সাইবার স্পেস বা ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে
প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য, অপতথ্য বা গুজব-
(ক) দেশের অখণ্ডতা, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, জনশৃঙ্খলা ক্ষুণ্ণ করে, কিংবা ক্ষুণ্ণ করিবার আশংকা থাকে;
(খ) ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক ঘৃণা বা জাতিগত সহিংসতা তৈরিতে উদ্রেগ সৃষ্টি করে বা করিবার আশংকা থাকে;
(গ) বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা প্রদান করে; বা
(ঘ) কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য মানহানিকর বা রাষ্ট্রের জন্য অবমাননাকর হয়-
তাহা হইলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কিংবা সরকারের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যান্য সংস্থা বা
বাহিনী উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার জন্য বা, ক্ষেত্রমত স্থানান্তর করিবার জন্য মহাপরিচালকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয়
ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, বিটিআরসিকে অনুরোধ করিতে পারিবে।
(৩) উপধারা (১) ও (২) এর অধীন কোনো অনুরোধ প্রাপ্ত হইলে বা ট্রাইব্যুনালের আদেশ প্রাপ্ত হইলে বিটিআরসি বা তথ্য ও যোগাযোগ
প্রযুক্তি বিভাগের সংশ্লিষ্ট সংস্থা, উপযুক্ত ক্ষেত্রে, উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত ব্লক করিবার জন্য প্রযুক্তি কোম্পানিকে
অনুরোধ এবং অতঃপর উহা সরকারকে অবহিত করিবে এবং কোনো কন্টেন্ট ব্লক করা হইলে স্বচ্ছতার স্বার্থে সরকার সকল ব্লক হওয়া
কন্টেন্টের তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
(৪) উপ-ধারা (১), (২) ও (৩) এর অধীন তথ্য-উপাত্ত অপসারণ, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তর বা ব্লক করিবার ৩ (তিন) দিনের মধ্যে উক্ত বিষয়ে
সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে এবং উল্লিখিত সময়ের মধ্যে অনুমতি গ্রহণ না করিলে বা ট্রাইব্যুনাল অনুমতি প্রদান
না করিলে অপসারিত বা, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তরিত বা ব্লককৃত তথ্য-উপাত্ত পুনরায় বাধ্যতামূলকভাবে অবমুক্ত করিতে হইবে। ফলে কোনো
ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হইলে, সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি এজেন্সি বা আদালতের নিকট অবমুক্তির জন্য আবেদন করিতে পারিবেন এবং সরকারকে বা
সংশ্লিষ্ট পক্ষকে শুনানির সুযোগ দিয়ে এজেন্সি বা আদালত উক্ত আবেদন নিষ্পত্তি করিতে পারিবেন।
ব্যাখ্যা।— এই ধারার অধীন “সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি” অর্থ এমন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান—
(ক) যাহার বিরুদ্ধে উপধারা (১), (২) ও (৩) এর অধীন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইয়াছে;
(খ) উক্ত অর্থে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি, অভিভাবক, পরিবারের সদস্য বা অন্য কোনো বৈধ স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিও
অন্তর্ভূক্ত হইবেন।
(৫) এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
৯। কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম।— (১) এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, এজেন্সির অধীন একটি জাতীয় কম্পিউটার
ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম এবং একটি জাতীয় সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টা
, জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম ও কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স
টিম বা কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিম নিম্নবর্ণিত দায়িত্ব পালন করিবে, যথা:-
(ক)
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো'’র জরুরি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ;
(খ)
সাইবার বা ডিজিটাল হামলা হইলে এবং সাইবার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা বিঘ্নিত হইলে
তাৎক্ষণিকভাবে উহা প্রতিকারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;
(গ)
সম্ভাব্য ও আসন্ন সাইবার বা ডিজিটাল হামলা প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্ৰগ্রহণ;
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬২৫
(ঘ)
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কাউন্সিলের অনুমোদন গ্রহণক্রমে, সমজাতীয় বিদেশি কোনো
টিম বা প্রতিষ্ঠানের সহিত তথ্য, লগ এবং ফরেনসিক আদান-প্রদানসহ সার্বিক সহযোগিতামূ
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
, জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম
ও কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম বা কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিম নিম্নবর্ণিত দায়িত্ব পালন
করিবে, যথা :-
(ক) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো'র জরুরি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ;
(খ) সাইবার বা ডিজিটাল হামলা হইলে এবং সাইবার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা বিঘ্নিত হইলে
তাৎক্ষণিকভাবে উহা প্রতিকারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ;
(গ) সম্ভাব্য ও আসন্ন সাইবার বা ডিজিটাল হামলা প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ
গ্ৰহণ ;
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬২৫
(ঘ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কাউন্সিলের অনুমোদন গ্রহণক্রমে, সমজাতীয় বিদেশি
কোনো টিম বা প্রতিষ্ঠানের সহিত তথ্য, লগ এবং ফরেনসিক আদান-প্রদানসহ সার্বিক
সহযোগিতামূ
পূর্ণ বাংলা খসড়া
, জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম ও কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স
টিম বা কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিম নিম্নবর্ণিত দায়িত্ব পালন করিবে, যথা:-
(ক)
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো’র জরুরি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ;
(খ)
সাইবার বা ডিজিটাল হামলা হইলে এবং সাইবার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা বিঘ্নিত হইলে
তাৎক্ষণিকভাবে উহা প্রতিকারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;
(গ)
সম্ভাব্য ও আসন্ন সাইবার বা ডিজিটাল হামলা প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ;
(ঘ)
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কাউন্সিলের অনুমোদন গ্রহণক্রমে, সমজাতীয় বিদেশি কোনো
টিম বা প্রতিষ্ঠানের সহিত তথ্য, লগ এবং ফরেনসিক আদান-প্রদানসহ সার্বিক সহযোগিতামূ
etection and Response-XDR, Network Detection
and Response-NDR, ইত্যাদি) ব্যবহার এবং লগ আদান-প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ; এবং
(ছ)
বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য কার্য সম্পাদন।
(৬) কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিম এর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা—
-
(ক) (খ)
(ঘ)
(ঙ)
সাইবার নিরাপত্তার প্রশ্নে, সিঙ্গেল পয়েন্ট অফ ফেইলিউর এড়াইতে, কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহ
নিজেদের সহিত যোগাযোগের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করিবে এবং সার্বক্ষণিক যোগাযোগের একাধিক মাধ্যম প্রস্তুত
রাখিবে, টিমসমূহ স্পষ্টভাবে নিজেদের যোগাযোগের মাধ্যম অনলাইনে প্রকাশ করিবে এবং যেকোনো পরিবর্তন
অংশীদারদের অবগত করিবে;
(খ) কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহের কার্যস্থল এবং সহায়ক তথ্য ব্যবস্থা আবশ্যকভাবে নিরাপদ স্থানে
থাকিতে হইবে;
(গ) কার্যকর ও দক্ষ দায়িত্ব হস্তান্তর নিশ্চিত করিবার জন্য কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহ অনুরোধ
ব্যবস্থাপনা ও হস্তান্তরের জন্য উপযুক্ত একটি ব্যবস্থা দ্বারা সজ্জিত থাকিবে;
(ঘ) কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহকে, তাদের কার্যক্রমের গোপনীয়তা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত
করিতে হইবে;
(ঙ) কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহ নিশ্চিত করিবে যে, তাহাদের সার্বক্ষণিক পর্যাপ্ত সংখ্যক প্রশিক্ষিত
লোকবল বিদ্যমান রহিয়াছে;
১৬৬২৬
(চ) ছ)
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
সেবার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করিতে সার্টসমূহ প্রয়োজনাতিরিক্ত ব্যবস্থা এবং কম্পিউটার সিস্টেম প্রস্তুত
রাখিতে হইবে;
ছ) সার্টসমূহ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নেটওয়ার্কে অংশগ্রহণ করিতে পারিবে।
(৭) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসমূহ নিজ নিজ সার্টসমূহের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, জনবল এবং প্রয়োজনীয় অর্থ বরা
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
etection and
Response-XDR, Network Detection and Response-NDR,
ইত্যাদি) ব্যবহার এবং লগ আদান-প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ ; এবং
ছ) বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য কার্য সম্পাদন।
(৬) কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিম এর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা—
(ক)
(খ)
(ঘ)
(ঙ)
সাইবার নিরাপত্তার প্রশ্নে, সিঙ্গেল পয়েন্ট অফ ফেইলিউর এড়াইতে, কম্পিউটার
ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহ নিজেদের সহিত যোগাযোগের সহজলভ্যতা নিশ্চিত
করিবে এবং সার্বক্ষণিক যোগাযোগের একাধিক মাধ্যম প্রস্তুত রাখিবে, টিমসমূহ
স্পষ্টভাবে নিজেদের যোগাযোগের মাধ্যম অনলাইনে প্রকাশ করিবে এবং যেকোনো
পরিবর্তন অংশীদারদের অবগত করিবে ;
কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহের কার্যস্থল এবং সহায়ক তথ্য ব্যবস্থা
আবশ্যকভাবে নিরাপদ স্থানে থাকিতে হইবে ;
কার্যকর ও দক্ষ দায়িত্ব হস্তান্তর নিশ্চিত করিবার জন্য কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট
রেসপন্স টিমসমূহ অনুরোধ ব্যবস্থাপনা ও হস্তান্তরের জন্য উপযুক্ত একটি ব্যবস্থা দ্বারা
সজ্জিত থাকিবে ;
কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহকে, তাদের কার্যক্রমের গোপনীয়তা এবং
বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করিতে হইবে ;
কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহ নিশ্চিত করিবে যে, তাহাদের সার্বক্ষণিক
পর্যাপ্ত সংখ্যক প্রশিক্ষিত লোকবল বিদ্যমান রহিয়াছে ;
১৬৬২৬
(চ)
ছ)
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
সেবার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করিতে সার্টসমূহ প্রয়োজনাতিরিক্ত ব্যবস্থা এবং
কম্পিউটার সিস্টেম প্রস্তুত রাখিতে হইবে ;
সার্টসমূহ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নেটওয়ার্কে অংশগ্রহণ করিতে পারিবে।
(৭) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসমূহ নিজ নিজ সার্টসমূহের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, জনবল এবং
প্রয়োজনীয় অর্থ বরা
পূর্ণ বাংলা খসড়া
etection and Response-XDR, Network Detection
and Response-NDR, ইত্যাদি) ব্যবহার এবং লগ আদান-প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ; এবং
(ছ)
বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য কার্য সম্পাদন।
(৬) কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিম এর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা-
(ক) সাইবার নিরাপত্তার প্রশ্নে, সিঙ্গেল পয়েন্ট অফ ফেইলিউর এড়াইতে, কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহ
নিজেদের সহিত যোগাযোগের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করিবে এবং সার্বক্ষণিক যোগাযোগের একাধিক মাধ্যম প্রস্তুত
রাখিবে, টিমসমূহ স্পষ্টভাবে নিজেদের যোগাযোগের মাধ্যম অনলাইনে প্রকাশ করিবে এবং যেকোনো পরিবর্তন
অংশীদারদের অবগত করিবে;
(খ) কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহের কার্যস্থল এবং সহায়ক তথ্য ব্যবস্থা আবশ্যকভাবে নিরাপদ স্থানে
থাকিতে হইবে;
(গ) কার্যকর ও দক্ষ দায়িত্ব হস্তান্তর নিশ্চিত করিবার জন্য কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহ অনুরোধ
ব্যবস্থাপনা ও হস্তান্তরের জন্য উপযুক্ত একটি ব্যবস্থা দ্বারা সজ্জিত থাকিবে;
(ঘ) কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহকে, তাদের কার্যক্রমের গোপনীয়তা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত
করিতে হইবে;
(ঙ) কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহ নিশ্চিত করিবে যে, তাহাদের সার্বক্ষণিক পর্যাপ্ত সংখ্যক প্রশিক্ষিত
লোকবল বিদ্যমান রহিয়াছে;
(চ) সেবার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করিতে সার্টসমূহ প্রয়োজনাতিরিক্ত ব্যবস্থা এবং কম্পিউটার সিস্টেম প্রস্তুত
রাখিতে হইবে;
ছ) সার্টসমূহ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নেটওয়ার্কে অংশগ্রহণ করিতে পারিবে।
(৭) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসমূহ নিজ নিজ সার্টসমূহের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, জনবল এবং প্রয়োজনীয় অর্থ বরা
য়তা প্রদান করা;
(ঘ) ফরেনসিক তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা এবং সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কিত নিত্যনৈমিত্তিক ও পরিবর্তনশীল
ঝুঁকি ও ঘটনা বিশ্লেষণ এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা;
(ঙ) সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বা অপরিহার্য সংস্থার অনুরোধে তাহাদের নেটওয়ার্ক ও তথ্য ব্যবস্থার সক্রিয় স্ক্যানিং
(পরিবীক্ষণ, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা) করা, যাহাতে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলিবার মতো যেকোনো
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
য়তা প্রদান করা ;
(ঘ) ফরেনসিক তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা এবং সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কিত
নিত্যনৈমিত্তিক ও পরিবর্তনশীল ঝুঁকি ও ঘটনা বিশ্লেষণ এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে
সচেতনতা বৃদ্ধি করা ;
(ঙ) সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বা অপরিহার্য সংস্থার অনুরোধে তাহাদের নেটওয়ার্ক ও তথ্য ব্যবস্থার
সক্রিয় স্ক্যানিং (পরিবীক্ষণ, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা) করা, যাহাতে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব
ফেলিবার মতো যেকোনো
পূর্ণ বাংলা খসড়া
য়তা প্রদান করা;
(ঘ) ফরেনসিক তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা এবং সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কিত নিত্যনৈমিত্তিক ও পরিবর্তনশীল
ঝুঁকি ও ঘটনা বিশ্লেষণ এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা;
ঙ) সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বা অপরিহার্য সংস্থার অনুরোধে তাহাদের নেটওয়ার্ক ও তথ্য ব্যবস্থার সক্রিয় স্ক্যানিং
(পরিবীক্ষণ, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা) করা, যাহাতে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলিবার মতো যেকোনো
হযোগিতা ও তথ্য আদান-প্রদানকে সহায়তা ও সহজতর করিবার লক্ষ্যে একটি সহযোগিতা গ্রুপ
প্রতিষ্ঠা করা যাহা সমন্বিতভাবে সাইবার দুর্বলতা উন্মোচনের জন্য সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করিবে;
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬২৭
(জ) কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহ সংশ্লিষ্ট বেসরকারি খাতের অংশীজনদের সহিত সহযোগিতামূলক
সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করিবে এবং তথ্য বিনিময়ে সহায়তা প্রদান করিবে;
(ঝ) কম্পিউটার
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
হযোগিতা ও তথ্য আদান-প্রদানকে সহায়তা ও
সহজতর করিবার লক্ষ্যে একটি সহযোগিতা গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করা যাহা সমন্বিতভাবে
সাইবার দুর্বলতা উন্মোচনের জন্য সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করিবে ;
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬২৭
(জ) কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহ সংশ্লিষ্ট বেসরকারি খাতের অংশীজনদের
সহিত সহযোগিতামূলক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করিবে এবং তথ্য বিনিময়ে সহায়তা প্রদান
করিবে ;
(ঝ) কম্পিউটার
পূর্ণ বাংলা খসড়া
হযোগিতা ও তথ্য আদান-প্রদানকে সহায়তা ও সহজতর করিবার লক্ষ্যে একটি সহযোগিতা গ্রুপ
প্রতিষ্ঠা করা যাহা সমন্বিতভাবে সাইবার দুর্বলতা উন্মোচনের জন্য সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করিবে;
(জ) কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমসমূহ সংশ্লিষ্ট বেসরকারি খাতের অংশীজনদের সহিত সহযোগিতামূলক
সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করিবে এবং তথ্য বিনিময়ে সহায়তা প্রদান করিবে;
(ঝ) কম্পিউটার
লাল কাটা অংশের কিছু লেখা DOCX-এর একই ধারায় ভিন্ন অবস্থানে মিলেছে।
…
তীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল
১২। জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল।—(১) এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সাইবার
সুরক্ষা কাউন্সিল গঠিত হইবে, যথাঃ-
—
(ক) প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন;
(খ) মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী(যদি থাকে), ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়;
(গ) মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়;
(ঘ) মন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়;
(গঙ) মন্ত্ৰীন্ত্রী, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়;
(চ) মন্ত্রী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়;
(ছ) মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ;
(ঘজ) প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব;
(ঙঝ) গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক;
(চঞ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ
(ছট) সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ;
(জঠ) সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ;
(ঝড) সচিব, জন নিরাপত্তা বিভাগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়;
(ঞঢ) পররাষ্ট্র সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়;
(ণ) সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়;
(টত) সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ;
(ঠথ) ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ;
(ডদ) চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড;
(ঢধ) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন;
(ণন) মহাপরিচালক, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর;
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
(তপ) মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা;
(থফ) মহাপরিচালক, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার;
(দব) মহাপরিচালক, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি;
১৬৬২৯
(ধভ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রিমকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক;
(ন) চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন;
(পম) সচিব, তথ্য কমিশন;
(ফয) হেড অব বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ); এবং
(বর) সরকার কর্তৃক মনোনীত তথ্য-প্রযুক্তি বা মানবাধিকার বিষয়ক ২ (দুই) জন বেসরকারি পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ।
(২) মহাপরিচালক কাউন্সিলের কার্যসম্পাদনে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
তীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল
১২। জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল।— (১) এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত সদস্য
সমন্বয়ে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল গঠিত হইবে, যথাঃ-
(ক) প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন ;
(খ) মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী (যদি থাকে), ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ;
(গ) মন্ত্ৰী, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ;
(ঘ)
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ;
(ঙ) গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক ;
(চ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ
(ছ) সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ;
(জ) সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ;
(ঝ) সচিব, জন নিরাপত্তা বিভাগ ;
(ঞ) পররাষ্ট্র সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ;
(ট) সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ ;
(ঠ) ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ ;
(ড) চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ;
(ঢ) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন ;
(ণ) মহাপরিচালক, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর ;
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
(ত) মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা
(থ) মহাপরিচালক, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার ;
(দ) মহাপরিচালক, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি ;
১৬৬২৯
(ধ)
প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রিমকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক ;
(ন)
(প)
সচিব, তথ্য কমিশন ;
চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ;
(ফ) হেড অব বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ; এবং
(ব) সরকার কর্তৃক মনোনীত তথ্য-প্রযুক্তি বা মানবাধিকার বিষয়ক ২ (দুই) জন
বেসরকারি পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ।
(২) মহাপরিচালক কাউন্সিলের কার্যসম্পাদনে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে
পূর্ণ বাংলা খসড়া
তীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল
১২। জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল।—(১) এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সাইবার
সুরক্ষা কাউন্সিল গঠিত হইবে, যথাঃ—
(ক) প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন;
(খ) মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়;
(গ) মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়;
(ঘ) মন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়;
(ঙ) মন্ত্রী, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়;
(চ) মন্ত্রী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়;
(ছ) মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ;
(জ) প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব;
(ঝ) গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক;
(ঞ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ
(ট) সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ;
(ঠ) সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ;
(ড) সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়;
(ঢ) পররাষ্ট্র সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়;
(ণ) সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়;
(ত) সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ;
(থ) ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ;
(দ) চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড;
(ধ) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন;
(ন) মহাপরিচালক, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর;
(প) মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা;
(ফ) মহাপরিচালক, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার;
(ব) মহাপরিচালক, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি;
(ভ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রিমকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক;
(ন) চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন;
(ম) সচিব, তথ্য কমিশন;
(য) হেড অব বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ); এবং
(র) সরকার কর্তৃক মনোনীত তথ্য-প্রযুক্তি বা মানবাধিকার বিষয়ক ২ (দুই) জন বেসরকারি পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ।
(২) মহাপরিচালক কাউন্সিলের কার্যসম্পাদনে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে
প্রণীত বিধির বিধান বাস্তবায়নকল্পে, এজেন্সিকে
প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করিবে।
(২) কাউন্সিল অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে, বিশেষ করিয়া, নিম্নবর্ণিত কার্য-সম্পাদন করিবে, যথা:-
(ক) সাইবার নিরাপত্তা হুমকি দেখা দিলে উহা প্রতিকারের জন্য প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্ৰপ্রদান;
(খ) সাইবার নিরাপত্তার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও জনবল বৃদ্ধি এবং মানোন্নয়নে পরামর্শ প্ৰপ্রদান;
(গ) সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক নীতি নির্ধারণ;
(ঘ) এই আইন ও তদধীন প্রণীত বিধির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্ৰপ্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ; এবং
(ঙ) বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো কাৰ্য র্য সম্পাদন।
১৪। কাউন্সিলের সভা, ইত্যাদি।— (১) এই ধারার অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, কাউন্সিল উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ
করিতে পারিবে।
(২) কাউন্সিলের সভা প্রতি ৩ (তিন) ৬ (ছয়) মাসে অন্তত একবার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে যেকোনো সময় উহার চেয়ারম্যান
কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।
১৬৬৩০
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
(৩) কাউন্সিল প্রতি ৩ (তিন) মাসে প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসহ দেশের সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সরকারি-
বেসরকারি সংস্থার সাইবার ঝুঁকি নিরীক্ষণ করাইবে এবং এই কাজে ক
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
প্রণীত বিধির বিধান
বাস্তবায়নকল্পে, এজেন্সিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করিবে।
(২) কাউন্সিল অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে, বিশেষ করিয়া, নিম্নবর্ণিত কার্য-সম্পাদন করিবে, যথা:
(ক) সাইবার নিরাপত্তা হুমকি দেখা দিলে উহা প্রতিকারের জন্য প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা
প্ৰদান ;
(খ) সাইবার নিরাপত্তার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও জনবল বৃদ্ধি এবং মানোন্নয়নে পরামর্শ
প্ৰদান ;
(গ) সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক নীতি নির্ধারণ ;
(ঘ) এই আইন ও তদধীন প্রণীত বিধির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্ৰয়োজনীয়
ব্যবস্থা গ্রহণ ; এবং
(ঙ) বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো কাৰ্য সম্পাদন।
১৪। কাউন্সিলের সভা, ইত্যাদি।— (১) এই ধারার অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, কাউন্সিল উহার
সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) কাউন্সিলের সভা প্রতি ৩ (তিন) মাসে অন্তত একবার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে যেকোনো
সময় উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।
১৬৬৩০
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
(৩) কাউন্সিল প্রতি ৩ (তিন) মাসে প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসহ দেশের সকল
মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সাইবার ঝুঁকি নিরীক্ষণ করাইবে এবং এই কাজে
ক
পূর্ণ বাংলা খসড়া
প্রণীত বিধির বিধান বাস্তবায়নকল্পে, এজেন্সিকে
প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করিবে।
(২) কাউন্সিল অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে, বিশেষ করিয়া, নিম্নবর্ণিত কার্য-সম্পাদন করিবে, যথা:-
(ক) সাইবার নিরাপত্তা হুমকি দেখা দিলে উহা প্রতিকারের জন্য প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান;
(খ) সাইবার নিরাপত্তার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও জনবল বৃদ্ধি এবং মানোন্নয়নে পরামর্শ প্রদান;
(গ) সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক নীতি নির্ধারণ;
(ঘ) এই আইন ও তদধীন প্রণীত বিধির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ; এবং
(ঙ) বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো কার্য সম্পাদন।
১৪। কাউন্সিলের সভা, ইত্যাদি।— (১) এই ধারার অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, কাউন্সিল উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ
করিতে পারিবে।
(২) কাউন্সিলের সভা প্রতি ৩ (তিন) ৬ (ছয়) মাসে অন্তত একবার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে যেকোনো সময় উহার চেয়ারম্যান
কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) কাউন্সিল প্রতি ৩ (তিন) মাসে প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসহ দেশের সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সরকারি-
বেসরকারি সংস্থার সাইবার ঝুঁকি নিরীক্ষণ করাইবে এবং এই কাজে ক
ণমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ
করিবে।
(৫) চেয়ারম্যান কাউন্সিলের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন, তবে চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও
তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা/মন্ত্রী কাউন্সিলের সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৬) কাউন্সিলের কোনো কার্য বা কার্যধারা কেবল উক্ত কাউন্সিলের কোনো সদস্যপদে শূন্যতা বা কাউন্সিল গঠনে ত্রুটি থাকিবার
কারণে অবৈধ হইবে না এবং তৎ
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
ণমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করিবে।
(৫) চেয়ারম্যান কাউন্সিলের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন, তবে চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী কাউন্সিলের সভায় সভাপতিত্ব
করিবেন।
(৬) কাউন্সিলের কোনো কার্য বা কার্যধারা কেবল উক্ত কাউন্সিলের কোনো সদস্যপদে শূন্যতা বা
কাউন্সিল গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে অবৈধ হইবে না এবং তৎ
পূর্ণ বাংলা খসড়া
ণমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ
করিবে।
(৫) চেয়ারম্যান কাউন্সিলের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন, তবে চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও
তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা/মন্ত্রী কাউন্সিলের সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৬) কাউন্সিলের কোনো কার্য বা কার্যধারা কেবল উক্ত কাউন্সিলের কোনো সদস্যপদে শূন্যতা বা কাউন্সিল গঠনে ত্রুটি থাকিবার
কারণে অবৈধ হইবে না এবং তৎ
#২৬খসড়া: পৃষ্ঠা ১৫DOCX: অনুচ্ছেদ ৮২৩–৮২৫, ৮২৭, ৮২৯, ৮৩১–৮৩৩অতিরিক্ত পার্থক্য
…
বৎসর উহার অভ্যন্তরীণ
ও বহিঃস্থ পরিকাঠামো নিরীক্ষাপূর্বক একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদন কাউন্সিলের নিকট উপস্থাপন করিবে এবং উক্ত প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু
মহাপরিচালককে অবহিত করিবে।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৩১
(৩) মহাপরিচালকের নিকট যদি তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, তাহার অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে
কোনো ব্যক্তির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর জন্য হুমকি
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
বৎসর উহার অভ্যন্তরীণ ও বহিঃস্থ পরিকাঠামো নিরীক্ষাপূর্বক একটি নিরীক্ষা
প্রতিবেদন কাউন্সিলের নিকট উপস্থাপন করিবে এবং উক্ত প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু মহাপরিচালককে
অবহিত করিবে।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৩১
(৩) মহাপরিচালকের নিকট যদি তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে,
তাহার অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে কোনো ব্যক্তির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর জন্য
হুমকি
পূর্ণ বাংলা খসড়া
বৎসর উহার অভ্যন্তরীণ
ও বহিঃস্থ পরিকাঠামো নিরীক্ষাপূর্বক একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদন কাউন্সিলের নিকট উপস্থাপন করিবে এবং উক্ত প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু
মহাপরিচালককে অবহিত করিবে।
(৩) মহাপরিচালকের নিকট যদি তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, তাহার অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে
কোনো ব্যক্তির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর জন্য হুমকি
#২৭খসড়া: পৃষ্ঠা ১৫DOCX: অনুচ্ছেদ ৮৩৪, ৮৩৬–৮৩৭, ৮৩৯–৮৪০, ৮৪২অতিরিক্ত পার্থক্য
…
য়া, উহার অনুসন্ধান করিতে পারিবেন।
(৪) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা কার্যক্রম সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা
সম্পন্ন করিতে হইবে।।
(৫) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো এর সংজ্ঞা ও অন্তর্ভুক্তির শর্তসমূহ সর্বশেষ হালনাগাদকৃত সংশ্লিষ্ট গাইডলাইন অনুসারে নির্ধারিত হইবে।
(৬) বাংলাদেশে বলবৎযোগ্য মান অবকাঠামো মোতা
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
য়া, উহার অনুসন্ধান করিতে পারিবেন।
(৪) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা কার্যক্রম সাইবার
সুরক্ষা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা সম্পন্ন করিতে হইবে।।
(৫) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো এর সংজ্ঞা ও অন্তর্ভুক্তির শর্তসমূহ সর্বশেষ হালনাগাদকৃত সংশ্লিষ্ট
গাইডলাইন অনুসারে নির্ধারিত হইবে।
(৬) বাংলাদেশে বলবৎযোগ্য মান অবকাঠামো মোতা
পূর্ণ বাংলা খসড়া
য়া, উহার অনুসন্ধান করিতে পারিবেন।
(৪) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা কার্যক্রম সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা
সম্পন্ন করিতে হইবে।
(৫) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো এর সংজ্ঞা ও অন্তর্ভুক্তির শর্তসমূহ সর্বশেষ হালনাগাদকৃত সংশ্লিষ্ট গাইডলাইন অনুসারে নির্ধারিত হইবে।
(৬) বাংলাদেশে বলবৎযোগ্য মান অবকাঠামো মোতা
উটার সোর্স কোড গোপন, ধ্বংস বা পরিবর্তন করেন, বা অন্য কোনো
ব্যক্তির মাধ্যমে উক্ত কোড, প্রোগ্রাম, সিস্টেম বা নেটওয়ার্ক গোপন, ধ্বংস বা পরিবর্তন করিবার
চেষ্টা করেন বা উক্ত কাজে সহায়তা করেন,
তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির বা ডেভেলপারের বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা টুলস্ ব্যবহারকারীর অনুরূপ কার্য
হইবে একটি অপরাধ।
১৬৬৩২
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর-
(ক) দফা (ক) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর
কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
উটার সোর্স কোড
গোপন, ধ্বংস বা পরিবর্তন করেন, বা অন্য কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে উক্ত কোড, প্রোগ্রাম,
সিস্টেম বা নেটওয়ার্ক গোপন, ধ্বংস বা পরিবর্তন করিবার চেষ্টা করেন বা উক্ত কাজে
সহায়তা করেন
তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির বা ডেভেলপারের বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা টুলস্ ব্যবহারকারীর
অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
১৬৬৩২
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর
(ক) দফা (ক) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫
(পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে
দণ্ডিত হইবে
পূর্ণ বাংলা খসড়া
উটার সোর্স কোড গোপন, ধ্বংস বা পরিবর্তন করেন, বা অন্য কোনো
ব্যক্তির মাধ্যমে উক্ত কোড, প্রোগ্রাম, সিস্টেম বা নেটওয়ার্ক গোপন, ধ্বংস বা পরিবর্তন করিবার
চেষ্টা করেন বা উক্ত কাজে সহায়তা করেন,
তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির বা ডেভেলপারের বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা টুলস্ ব্যবহারকারীর অনুরূপ কার্য
হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর-
(ক) দফা (ক) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর
কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে
(এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৮। কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম ইত্যাদিতে বে-আইনি প্রবেশ ও দণ্ড।— (১) যদি কোনো ব্যক্তি
ইচ্ছাকৃতভাবে—
(ক) কোনো কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বে-আইনি
প্রবেশ করেন বা প্রবেশ করিতে সহায়তা করেন; বা
(খ) (গ)
কোনো কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্কে অপরাধ
সংঘটনের উদ্দেশ্যে বে-আইনি প্রবেশ করেন বা প্রবেশ করিতে সহায়তা করেন; বা
(গ) কোনো কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম, ইলেকট্রনিক সিস্টেম, সার্ভার,
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা সাইবার স্পেসে বে-আইনি প্রবেশ (হ্যাকিং) করিয়া তথ্য ভান্ডারের কোনো তথ্য চুরি,
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
(এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে
দণ্ডিত হইবেন।
১৮। কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম ইত্যাদিতে বে-আইনি প্রবেশ ও
দণ্ড।— (১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে
(ক) কোনো কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার
নেটওয়ার্কে বে-আইনি প্রবেশ করেন বা প্রবেশ করিতে সহায়তা করেন ; বা
(খ)
(গ)
কোনো কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার
নেটওয়ার্কে অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে বে-আইনি প্রবেশ করেন বা প্রবেশ করিতে
সহায়তা করেন ; বা
কোনো কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম, ইলেকট্রনিক সিস্টেম,
সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা সাইবার স্পেসে বে-আইনি প্রবেশ (হ্যাকিং) করিয়া
তথ্য ভান্ডারের কোনো তথ্য চুরি,
পূর্ণ বাংলা খসড়া
(এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৮। কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম ইত্যাদিতে বে-আইনি প্রবেশ ও দণ্ড।— (১) যদি কোনো ব্যক্তি
ইচ্ছাকৃতভাবে—
(ক) কোনো কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বে-আইনি
প্রবেশ করেন বা প্রবেশ করিতে সহায়তা করেন; বা
(খ) কোনো কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্কে অপরাধ
সংঘটনের উদ্দেশ্যে বে-আইনি প্রবেশ করেন বা প্রবেশ করিতে সহায়তা করেন; বা
(গ) কোনো কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম, ইলেকট্রনিক সিস্টেম, সার্ভার,
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা সাইবার স্পেসে বে-আইনি প্রবেশ (হ্যাকিং) করিয়া তথ্য ভান্ডারের কোনো তথ্য চুরি,
তন
ডাটা উৎপাদন করেন বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিসাধন করেন বা উক্ত কাজে সহায়তা করেন, তাহা হইলে উক্ত
ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর-
(ক) দফা (ক) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর
কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
তন ডাটা
উৎপাদন করেন বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিসাধন করেন বা উক্ত কাজে সহায়তা
করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর
(ক) দফা (ক) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১
(এক) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে
দণ্ডিত হইবেন
পূর্ণ বাংলা খসড়া
তন
ডাটা উৎপাদন করেন বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিসাধন করেন বা উক্ত কাজে সহায়তা করেন, তাহা হইলে উক্ত
ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর-
(ক) দফা (ক) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর
কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন
খ) দফা (খ) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর
কারাদণ্ডে, বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন;
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৩৩
(গ) দফা (গ) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন (হ্যাকিং), তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ)
বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৯। কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম ও সাইবার স্পেসের ভৌত অবকাঠামো ইত্যাদির ক্ষতিসাধন ও দণ্ড।— (১) যদি
কোনো ব্যক্তি-
(ক) অননুমোদিতভাবে, ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার
নেটওয়ার্ক বা সাইবার স্পেস হইতে কোনো উপাত্ত, উপাত্ত-ভান্ডার, তথ্য বা উহার উদ্ধৃতাংশ সংগ্রহ
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
খ)
দফা (খ) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২
(দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে
দণ্ডিত হইবেন ;
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৩৩
(গ) দফা (গ) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন (হ্যাকিং), তাহা হইলে তিনি
অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা
উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৯। কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম ও সাইবার স্পেসের ভৌত অবকাঠামো ইত্যাদির
ক্ষতিসাধন ও দণ্ড —
(১) যদি কোনো ব্যক্তি
(ক) অননুমোদিতভাবে, ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম,
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা সাইবার স্পেস হইতে কোনো উপাত্ত, উপাত্ত-ভান্ডার, তথ্য
বা উহার উদ্ধৃতাংশ সংগ্রহ
পূর্ণ বাংলা খসড়া
খ) দফা (খ) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর
কারাদণ্ডে, বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন;
(গ) দফা (গ) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন (হ্যাকিং), তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ)
বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৯। কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম ও সাইবার স্পেসের ভৌত অবকাঠামো ইত্যাদির ক্ষতিসাধন ও দণ্ড।— (১) যদি
কোনো ব্যক্তি-
(ক) অননুমোদিতভাবে, ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার
নেটওয়ার্ক বা সাইবার স্পেস হইতে কোনো উপাত্ত, উপাত্ত-ভান্ডার, তথ্য বা উহার উদ্ধৃতাংশ সংগ্রহ
নো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা সাইবার স্পেসে
উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোনো ধরনের সংক্রামক, ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর সফটওয়্যার প্রবেশ করান বা করানোর চেষ্টা
করেন, বা
(গ) ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, উপাত্ত বা
কম্পিউটারের উপাত্ত-ভান্ডার, সাইবার স্পেস সংক্রান্ত ভৌত অবকাঠামোর ক্ষতিসাধন করেন, বা ক্ষতিসা
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
নো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা সাইবার স্পেসে
উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোনো ধরনের সংক্রামক, ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর সফটওয়্যার
প্রবেশ করান বা করানোর চেষ্টা করেন,
(গ) ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক,
উপাত্ত বা কম্পিউটারের উপাত্ত-ভান্ডার, সাইবার স্পেস সংক্রান্ত ভৌত অবকাঠামোর
ক্ষতিসাধন করেন, বা ক্ষতিসা
পূর্ণ বাংলা খসড়া
নো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা সাইবার স্পেসে
উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোনো ধরনের সংক্রামক, ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর সফটওয়্যার প্রবেশ করান বা করানোর চেষ্টা
করেন, বা
(গ) ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, উপাত্ত বা
কম্পিউটারের উপাত্ত-ভান্ডার, সাইবার স্পেস সংক্রান্ত ভৌত অবকাঠামোর ক্ষতিসাধন করেন, বা ক্ষতিসা
রিতে কোনো উপায়ে বাধা সৃষ্টি করেন বা বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করেন, বা
(ঙ) ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রাপক বা গ্রাহকের অনুমতি ব্যতীত অযাচিত ইলেক্ট্রনিক
ফিশিং (Phishing) মেইল বা র্যার ্যানসামওয়্যার মেইল (সাইবার মুক্তিপণ) প্রেরণ করেন, বা
(চ) কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বা সাইবার স্পেসে অন্যায়ভাবে
হস্তক্ষেপ বা কারসাজি করিয়া কোনো ব্যক্তির সেবা গ্রহণ বা ধার্যকৃত চার্জ অন্যের হিসাবে জমা করেন বা করিবার
চেষ্টা করেন,
তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
১৬৬৩৪
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫(পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে
বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২০। সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দন্ড। — (১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া
খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায়
অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে
অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য
হইবে একটি অপরাধ
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি
অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত
হইবেন।
[বিলুপ্ত]
২১। সাইবার স্পেসে জালিয়াতির অপরাধ ও দণ্ড।— (১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেস ব্যবহার করিয়া জালিয়াতি
করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
রিতে কোনো উপায়ে বাধা সৃষ্টি করেন
বা বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করেন, বা
(ঙ) ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রাপক বা গ্রাহকের অনুমতি ব্যতীত অযাচিত
ইলেক্ট্রনিক ফিশিং (Phishing) মেইল বা র্যানসামওয়্যার মেইল (সাইবার
মুক্তিপণ) প্রেরণ করেন, বা
(চ)
কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বা সাইবার স্পেসে
অন্যায়ভাবে হস্তক্ষেপ বা কারসাজি করিয়া কোনো ব্যক্তির সেবা গ্রহণ বা ধার্যকৃত চার্জ
অন্যের হিসাবে জমা করেন বা করিবার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ
কার্য হইবে একটি অপরাধ।
১৬৬৩৪
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি
অনধিক ৫(পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত
হইবেন।
২০। সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দন্ড।— (১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া
খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায়
অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে
অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য
হইবে একটি অপরাধ
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি
অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত
হইবেন।
২১। সাইবার স্পেসে জালিয়াতির অপরাধ ও দণ্ড।— (১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেস
ব্যবহার করিয়া জালিয়াতি করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি
পূর্ণ বাংলা খসড়া
রিতে কোনো উপায়ে বাধা সৃষ্টি করেন বা বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করেন, বা
(ঙ) ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রাপক বা গ্রাহকের অনুমতি ব্যতীত অযাচিত ইলেক্ট্রনিক
ফিশিং (Phishing) মেইল বা র ্যানসামওয়্যার মেইল (সাইবার মুক্তিপণ) প্রেরণ করেন, বা
(চ) কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বা সাইবার স্পেসে অন্যায়ভাবে
হস্তক্ষেপ বা কারসাজি করিয়া কোনো ব্যক্তির সেবা গ্রহণ বা ধার্যকৃত চার্জ অন্যের হিসাবে জমা করেন বা করিবার
চেষ্টা করেন,
তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫(পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে
বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২০। সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দন্ড। [বিলুপ্ত]
২১। সাইবার স্পেসে জালিয়াতির অপরাধ ও দণ্ড।— (১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেস ব্যবহার করিয়া জালিয়াতি
করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি
ইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে,
বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘সাইবার স্পেসে জালিয়াতি' ’ অর্থ কোনো ব্যক্তি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এজেন্ট কর্তৃক বিনা অধিকারে
বা প্রদত্ত অধিকারের অতিরিক্ত হিসাবে বা অনধিকার চর্চার মাধ্যমে সাইবার স্পেস ব্যবহার করিয়া কোনো কম্পিউটার বা ডিজিটাল
ডিভাইসের ইনপুট বা আউটপুট প্রস্তুত, পরিবর্তন, মুছিয়া ফেলা ও লুকাইবার মাধ্যমে অশুদ্ধ ডাটা বা প্রোগ্রাম, তথ্য বা ভ্রান্ত কাৰ্যর্য, তথ্য
সিস্টেম, কম্পিউটার বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক পরিচালনা বা ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বা স্বাক্ষরবিহীন ডিজিটাল ডকুমেন্টস উৎপাদন
বা ইলেক্ট্রনিক ফাইল উৎপাদন বা বিদ্যমান ফাইল পরিবর্ত
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
ইলে তিনি
অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত
হইবেন।
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘সাইবার স্পেসে জালিয়াতি' অর্থ কোনো ব্যক্তি বা কৃত্রিম
বুদ্ধিমত্তা এজেন্ট কর্তৃক বিনা অধিকারে বা প্রদত্ত অধিকারের অতিরিক্ত হিসাবে বা অনধিকার চর্চার
মাধ্যমে সাইবার স্পেস ব্যবহার করিয়া কোনো কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসের ইনপুট বা আউটপুট
প্রস্তুত, পরিবর্তন, মুছিয়া ফেলা ও লুকাইবার মাধ্যমে অশুদ্ধ ডাটা বা প্রোগ্রাম, তথ্য বা ভ্রান্ত কাৰ্য, তথ্য
সিস্টেম, কম্পিউটার বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক পরিচালনা বা ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বা স্বাক্ষরবিহীন
ডিজিটাল ডকুমেন্টস উৎপাদন বা ইলেক্ট্রনিক ফাইল উৎপাদন বা বিদ্যমান ফাইল পরিবর্ত
পূর্ণ বাংলা খসড়া
ইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে,
বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘সাইবার স্পেসে জালিয়াতি’ অর্থ কোনো ব্যক্তি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এজেন্ট কর্তৃক বিনা অধিকারে
বা প্রদত্ত অধিকারের অতিরিক্ত হিসাবে বা অনধিকার চর্চার মাধ্যমে সাইবার স্পেস ব্যবহার করিয়া কোনো কম্পিউটার বা ডিজিটাল
ডিভাইসের ইনপুট বা আউটপুট প্রস্তুত, পরিবর্তন, মুছিয়া ফেলা ও লুকাইবার মাধ্যমে অশুদ্ধ ডাটা বা প্রোগ্রাম, তথ্য বা ভ্রান্ত কার্য, তথ্য
সিস্টেম, কম্পিউটার বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক পরিচালনা বা ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বা স্বাক্ষরবিহীন ডিজিটাল ডকুমেন্টস উৎপাদন
বা ইলেক্ট্রনিক ফাইল উৎপাদন বা বিদ্যমান ফাইল পরিবর্ত
#৩৫খসড়া: পৃষ্ঠা ১৭DOCX: অনুচ্ছেদ ১০০১–১০০৩, ১০০৫, ১০০৭, ১০০৯–১০১১অতিরিক্ত পার্থক্য
…
পধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে,
বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৩৫
ব্যাখ্যা।-এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘সাইবার স্পেসে প্রতারণা' ’ অর্থ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে অথবা অনুমতি
ব্যতিরেকে কোনো কম্পিউটার প্রোগ্রাম, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল সিস্টেম, ডিজিটাল
নেট
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
পধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি
অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত
হইবেন।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৩৫
ব্যাখ্যা। এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘সাইবার স্পেসে প্রতারণা' অর্থ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক
ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে অথবা অনুমতি ব্যতিরেকে কোনো কম্পিউটার প্রোগ্রাম, কম্পিউটার সিস্টেম,
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল সিস্টেম, ডিজিটাল নেট
পূর্ণ বাংলা খসড়া
পধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে,
বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
ব্যাখ্যা।-এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘সাইবার স্পেসে প্রতারণা’ অর্থ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে অথবা অনুমতি
ব্যতিরেকে কোনো কম্পিউটার প্রোগ্রাম, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল সিস্টেম, ডিজিটাল
নেট
কোনো ব্যক্তির আর্থিক বা অন্য কোন সুবিধা
প্রাপ্তির চেষ্টা বা ক্ষতি করিবার চেষ্টা করা বা ছলনার আশ্রয় গ্রহণ করা।
২৩। সাইবার সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড।— (১) যদি কোনো ব্যক্তি—
(ক) (খ)
(গ) )
(ঘ)
(ঙ)
রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করেন এবং জনগণ বা উহার কোনো অংশের মধ্যে ভয়ভীতি
সঞ্চার করিবার অভিপ্রায়ে কোনো কম্পিউটার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে বৈধ প্রবেশে
প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন বা বে-আইনি প্রবেশ করেন বা করান, বা
(খ) কোনো ডিজিটাল ডিভাইসে এইরূপ উদ্দেশ্যমূলক ক্ষতিকর পরিবর্তন সাধন করেন বা ম্যালওয়্যার প্রবেশ করান
যাহার ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে বা গুরুতর জখমপ্রাপ্ত হন বা হইবার সম্ভাবনা দেখা দেয়, বা
(গ) যদি কোনো ব্যক্তি কম্পিউটার সিস্টেম বা সার্ভার আক্রমণের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য বা সেবার সরবরাহ
ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটান, বা ক্ষতিসাধন করেন, অথবা উক্ত সেবাসমূহের সহায়ক কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর
ক্ষতি সাধন করেন, বা ইচ্ছাকৃতভাবে বিরূপ প্রভাব ফেলেন, বা
(ঘ) ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক, সংরক্ষিত
কোনো তথ্য-উপাত্ত বা কম্পিউটার ডাটাবেইজে প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ করেন বা এইরূপ কোনো সংর
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
কোনো ব্যক্তির
আর্থিক বা অন্য কোন সুবিধা প্রাপ্তির চেষ্টা বা ক্ষতি করিবার চেষ্টা করা বা ছলনার আশ্রয় গ্রহণ করা ।
২৩। সাইবার সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড।— (১) যদি কোনো ব্যক্তি—
(ক)
(খ)
(গ) )
(ঘ)
(ঙ)
রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করেন এবং জনগণ বা উহার কোনো
অংশের মধ্যে ভয়ভীতি সঞ্চার করিবার অভিপ্রায়ে কোনো কম্পিউটার বা কম্পিউটার
নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে বৈধ প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন বা বে-
আইনি প্রবেশ করেন বা করান, বা
কোনো ডিজিটাল ডিভাইসে এইরূপ উদ্দেশ্যমূলক ক্ষতিকর পরিবর্তন সাধন করেন বা
ম্যালওয়্যার প্রবেশ করান যাহার ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে বা গুরুতর জখমপ্রাপ্ত
হন বা হইবার সম্ভাবনা দেখা দেয়, বা
যদি কোনো ব্যক্তি কম্পিউটার সিস্টেম বা সার্ভার আক্রমণের মাধ্যমে নিত্য
প্রয়োজনীয় দ্রব্য বা সেবার সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটান, বা ক্ষতিসাধন করেন,
অথবা উক্ত সেবাসমূহের সহায়ক কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর ক্ষতি সাধন
করেন, বা ইচ্ছাকৃতভাবে বিরূপ প্রভাব ফেলেন, বা
ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট
নেটওয়ার্ক, সংরক্ষিত কোনো তথ্য-উপাত্ত বা কম্পিউটার ডাটাবেইজে প্রবেশ বা
অনুপ্রবেশ করেন বা এইরূপ কোনো সংর
পূর্ণ বাংলা খসড়া
কোনো ব্যক্তির আর্থিক বা অন্য কোন সুবিধা
প্রাপ্তির চেষ্টা বা ক্ষতি করিবার চেষ্টা করা বা ছলনার আশ্রয় গ্রহণ করা।
২৩। সাইবার সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড।— (১) যদি কোনো ব্যক্তি—
(ক) রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করেন এবং জনগণ বা উহার কোনো অংশের মধ্যে ভয়ভীতি
সঞ্চার করিবার অভিপ্রায়ে কোনো কম্পিউটার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে বৈধ প্রবেশে
প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন বা বে-আইনি প্রবেশ করেন বা করান, বা
(খ) কোনো ডিজিটাল ডিভাইসে এইরূপ উদ্দেশ্যমূলক ক্ষতিকর পরিবর্তন সাধন করেন বা ম্যালওয়্যার প্রবেশ করান
যাহার ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে বা গুরুতর জখমপ্রাপ্ত হন বা হইবার সম্ভাবনা দেখা দেয়, বা
(গ) যদি কোনো ব্যক্তি কম্পিউটার সিস্টেম বা সার্ভার আক্রমণের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য বা সেবার সরবরাহ
ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটান, বা ক্ষতিসাধন করেন, অথবা উক্ত সেবাসমূহের সহায়ক কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর
ক্ষতি সাধন করেন, বা ইচ্ছাকৃতভাবে বিরূপ প্রভাব ফেলেন, বা
(ঘ) ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক, সংরক্ষিত
কোনো তথ্য-উপাত্ত বা কম্পিউটার ডাটাবেইজে প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ করেন বা এইরূপ কোনো সংর
পারে অথবা বৈদেশিক কোনো রাষ্ট্র বা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর
সুবিধার্থে ব্যবহার করা হইতে পারে, তবে বৃহত্তর জনস্বার্থে কোনো হুইসেলব্লোয়ার অনুরূপ কাজ করিলে তাহা এই
আইনের আওতাভুক্ত হইবে না, বা
(ঙ) প্রতারণা করিবার বা ঠকাইবার উদ্দেশ্যে নিজের পরিচয় গোপন করেন বা অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ
করেন বা কাহারো জাতীয় পরিচয়পত্র বিকৃত করেন বা অন্য কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কোনো তথ্য নিজের বলিয়া
প্রদর্শনপূর্বক দফা (ক), (খ), (গ) ও (ঘ) এর অধীন কোনো কার্য সংঘটন করেন,
তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে সাইবার সন্ত্রাস অপরাধ।
১৬৬৩৬
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে,
বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয়
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
পারে অথবা বৈদেশিক কোনো রাষ্ট্র বা কোনো
ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সুবিধার্থে ব্যবহার করা হইতে পারে, তবে বৃহত্তর জনস্বার্থে কোনো
হুইসেলব্লোয়ার অনুরূপ কাজ করিলে তাহা এই আইনের আওতাভুক্ত হইবে না, বা
প্রতারণা করিবার বা ঠকাইবার উদ্দেশ্যে নিজের পরিচয় গোপন করেন বা অপর
কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করেন বা কাহারো জাতীয় পরিচয়পত্র বিকৃত করেন বা
অন্য কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কোনো তথ্য নিজের বলিয়া প্রদর্শনপূর্বক দফা (ক),
(খ), (গ) ও (ঘ) এর অধীন কোনো কার্য সংঘটন করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির
অনুরূপ কার্য হইবে সাইবার সন্ত্রাস অপরাধ ।
১৬৬৩৬
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি
অনধিক ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয়
পূর্ণ বাংলা খসড়া
পারে অথবা বৈদেশিক কোনো রাষ্ট্র বা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর
সুবিধার্থে ব্যবহার করা হইতে পারে, তবে বৃহত্তর জনস্বার্থে কোনো হুইসেলব্লোয়ার অনুরূপ কাজ করিলে তাহা এই
আইনের আওতাভুক্ত হইবে না, বা
(ঙ) প্রতারণা করিবার বা ঠকাইবার উদ্দেশ্যে নিজের পরিচয় গোপন করেন বা অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ
করেন বা কাহারো জাতীয় পরিচয়পত্র বিকৃত করেন বা অন্য কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কোনো তথ্য নিজের বলিয়া
প্রদর্শনপূর্বক দফা (ক), (খ), (গ) ও (ঘ) এর অধীন কোনো কার্য সংঘটন করেন,
তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে সাইবার সন্ত্রাস অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে,
বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয়
কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ড
এবং অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
ব্যাখ্যা।-এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘ই-ট্রানজেকশন’ অর্থ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তাহার তহবিল স্থানান্তরের জন্য কোনো ব্যাংক,
আর্থিক প্রতিষ্ঠান অথবা ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি
অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ড এবং অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
ব্যাখ্যা। এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘ই-ট্রানজেকশন’ অর্থ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তাহার
তহবিল স্থানান্তরের জন্য কোনো ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান অথবা ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে
কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব
পূর্ণ বাংলা খসড়া
কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ড
এবং অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
ব্যাখ্যা।-এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘ই-ট্রানজেকশন’ অর্থ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তাহার তহবিল স্থানান্তরের জন্য কোনো ব্যাংক,
আর্থিক প্রতিষ্ঠান অথবা ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব
বা উত্তোলন বা উত্তোলন
করিবার জন্য প্রদত্ত নির্দেশনা, আদেশ বা কর্তৃত্বপূর্ণ আইনানুগ আর্থিক লেনদেন এবং কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে অর্থ
স্থানান্তর।
২৫। যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং, বা অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশ এবং মানহানিকর তথ্য সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।— -(1১) যদি
কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে অন্য কোনো ব্যক্তিকে
ব্ল্যাকমেইলিং, বা যৌন হয়রানি, বা রিভেঞ্জ পর্ন, বা ডিজিটাল শিশু যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত উপাদান (চাইল্ড সেক্সুয়াল অ্যাবিউজ
ম্যাটেরিয়াল) বা সেক্সটর্শন, মানহানি বা হেয়প্রতিপন্ন বা বুলিং করিবার অভিপ্রায়ে সৃষ্ট, বা প্রাপ্ত, বা সংরক্ষিত কোনো তথ্য, অডিও,
ভিডিও চিত্র, অডিও-ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোনো উপায়ে ধারণকৃত, এডিটকৃত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা নির্মিত
অথবা এডিটকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এইরূপ কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচা
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
বা উত্তোলন বা উত্তোলন করিবার জন্য প্রদত্ত নির্দেশনা,
আদেশ বা কর্তৃত্বপূর্ণ আইনানুগ আর্থিক লেনদেন এবং কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে অর্থ
স্থানান্তর।
২৫। যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং বা অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।— (1)
যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে বা
জ্ঞাতসারে অন্য কোনো ব্যক্তিকে ব্ল্যাকমেইলিং, বা যৌন হয়রানি, বা রিভেঞ্জ পর্ন, বা ডিজিটাল শিশু
যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত উপাদান (চাইল্ড সেক্সুয়াল অ্যাবিউজ ম্যাটেরিয়াল) বা সেক্সটর্শন করিবার
অভিপ্রায়ে সৃষ্ট, বা প্রাপ্ত, বা সংরক্ষিত কোনো তথ্য, ভিডিও চিত্র, অডিও ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র,
গ্রাফিকস বা অন্য কোনো উপায়ে ধারণকৃত, এডিটকৃত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা নির্মিত অথবা এডিটকৃত ও
প্রদর্শনযোগ্য এইরূপ কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচা
পূর্ণ বাংলা খসড়া
বা উত্তোলন বা উত্তোলন
করিবার জন্য প্রদত্ত নির্দেশনা, আদেশ বা কর্তৃত্বপূর্ণ আইনানুগ আর্থিক লেনদেন এবং কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে অর্থ
স্থানান্তর।
২৫। যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং, বা অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশ এবং মানহানিকর তথ্য সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।-(১) যদি
কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে অন্য কোনো ব্যক্তিকে
ব্ল্যাকমেইলিং, বা যৌন হয়রানি, বা রিভেঞ্জ পর্ন, বা ডিজিটাল শিশু যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত উপাদান (চাইল্ড সেক্সুয়াল অ্যাবিউজ
ম্যাটেরিয়াল) বা সেক্সটর্শন, মানহানি বা হেয়প্রতিপন্ন বা বুলিং করিবার অভিপ্রায়ে সৃষ্ট, বা প্রাপ্ত, বা সংরক্ষিত কোনো তথ্য, অডিও,
ভিডিও চিত্র, অডিও-ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোনো উপায়ে ধারণকৃত, এডিটকৃত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা নির্মিত
অথবা এডিটকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এইরূপ কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচা
তিকর বা ভীতি প্রদর্শক, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) ৫ (পাঁচ) বৎসর
কারাদণ্ডেণ্ড, বা অনধিক ১০ (দশ) ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৩৭
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ, কোনো নারী বা অনূর্ধ্ব ১৮ (আঠারো) বৎসরের কোনো শিশুর বিরুদ্ধে সংঘটন
করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ২০ (বিশ) ৪০ (চল্লিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা
উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
ব্যাখ্যা ১।—- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘ব্ল্যাকমেইলিং' ’ অর্থ এমন হুমকি বা ভীতি প্রদর্শনকে বুঝাইবে, যাহার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি
অন্য ব্যক্তিকে তাহার গোপনীয় তথ্য প্রকাশের বা ক্ষতি করিবার ভয় দেখাইয়া বেআইনি সুবিধা, সেবা বা চাহিত কোনো কার্য সম্পাদনে
বাধ্য করে।
ব্যাখ্যা ২।— এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, “মানহানি” অর্থ Penal Code, 1860 (Act No. XLV of 1860)-এর
section 499-এ বর্ণিত Defamation; এবং উক্ত অর্থে কোনো ব্যক্তির সুনাম, মর্যাদা বা চরিত্র ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে প্রচারিত
বা প্রদর্শিত এমন যেকোনো তথ্য, উপাত্ত, বক্তব্য, অডিও, ভিডিও, অডিও-ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থিরচিত্র বা গ্রাফিক্সও অন্তর্ভুক্ত হইবে—যাহা
মিথ্যা, বিকৃত, বিভ্রান্তিকর, অপমানজনক বা ক্ষতিকর এবং যাহা ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ধারণকৃত, সম্পাদিত, অথবা কৃত্রিম
বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) দ্বারা প্রস্তুতকৃত, সম্পাদিত বা পরিবর্তিত।
ব্যাখ্যা ৩।- “হেয়প্রতিপন্ন” অর্থ কোনো ব্যক্তির মর্যাদা, সম্মান, সুনাম বা সামাজিক অবস্থানকে এমন কোনো কথা, আচরণ, প্রকাশনা,
ইঙ্গিত বা কার্যকলাপের মাধ্যমে ক্ষুণ্ণ করা, যার ফলে উক্ত ব্যক্তি অন্যের কাছে অপমানিত, তুচ্ছ, নিকৃষ্ট বা অসম্মানজনক হিসেবে
প্রতীয়মান হন বা তার সামাজিক মর্যাদা বা সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ব্যাখ্যা ৪। ‘বুলিং’ অর্থ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক, তাহার প্রকৃত বা অনুমিত ক্ষমতা, প্রভাব বা প্রাধান্য ব্যবহার করিয়া, অন্য
কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রতি সংঘটিত কোনো ইচ্ছাকৃত, পরিকল্পিত ও পুনরাবৃত্তিমূলক আচরণ বা কার্য, যাহা শারীরিক, মৌখিক,
সামাজিক, ডিজিটাল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সংঘটিত বা প্রকাশিত হইতে পারে এবং যাহার ফলে উক্ত ব্যক্তি বা গোষ্ঠী শারীরিক বা
মানসিক ক্ষতি বা পীড়ার শিকার হয়, ভীতসন্ত্রস্ত হয়, অথবা সামাজিক বর্জন, বিচ্ছিন্নতা বা একাকীত্বের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
২৬। সাইবার স্পেসে ধর্মীয় বা জাতিগত বিষয়ে সহিংসতা, ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশ ইত্যাদির অপরাধ ও দণ্ড।—
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে বা ছদ্ম পরিচয়ে নিজের বা অন্যে
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
তিকর বা ভীতি প্রদর্শক, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি
অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি
অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত
হইবেন।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৩৭
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ, কোনো নারী বা অনূর্ধ্ব ১৮ (আঠারো
বৎসরের কোনো শিশুর বিরুদ্ধে সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে,
বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
ব্যাখ্যা।—এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘ব্ল্যাকমেইলিং' অর্থ এমন হুমকি বা ভীতি প্রদর্শনকে
বুঝাইবে, যাহার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে তাহার গোপনীয় তথ্য প্রকাশের বা ক্ষতি করিবার
ভয় দেখাইয়া বেআইনি সুবিধা, সেবা বা চাহিত কোনো কার্য সম্পাদনে বাধ্য করে।
২৬। সাইবার স্পেসে ধর্মীয় বা জাতিগত বিষয়ে সহিংসতা, ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশ
ইত্যাদির অপরাধ ও দণ্ড।— (১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে বা ছদ্ম পরিচয়ে নিজের
বা অন্যে
পূর্ণ বাংলা খসড়া
তিকর বা ভীতি প্রদর্শক, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) ৫ (পাঁচ) বৎসর
কারাদণ্ড, বা অনধিক ১০ (দশ) ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ, কোনো নারী বা অনূর্ধ্ব ১৮ (আঠারো) বৎসরের কোনো শিশুর বিরুদ্ধে সংঘটন
করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ২০ (বিশ) ৪০ (চল্লিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা
উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
ব্যাখ্যা ১।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘ব্ল্যাকমেইলিং’ অর্থ এমন হুমকি বা ভীতি প্রদর্শনকে বুঝাইবে, যাহার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি
অন্য ব্যক্তিকে তাহার গোপনীয় তথ্য প্রকাশের বা ক্ষতি করিবার ভয় দেখাইয়া বেআইনি সুবিধা, সেবা বা চাহিত কোনো কার্য সম্পাদনে
বাধ্য করে।
ব্যাখ্যা ২।— এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, “মানহানি” অর্থ Penal Code, 1860 (Act No. XLV of 1860)-এর
section 499-এ বর্ণিত Defamation; এবং উক্ত অর্থে কোনো ব্যক্তির সুনাম, মর্যাদা বা চরিত্র ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে প্রচারিত
বা প্রদর্শিত এমন যেকোনো তথ্য, উপাত্ত, বক্তব্য, অডিও, ভিডিও, অডিও-ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থিরচিত্র বা গ্রাফিক্সও অন্তর্ভুক্ত হইবে—যাহা
মিথ্যা, বিকৃত, বিভ্রান্তিকর, অপমানজনক বা ক্ষতিকর এবং যাহা ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ধারণকৃত, সম্পাদিত, অথবা কৃত্রিম
বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) দ্বারা প্রস্তুতকৃত, সম্পাদিত বা পরিবর্তিত।
ব্যাখ্যা ৩।- “হেয়প্রতিপন্ন” অর্থ কোনো ব্যক্তির মর্যাদা, সম্মান, সুনাম বা সামাজিক অবস্থানকে এমন কোনো কথা, আচরণ, প্রকাশনা,
ইঙ্গিত বা কার্যকলাপের মাধ্যমে ক্ষুণ্ণ করা, যার ফলে উক্ত ব্যক্তি অন্যের কাছে অপমানিত, তুচ্ছ, নিকৃষ্ট বা অসম্মানজনক হিসেবে
প্রতীয়মান হন বা তার সামাজিক মর্যাদা বা সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ব্যাখ্যা ৪। ‘বুলিং’ অর্থ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক, তাহার প্রকৃত বা অনুমিত ক্ষমতা, প্রভাব বা প্রাধান্য ব্যবহার করিয়া, অন্য
কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রতি সংঘটিত কোনো ইচ্ছাকৃত, পরিকল্পিত ও পুনরাবৃত্তিমূলক আচরণ বা কার্য, যাহা শারীরিক, মৌখিক,
সামাজিক, ডিজিটাল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সংঘটিত বা প্রকাশিত হইতে পারে এবং যাহার ফলে উক্ত ব্যক্তি বা গোষ্ঠী শারীরিক বা
মানসিক ক্ষতি বা পীড়ার শিকার হয়, ভীতসন্ত্রস্ত হয়, অথবা সামাজিক বর্জন, বিচ্ছিন্নতা বা একাকীত্বের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
২৬। সাইবার স্পেসে ধর্মীয় বা জাতিগত বিষয়ে সহিংসতা, ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশ ইত্যাদির অপরাধ ও দণ্ড।—
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে বা ছদ্ম পরিচয়ে নিজের বা অন্যে
প-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে,
বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২৬ক। সাইবার স্পেসে গুজব, অপতথ্য ইত্যাদি প্রচার ও উহার দণ্ড।- (১) যদি কোন ব্যক্তি সাইবার স্পেসে গুজব ও অপতথ্য প্রকাশ বা
প্রচার করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোন ব্যাক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ড বা
অনধিক ৪০ (চল্লিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
ব্যাখ্যা ১।— এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘গুজব’ অর্থ এমন কোনো অসমর্থিত বা অযাচাইকৃত তথ্য, সংবাদ বা দাবি, যা জনমনে
বিভ্রান্তি, আতঙ্ক, উত্তেজনা বা সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে বা করিবার সম্ভাবনা রাখে।
ব্যাখ্যা ২।— এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘অপতথ্য’ অর্থ এমন কোনো মিথ্যা, বিকৃত বা বিভ্রান্তিকর তথ্য, যা ব্যক্তি, জনসাধারণ,
প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রকে বিভ্রান্ত, প্রতারিত বা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরি, প্রকাশ বা প্রচার করা হয়।
২৭। অপরাধ সংঘটনে সহায়তা ও উহার দণ্ড।— (১) যদি কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটনে
সহায়তা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
প-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি
অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত
হইবেন।
২৭। অপরাধ সংঘটনে সহায়তা ও উহার দণ্ড।— (১) যদি কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন
কোনো অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ
পূর্ণ বাংলা খসড়া
প-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে,
বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২৬ক। সাইবার স্পেসে গুজব, অপতথ্য ইত্যাদি প্রচার ও উহার দণ্ড।- (১) যদি কোন ব্যক্তি সাইবার স্পেসে গুজব ও অপতথ্য প্রকাশ বা
প্রচার করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোন ব্যাক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ড বা
অনধিক ৪০ (চল্লিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
ব্যাখ্যা ১।— এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘গুজব’ অর্থ এমন কোনো অসমর্থিত বা অযাচাইকৃত তথ্য, সংবাদ বা দাবি, যা জনমনে
বিভ্রান্তি, আতঙ্ক, উত্তেজনা বা সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে বা করিবার সম্ভাবনা রাখে।
ব্যাখ্যা ২।— এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘অপতথ্য’ অর্থ এমন কোনো মিথ্যা, বিকৃত বা বিভ্রান্তিকর তথ্য, যা ব্যক্তি, জনসাধারণ,
প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রকে বিভ্রান্ত, প্রতারিত বা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরি, প্রকাশ বা প্রচার করা হয়।
২৭। অপরাধ সংঘটনে সহায়তা ও উহার দণ্ড।— (১) যদি কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটনে
সহায়তা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ
দায়ের করেন, তাহা হইলে উক্ত ধারাসমূহে
বর্ণিত অপরাধসমূহের মধ্যে মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে যাহার পরিমাণ বেশি হয় উহাকেই দণ্ডের পরিমাণ হিসাবে
নির্ধারণ করা যাইবে।
১৬৬৩৮
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
(৩) ট্রাইব্যুনাল আদালত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তদ্কদ্ কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বা স্বপ্রণোদিত হইয়া এই ধারার
অধীন সংঘটিত কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।
২৯। কোম্পানি কর্তৃক অপরাধ সংঘটন।— ((১) কোনো কোম্পানি কর্তৃক এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটনের
ক্ষেত্রে, উক্ত অপরাধের সহিত প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা রহিয়াছে কোম্পানির এইরূপ প্রত্যেক মালিক, প্রধান নির্বাহী, পরিচালক, ম্যানেজা
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
দায়ের
করেন, তাহা হইলে উক্ত ধারাসমূহে বর্ণিত অপরাধসমূহের মধ্যে মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের
মধ্যে যাহার পরিমাণ বেশি হয় উহাকেই দণ্ডের পরিমাণ হিসাবে নির্ধারণ করা যাইবে।
১৬৬৩৮
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
(৩) ট্রাইব্যুনাল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তদ্কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বা
স্বপ্রণোদিত হইয়া এই ধারার অধীন সংঘটিত কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার
করিতে পারিবে।
২৯। কোম্পানি কর্তৃক অপরাধ সংঘটন।— (১) কোনো কোম্পানি কর্তৃক এই আইনের অধীন
কোনো অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে, উক্ত অপরাধের সহিত প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা রহিয়াছে কোম্পানির এইরূপ
প্রত্যেক মালিক, প্রধান নির্বাহী, পরিচালক, ম্যানেজা
পূর্ণ বাংলা খসড়া
দায়ের করেন, তাহা হইলে উক্ত ধারাসমূহে
বর্ণিত অপরাধসমূহের মধ্যে মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে যাহার পরিমাণ বেশি হয় উহাকেই দণ্ডের পরিমাণ হিসাবে
নির্ধারণ করা যাইবে।
(৩) ট্রাইব্যুনাল আদালত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তদ্ কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বা স্বপ্রণোদিত হইয়া এই ধারার
অধীন সংঘটিত কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।
২৯। কোম্পানি কর্তৃক অপরাধ সংঘটন।— ((১) কোনো কোম্পানি কর্তৃক এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটনের
ক্ষেত্রে, উক্ত অপরাধের সহিত প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা রহিয়াছে কোম্পানির এইরূপ প্রত্যেক মালিক, প্রধান নির্বাহী, পরিচালক, ম্যানেজা
কে অভিযুক্ত ও দোষী সাব্যস্ত করা ছাড়াও
উক্ত কোম্পানিকে আলাদাভাবে একই কার্যধারায় অভিযুক্ত ও দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে, তবে উহার উপর সংশ্লিষ্ট বিধান মোতাবেক
কেবল অর্থদণ্ড আরোপযোগ্য হইবে।
(৩) কোনো কোম্পানি উপ-ধারা (২) এর অধীন দোষী সাব্যস্ত হইলে, আদালত উক্ত কোম্পানির নিবন্ধন, লাইসেন্স বা কার্যক্রম স্থগিত,
বাতিল বা নিষিদ্ধ করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
ব্যাখ্যা।—-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে,-
(ক) ‘কোম্পানি’ অর্থে অর্থ Companies Act, 1994 (Act No. XVIII of 1994)-এর অধীন গঠিত ও
নিবন্ধিত কোনো কোম্পানি; এবং এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান , বা অংশীদারি কারবার , বা
সমিতি , বা সংঘ বা সংগঠনও অন্তর্ভুক্ত ট্রাস্ট বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা অন্য কোনো আইনগত ব্যক্তিসত্তাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানও ‘কোম্পানি’ হিসাবে
গণ্য হইবে;
।
(খ) বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, ‘পরিচালক' ’ অর্থে উহার কোনো অংশীদার বা পরিচালনা বোর্ডের সদস্যও অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৩০। ক্ষতিপূরণের আদেশ দানের ক্ষমতা।— কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ করিলে, ট্রাইব্যুনাল আদালত
সৃষ্ট ক্ষতির সমতুল্য অর্থ বা তদ্বিবেচনায় উপযুক্ত পরিমাণ অর্থ ট্রাইব্যুনাল আদালত কর্তৃক আরোপিত জরিমানা হইতে বা জরিমানার
অতিরিক্ত অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে প্রদানের জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
সপ্তম অধ্যায়
অপরাধের তদন্ত ও বিচার
৩১
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
কে
অভিযুক্ত ও দোষী সাব্যস্ত করা ছাড়াও উক্ত কোম্পানিকে আলাদাভাবে একই কার্যধারায় অভিযুক্ত ও
দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে, তবে উহার উপর সংশ্লিষ্ট বিধান মোতাবেক কেবল অর্থদণ্ড আরোপযোগ্য
হইবে।
ব্যাখ্যা।—এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে,
(ক) ‘কোম্পানি’ অর্থে কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, অংশীদারি কারবার, সমিতি, সংঘ বা
সংগঠনও অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(খ) বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, ‘পরিচালক' অর্থে উহার কোনো অংশীদার বা পরিচালনা
বোর্ডের সদস্যও অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৩০। ক্ষতিপূরণের আদেশ দানের ক্ষমতা।— কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ
করিলে, ট্রাইব্যুনাল সৃষ্ট ক্ষতির সমতুল্য অর্থ বা তদ্বিবেচনায় উপযুক্ত পরিমাণ অর্থ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক
আরোপিত জরিমানা হইতে বা জরিমানার অতিরিক্ত অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা
প্রতিষ্ঠানকে প্রদানের জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
সপ্তম অধ্যায়
অপরাধের তদন্ত ও বিচার
৩১
পূর্ণ বাংলা খসড়া
কে অভিযুক্ত ও দোষী সাব্যস্ত করা ছাড়াও
উক্ত কোম্পানিকে আলাদাভাবে একই কার্যধারায় অভিযুক্ত ও দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে, তবে উহার উপর সংশ্লিষ্ট বিধান মোতাবেক
কেবল অর্থদণ্ড আরোপযোগ্য হইবে।
(৩) কোনো কোম্পানি উপ-ধারা (২) এর অধীন দোষী সাব্যস্ত হইলে, আদালত উক্ত কোম্পানির নিবন্ধন, লাইসেন্স বা কার্যক্রম স্থগিত,
বাতিল বা নিষিদ্ধ করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
ব্যাখ্যা।-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে,-
(ক) ‘কোম্পানি’ অর্থ Companies Act, 1994 (Act No. XVIII of 1994)-এর অধীন গঠিত ও
নিবন্ধিত কোনো কোম্পানি; এবং এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা অংশীদারি কারবার বা
সমিতি বা সংঘ বা ট্রাস্ট বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা অন্য কোনো আইনগত ব্যক্তিসত্তাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানও ‘কোম্পানি’ হিসাবে
গণ্য হইবে।
(খ) বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, ‘পরিচালক’ অর্থে উহার কোনো অংশীদার বা পরিচালনা বোর্ডের সদস্যও অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৩০। ক্ষতিপূরণের আদেশ দানের ক্ষমতা।— কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ করিলে, ট্রাইব্যুনাল আদালত
সৃষ্ট ক্ষতির সমতুল্য অর্থ বা তদ্বিবেচনায় উপযুক্ত পরিমাণ অর্থ ট্রাইব্যুনাল আদালত কর্তৃক আরোপিত জরিমানা হইতে বা জরিমানার
অতিরিক্ত অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে প্রদানের জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
সপ্তম অধ্যায়
অপরাধের তদন্ত ও বিচার
৩১
রা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো মামলার প্রারম্ভে বা তদন্তের যেকোনো পর্যায়ে যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত
মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য একটি তদন্ত দল গঠন করা প্রয়োজন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল আদালত তদন্তকারী সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী এবং এজেন্সির সমন্বয়ে একটি যৌথ তদন্ত দল গঠন করিতে পারিবে।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৩৯
(৩) তবে ধারা ২১, ২৫ ও ২৬ এ বর্ণিত অপরাধের অভিযোগে মামলা দায়ের হইলে, মামলা দায়েরের ২৪ (চব্বিশ) ঘণ্টার মধ্যে উক্ত
মামলার নথি ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আটককৃত ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট আমলী
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
রা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো মামলার প্রারম্ভে বা তদন্তের যেকোনো
পর্যায়ে যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য একটি তদন্ত দল গঠন করা প্রয়োজন,
তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তদন্তকারী সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং এজেন্সির সমন্বয়ে একটি
যৌথ তদন্ত দল গঠন করিতে পারিবে।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৩৯
(৩) তবে ধারা ২১, ২৫ ও ২৬ এ বর্ণিত অপরাধের অভিযোগে মামলা দায়ের হইলে, মামলা
দায়েরের ২৪ (চব্বিশ) ঘণ্টার মধ্যে উক্ত মামলার নথি ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আটককৃত ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট
আমলী
পূর্ণ বাংলা খসড়া
রা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো মামলার প্রারম্ভে বা তদন্তের যেকোনো পর্যায়ে যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত
মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য একটি তদন্ত দল গঠন করা প্রয়োজন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল আদালত তদন্তকারী সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী এবং এজেন্সির সমন্বয়ে একটি যৌথ তদন্ত দল গঠন করিতে পারিবে।
(৩) তবে ধারা ২১, ২৫ ও ২৬ এ বর্ণিত অপরাধের অভিযোগে মামলা দায়ের হইলে, মামলা দায়েরের ২৪ (চব্বিশ) ঘণ্টার মধ্যে উক্ত
মামলার নথি ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আটককৃত ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট আমলী
#৪৫খসড়া: পৃষ্ঠা ২১DOCX: অনুচ্ছেদ ১১৯৪–১১৯৬, ১১৯৮, ১২০০–১২০১, ১২০৩অতিরিক্ত পার্থক্য
…
রণ লিপিবদ্ধ
করিয়া অভিযোগটি খারিজ করিয়া দিবেন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আটক ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিক মুক্তির আদেশ প্রদান করিবেন।
৩২। তদন্তের সময়সীমা, ইত্যাদি।— (১) তদন্তকারী অফিসার—
(ক) কোনো অপরাধ তদন্তের দায়িত্ব প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিবেন;
(খ) দফা (ক) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্য
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
রণ লিপিবদ্ধ
করিয়া অভিযোগটি খারিজ করিয়া দিবেন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আটক ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিক মুক্তির
আদেশ প্রদান করিবেন।
৩২। তদন্তের সময়সীমা, ইত্যাদি।— (১) তদন্তকারী অফিসার
(ক) কোনো অপরাধ তদন্তের দায়িত্ব প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে তদন্ত
কার্য সম্পন্ন করিবেন ;
(খ) দফা (ক) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্য
পূর্ণ বাংলা খসড়া
রণ লিপিবদ্ধ
করিয়া অভিযোগটি খারিজ করিয়া দিবেন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আটক ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিক মুক্তির আদেশ প্রদান করিবেন।
৩২। তদন্তের সময়সীমা, ইত্যাদি।— (১) তদন্তকারী অফিসার—
(ক) কোনো অপরাধ তদন্তের দায়িত্ব প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিবেন;
(খ) দফা (ক) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্য
(পনেরো) দিন বৃদ্ধি করিতে পারিবেন;
(গ) দফা (খ) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে তিনি উহার কারণ
লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে ট্রাইব্যুনালকে আদালতকে অবহিত করিবেন এবং ট্রাইব্যুনালের
আদালতের অনুমতিক্রমে, পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তদন্তকারী অফিসার কোনো তদন্ত কার্য প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে ট্রাইব্যুনাল
আদালত তদন্তের সময়সীমা, যুক্তিসংগত সময় পর্যন্ত , বৃদ্ধি করিতে পারিবে।
৩৩। তদন্তকারী অফিসারের ক্ষমতা।— (১) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে তদন্তকারী অফিসারের
নিম্নবর্ণিত ক্ষমতা থাকিবে, যথা:
(ক) কম্পিউটার,
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
(পনেরো) দিন বৃদ্ধি করিতে পারিবেন ;
(গ) দফা (খ) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ
হইলে তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে ট্রাইব্যুনালকে
অবহিত করিবেন এবং ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে
তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তদন্তকারী অফিসার কোনো তদন্ত কার্য প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার
কারণে সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে ট্রাইব্যুনাল তদন্তের সময়সীমা, যুক্তিসংগত সময় পর্যন্ত, বৃদ্ধি করিতে
পারিবে।
৩৩। তদন্তকারী অফিসারের ক্ষমতা।— (১) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে
তদন্তকারী অফিসারের নিম্নবর্ণিত ক্ষমতা থাকিবে, যথা :
(ক) কম্পিউটার,
পূর্ণ বাংলা খসড়া
(পনেরো) দিন বৃদ্ধি করিতে পারিবেন;
(গ) দফা (খ) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে তিনি উহার কারণ
লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে ট্রাইব্যুনালকে আদালতকে অবহিত করিবেন এবং ট্রাইব্যুনালের
আদালতের অনুমতিক্রমে, পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তদন্তকারী অফিসার কোনো তদন্ত কার্য প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে ট্রাইব্যুনাল
আদালত তদন্তের সময়সীমা, যুক্তিসংগত সময় পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবে।
৩৩। তদন্তকারী অফিসারের ক্ষমতা।— (১) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে তদন্তকারী অফিসারের
নিম্নবর্ণিত ক্ষমতা থাকিবে, যথা:
(ক) কম্পিউটার,
ডিজিটাল
সিস্টেম, ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বা কোনো প্রোগ্রাম, তথ্য-উপাত্ত যাহা কোনো কম্পিউটার বা কম্প্যাক্ট ডিস্ক বা রিমুভেবল
ড্রাইভ বা অন্য কোনো উপায়ে সংরক্ষণ করা হইয়াছে তাহা নিজের নিয়ন্ত্রণে লওয়া;
১৬৬৪০
(খ) বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার নিকট হইতে তথ্য প্রবাহের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ; এবং
(গ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ও মামলা তদন্তের স্বার্থে, প্রয়োজনীয় অন্যান্য কার্য সম্পাদন।
(২) এই আইনের অধীন তদন্ত পরিচালনাকালে তদন্তকারী অফিসার কোনো অপরাধের তদন্তের স্বার্থে যে কোনো বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি বা
বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের বা তথ্য ও প্রযুক্তি কর্মকর্তার সহায়তা গ্ৰগ্রহণ করিতে পারিবেন।
(৩) এই আইনের অধীন তদন্ত পরিচালনাকালে তদন্তের স্বার্থে মহাপরিচালক তকদ্ কর্তৃক নিযুক্ত সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে আন্তর্জাতিক
মানের সনদধারী বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিকে তদন্তের আলামত সংগ্ৰগ্রহ অথবা তদন্ত পরিচালনায় তদন্তকারী অফিসারকে সহায়তা প্রদানের জন্য
নিযুক্ত করিতে পারিবেন।
(৪) তদন্তকারী অফিসার এই আইনের অধীনে কোনো অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে জব্দকৃত বা তাহার নিয়ন্ত্রণাধীন আলামত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট
আদালতকে অনতিবিলম্বে অবহিত করিবেন।
৩৪। পরোয়ানার মাধ্যমে তল্লাশি ও জব্দ।— যদি কোনো পুলিশ অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে,-
(ক) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে বা সংঘটিত হইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে, বা
(খ) এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ সংক্রান্ত কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার
নেটওয়ার্ক, তথ্য-উপাত্ত বা এতৎসংক্রান্ত সাক্ষ্য প্রমাণ কোনো স্থানে বা ব্যক্তির নিকট রক্ষিত রহিয়াছে,
তাহা হইলে, তিনি অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতের নিকট আবেদনের মাধ্যমে তল্লাশি পরোয়ানা সংগ্ৰগ্রহ করিয়া নিম্নবর্ণিত কার্য
সম্পাদন করিতে পারিবেন, যথা:-
(অ) কোনো সেবা প্রদানকারীর দখলে থাকা কোনো তথ্য-প্রবাহের তথ্য-উপাত্ত হস্তগতকরণ;
(আ) যোগাযোগের যে কোনো পর্যায়ে গ্রাহক তথ্য এবং তথ্যপ্রবাহের তথ্য-উপাত্তসহ যে কোনো তারবার্তা বা
ইলেকট্রনিক যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকরণ।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৪১
৩৫। বেআইনি প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতার।— (১) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
পরিকাঠামোতে সাইবার হামলা কিংবা কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ডি
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
ডিজিটাল সিস্টেম, ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বা কোনো
প্রোগ্রাম, তথ্য-উপাত্ত যাহা কোনো কম্পিউটার বা কম্প্যাক্ট ডিস্ক বা রিমুভেবল ড্রাইভ
বা অন্য কোনো উপায়ে সংরক্ষণ করা হইয়াছে তাহা নিজের নিয়ন্ত্রণে লওয়া ;
১৬৬৪০
(খ)
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার নিকট হইতে তথ্য প্রবাহের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের লক্ষ্যে
প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ ; এবং
(গ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ও মামলা তদন্তের স্বার্থে, প্রয়োজনীয় অন্যান্য কার্য
সম্পাদন।
(২) এই আইনের অধীন তদন্ত পরিচালনাকালে তদন্তকারী অফিসার কোনো অপরাধের তদন্তের
স্বার্থে যে কোনো বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি বা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের বা তথ্য ও প্রযুক্তি কর্মকর্তার সহায়তা গ্ৰহণ
করিতে পারিবেন।
(৩) এই আইনের অধীন তদন্ত পরিচালনাকালে তদন্তের স্বার্থে মহাপরিচালক তকর্তৃক নিযুক্ত
সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানের সনদধারী বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিকে তদন্তের আলামত সংগ্ৰহ অথবা
তদন্ত পরিচালনায় তদন্তকারী অফিসারকে সহায়তা প্রদানের জন্য নিযুক্ত করিতে পারিবেন।
(৪) তদন্তকারী অফিসার এই আইনের অধীনে কোনো অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে জব্দকৃত বা তাহার
নিয়ন্ত্রণাধীন আলামত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতকে অনতিবিলম্বে অবহিত করিবেন।
৩৪। পরোয়ানার মাধ্যমে তল্লাশি ও জব্দ।— যদি কোনো পুলিশ অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস
করিবার কারণ থাকে যে,
(ক) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে বা সংঘটিত হইবার সম্ভাবনা
রহিয়াছে, বা
(খ)
এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ সংক্রান্ত কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার
সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, তথ্য-উপাত্ত বা এতৎসংক্রান্ত সাক্ষ্য প্রমাণ কোনো
স্থানে বা ব্যক্তির নিকট রক্ষিত রহিয়াছে, তাহা হইলে, তিনি অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ
লিপিবদ্ধ করিয়া, ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদনের মাধ্যমে তল্লাশি পরোয়ানা সংগ্ৰহ
করিয়া নিম্নবর্ণিত কার্য সম্পাদন করিতে পারিবেন, যথা :
(অ) কোনো সেবা প্রদানকারীর দখলে থাকা কোনো তথ্য-প্রবাহের তথ্য-উপাত্ত
হস্তগতকরণ ;
(আ) যোগাযোগের যে কোনো পর্যায়ে গ্রাহক তথ্য এবং তথ্যপ্রবাহের তথ্য-উপাত্তসহ
যে কোনো তারবার্তা বা ইলেকট্রনিক যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকরণ।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৪১
৩৫। বেআইনি প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, জব্দ ও
গ্রেফতার।—(১) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে সাইবার হামলা কিংবা কম্পিউটার, কম্পিউটার
সিস্টেম, ডি
পূর্ণ বাংলা খসড়া
ডিজিটাল
সিস্টেম, ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বা কোনো প্রোগ্রাম, তথ্য-উপাত্ত যাহা কোনো কম্পিউটার বা কম্প্যাক্ট ডিস্ক বা রিমুভেবল
ড্রাইভ বা অন্য কোনো উপায়ে সংরক্ষণ করা হইয়াছে তাহা নিজের নিয়ন্ত্রণে লওয়া;
(খ) কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার নিকট হইতে তথ্য প্রবাহের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ; এবং
(গ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ও মামলা তদন্তের স্বার্থে, প্রয়োজনীয় অন্যান্য কার্য সম্পাদন।
(২) এই আইনের অধীন তদন্ত পরিচালনাকালে তদন্তকারী অফিসার কোনো অপরাধের তদন্তের স্বার্থে যে কোনো বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি বা
বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের বা তথ্য ও প্রযুক্তি কর্মকর্তার সহায়তা গ্রহণ করিতে পারিবেন।
(৩) এই আইনের অধীন তদন্ত পরিচালনাকালে তদন্তের স্বার্থে মহাপরিচালক তদ্ কর্তৃক নিযুক্ত সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে আন্তর্জাতিক
মানের সনদধারী বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিকে তদন্তের আলামত সংগ্রহ অথবা তদন্ত পরিচালনায় তদন্তকারী অফিসারকে সহায়তা প্রদানের জন্য
নিযুক্ত করিতে পারিবেন।
(৪) তদন্তকারী অফিসার এই আইনের অধীনে কোনো অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে জব্দকৃত বা তাহার নিয়ন্ত্রণাধীন আলামত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট
আদালতকে অনতিবিলম্বে অবহিত করিবেন।
৩৪। পরোয়ানার মাধ্যমে তল্লাশি ও জব্দ।— যদি কোনো পুলিশ অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে,-
(ক) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে বা সংঘটিত হইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে, বা
(খ) এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ সংক্রান্ত কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার
নেটওয়ার্ক, তথ্য-উপাত্ত বা এতৎসংক্রান্ত সাক্ষ্য প্রমাণ কোনো স্থানে বা ব্যক্তির নিকট রক্ষিত রহিয়াছে,
তাহা হইলে, তিনি অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
বা চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের নিকট আবেদনের মাধ্যমে তল্লাশি পরোয়ানা সংগ্রহ করিয়া নিম্নবর্ণিত কার্য
সম্পাদন করিতে পারিবেন, যথা:-
(অ) কোনো সেবা প্রদানকারীর দখলে থাকা কোনো তথ্য-প্রবাহের তথ্য-উপাত্ত হস্তগতকরণ;
(আ) যোগাযোগের যে কোনো পর্যায়ে গ্রাহক তথ্য এবং তথ্যপ্রবাহের তথ্য-উপাত্তসহ যে কোনো তারবার্তা বা
ইলেকট্রনিক যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকরণ।
৩৫। বেআইনি প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতার।— (১) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
পরিকাঠামোতে সাইবার হামলা কিংবা কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ডি
হওয়া, সাক্ষ্য প্রমাণাদি হারানো বা অন্য কোনো উপায়ে দুষ্প্রাপ্য হইবার বা করিবার
সম্ভাবনা থাকে, তাহা হইলে পুলিশ অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, নিম্নবর্ণিত কার্য সম্পাদন করিতে পারিবেন, যথা:–
-
(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;
(খ) (গ)
উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, তথ্য-
উপাত্ত বা অন্যান্য সরঞ্জামাদি এবং অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল জব্দকরণ;
(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি;
;
(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ করিয়াছেন বা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহ হইলে
উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশি সম্পন্ন করি
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
হওয়া, সাক্ষ্য প্রমাণাদি হারানো বা অন্য কোনো উপায়ে দুষ্প্রাপ্য হইবার বা করিবার
সম্ভাবনা থাকে, তাহা হইলে পুলিশ অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, নিম্নবর্ণিত কার্য সম্পাদন করিতে
পারিবেন, যথা:–
(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে ফৌজদারি কার্যবিধি
অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ;
(খ)
(গ)
উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য কম্পিউটার, কম্পিউটার
সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, তথ্য-উপাত্ত বা অন্যান্য সরঞ্জামাদি এবং অপরাধ
প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল জব্দকরণ ;
উক্ত স্থানে উপস্থিত যে কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি ;
;
(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ করিয়াছেন বা
করিতেছেন বলিয়া সন্দেহ হইলে উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশি সম্পন্ন করি
পূর্ণ বাংলা খসড়া
হওয়া, সাক্ষ্য প্রমাণাদি হারানো বা অন্য কোনো উপায়ে দুষ্প্রাপ্য হইবার বা করিবার
সম্ভাবনা থাকে, তাহা হইলে পুলিশ অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, নিম্নবর্ণিত কার্য সম্পাদন করিতে পারিবেন, যথা:-
(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;
(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, তথ্য-
উপাত্ত বা অন্যান্য সরঞ্জামাদি এবং অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল জব্দকরণ;
(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি;
(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ করিয়াছেন বা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহ হইলে
উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশি সম্পন্ন করি
লাল কাটা অংশের কিছু লেখা DOCX-এর একই ধারায় ভিন্ন অবস্থানে মিলেছে।
…
হা হইলে উক্ত কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উক্তরূপ তথ্য-উপাত্ত ৯০ (নব্বই)
দিন পর্যন্ত সংরক্ষণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
(২) , আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে , ট্রাইব্যুনাল আদালত উক্ত তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের মেয়াদ বর্ধিত করিতে পারিবে, তবে তাহা সর্বমোট ১৮০
(একশত আশি) দিনের অধিক হইবে না।
১৬৬৪২
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
৩৭। কম্পিউটারের সাধারণ ব্যবহার ব্যাহত না করা।— (১) তদন্তকারী অফিসার এইরূপভাবে তদন্ত পরিচালনা করিবেন যেন
কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইহার কোনো অংশের বৈধ ব্যবহার ব্যাহত না হয়।
(২) কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইহার কোনো অংশ জব্দ করা যাইবে, যদি—
-
(ক) সংশ্লিষ্ট কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইহার কোনো অংশে প্রবেশ করা সম্ভব
না হয়;
(খ) সংশ্লিষ্ট কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা উহার কোনো অংশ অপরাধ প্রতিরোধ
করিবার জন্য বা চলমান অপরাধ রোধ করিবার জন্য জব্দ না করিলে তথ্য-উপাত্ত নষ্ট, ধ্বংস, পরিবর্তন বা দুষ্প্রাপ্য
হইবার সম্ভাবনা থাকে।
৩৮। তদন্তে সহায়তা।— এই আইনের অধীন তদন্ত পরিচালনাকালে তদন্তকারী অফিসার কোনো ব্যক্তি বা সত্তা বা সেবা
প্রদানকারীকে তথ্য প্রদান বা তদন্তে সহায়তার জন্য অনুরোধ করিতে পারিবেন এবং উক্তরূপে কোনো অনুরোধ করা
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
হা হইলে
উক্ত কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উক্তরূপ তথ্য-উপাত্ত ৯০
(নব্বই) দিন পর্যন্ত সংরক্ষণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
(২) ট্রাইব্যুনাল, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, উক্ত তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের মেয়াদ বর্ধিত করিতে
পারিবে, তবে তাহা সর্বমোট ১৮০ (একশত আশি) দিনের অধিক হইবে না।
১৬৬৪২
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
৩৭। কম্পিউটারের সাধারণ ব্যবহার ব্যাহত না করা।— (১) তদন্তকারী অফিসার এইরূপভাবে
তদন্ত পরিচালনা করিবেন যেন কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইহার কোনো
অংশের বৈধ ব্যবহার ব্যাহত না হয় ।
(২) কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইহার কোনো অংশ জব্দ
করা যাইবে, যদি—
(ক)
সংশ্লিষ্ট কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইহার কোনো
অংশে প্রবেশ করা সম্ভব না হয় ;
(খ) সংশ্লিষ্ট কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা উহার কোনো অংশ
অপরাধ প্রতিরোধ করিবার জন্য বা চলমান অপরাধ রোধ করিবার জন্য জব্দ না করিলে
তথ্য-উপাত্ত নষ্ট, ধ্বংস, পরিবর্তন বা দুষ্প্রাপ্য হইবার সম্ভাবনা থাকে।
৩৮। তদন্তে সহায়তা। এই আইনের অধীন তদন্ত পরিচালনাকালে তদন্তকারী অফিসার কোনো
ব্যক্তি বা সত্তা বা সেবা প্রদানকারীকে তথ্য প্রদান বা তদন্তে সহায়তার জন্য অনুরোধ করিতে পারিবেন
এবং উক্তরূপে কোনো অনুরোধ করা
পূর্ণ বাংলা খসড়া
হা হইলে উক্ত কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উক্তরূপ তথ্য-উপাত্ত ৯০ (নব্বই)
দিন পর্যন্ত সংরক্ষণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
(২) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল আদালত উক্ত তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের মেয়াদ বর্ধিত করিতে পারিবে, তবে তাহা সর্বমোট ১৮০
(একশত আশি) দিনের অধিক হইবে না।
৩৭। কম্পিউটারের সাধারণ ব্যবহার ব্যাহত না করা।— (১) তদন্তকারী অফিসার এইরূপভাবে তদন্ত পরিচালনা করিবেন যেন
কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইহার কোনো অংশের বৈধ ব্যবহার ব্যাহত না হয়।
(২) কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইহার কোনো অংশ জব্দ করা যাইবে, যদি-
(ক) সংশ্লিষ্ট কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইহার কোনো অংশে প্রবেশ করা সম্ভব
না হয়;
(খ) সংশ্লিষ্ট কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা উহার কোনো অংশ অপরাধ প্রতিরোধ
করিবার জন্য বা চলমান অপরাধ রোধ করিবার জন্য জব্দ না করিলে তথ্য-উপাত্ত নষ্ট, ধ্বংস, পরিবর্তন বা দুষ্প্রাপ্য
হইবার সম্ভাবনা থাকে।
৩৮। তদন্তে সহায়তা।— এই আইনের অধীন তদন্ত পরিচালনাকালে তদন্তকারী অফিসার কোনো ব্যক্তি বা সত্তা বা সেবা
প্রদানকারীকে তথ্য প্রদান বা তদন্তে সহায়তার জন্য অনুরোধ করিতে পারিবেন এবং উক্তরূপে কোনো অনুরোধ করা
বা সেবা প্রদানকারীকে ষাণ্মাষিক
ভিত্তিতে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলে জমা প্রদান করিতে হইবে।
৪০। মামলা দায়ের ও অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি।— (১) কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্কদ্ কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত
ব্যক্তি বা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ব্যতীত কেহ এই আইনের অধীন মামলা দায়ের করিতে পারিবে না।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৪৩
(২) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্কদ্ কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি থানায় কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণের অনুরোধ করিয়া
ব্যর্থ হইয়াছেন মর্মে হলফনামা সহকারে ট্রাইব্যুনালের আদালতের নিকট লিখিত নালিশ দাখিল করিলে, ট্রাইব্যুনাল আদালত
অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট হইলে অভিযোগটি তদন্তের জন্য পুলিশ অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করিবে, তবে
ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট না হইলে অভিযোগটি সরাসরি নাকচ করিবে।
(৩) ট্রাইব্যুনাল আদালত তাহার এখতিয়ারের মধ্যে এই আইনের কোনো অপরাধ সংঘটনের কোনো তথ্য প্রাপ্ত হইলে তাহা অনুসন্ধানের
জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং পুলিশ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।
(৪) ফৌজদারি কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, পুলিশ অফিসারের বা, ক্ষেত্রমত, যৌথ তদন্ত দলের লিখিত প্রতিবেদন ব্যতীত
ট্রাইব্যুনাল আদালত কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) করিবে না।
(৫) ট্রাইব্যুনাল আদালত এই আইনের অধীন অপরাধের বিচারকালে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২৩
এ বর্ণিত পদ্ধতি, এই আইনের বিধানাবলির সহিত সংগতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, অনুসরণ করিবে।
৪১। অপরাধের বিচার ও আপিল।— (১) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের
অধীন সংঘটিত অপরাধসমূহ কেবল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচার্য হইবে।
(২) কোনো ব্যক্তি ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত রায়ে সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি আপীল ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করিতে পারিবেন।
৪১। অপরাধের বিচার।— (১) এই আইনের ধারা ১৭ (গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বে-আইনি প্রবেশ বা হ্যাকিং, ইত্যাদির
দণ্ড), ধারা ১৮ (কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম ইত্যাদিতে বে-আইনি প্রবেশ ও দণ্ড), ধারা ২৩ (সাইবার সন্ত্রাসী
কার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড), ধারা ২৪ (আইনানুগ কর্তৃত্ব বহির্ভূত ই-ট্রানজেকশনের অপরাধ ও দণ্ড), ধারা ২৫ এর উপ-ধারা (৩)
(যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং, বা অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশ এবং মানহানিকর তথ্য সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড), ধারা ২৬ক (সাইবার স্পেসে
গুজব, অপতথ্য ইত্যাদি প্রচার ও উহার দণ্ড)- এ উল্লিখিত অপরাধ, এবং উক্ত ধারাসমূহে বর্ণিত অপরাধ সংঘটনে সহায়তার ক্ষেত্রে ধারা
২৭ এর অধীন অপরাধের বিচার সাইবার ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচার্য হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ ব্যতীত এই আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কর্তৃক
বিচার্য হইবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ ব্যতীত এই আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধসমূহ মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ (২০০৯
সনের ৫৯ নং আইন) এর তফসিলভুক্ত হওয়া সাপেক্ষে, মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার করা যাইবে।
৪১ক। আপীল।— (১) কোনো ব্যক্তি ধারা ৪১ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধের ক্ষেত্রে সাইবার ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত
রায় বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ হইলে, তিনি আপীল ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করিতে পারিবেন।
(২) কোনো ব্যক্তি ধারা ৪১ এর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত অপরাধের ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কর্তৃক প্রদত্ত
রায় বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ হইলে, তিনি ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে আপীল দায়ের করিতে পারিবেন।
৪২। ফৌজদারি কার্যবিধি, Evidence Act সাক্ষ্য আইন ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের প্রয়োগ।— (১) এই আইনে ভিন্নরূপ কোনো
বিধান না থাকিলে, উহার অধীন কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, Evidence Act, 1872 এবং তথ্য ও
যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
(২) ট্রাইব্যুনাল ফৌজদারি কার্যবিধি এর অধীন আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী দায়রা আদালতের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে
এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ফৌজদারি কার্যবিধি এর অধীন আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের সকল
ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে।
৪৩। সাক্ষ্যগত মূমুল্য।— Evidence Act, 1872 বা অন্য কোনো আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের
অধীন প্রাপ্ত বা সংগৃহীত কোনো ফরেনসিক প্রমাণ বিচার কার্যক্রমে সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হইবে এবং ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবে প্রস্তুতকৃত
ডিজিটাল ফরেনসিক এভিডেন্স সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক হইবে।
১৬৬৪৪
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
৪৪। বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ, প্রশিক্ষণ, ইত্যাদি।— (১) ট্রাইব্যুনাল বা আদালত, আপীল আদালত বা আপীল ট্রাইব্যুনাল,
বিচারকার্য পরিচালনাকালে, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ফরেনসিক, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য বিষয়ে অভিজ্ঞ
কোনো ব্যক্তির মতামত গ্রহণ করিতে পারিবে।
(
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
বা সেবা প্রদানকারীকে ষাণ্মাষিক ভিত্তিতে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলে জমা প্রদান করিতে
হইবে।
৪০। মামলা দায়ের ও অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি।— (১) কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা
তদ্কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ব্যতীত কেহ এই
আইনের অধীন মামলা দায়ের করিতে পারিবে না।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৪৩
(২) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি থানায় কোনো অপরাধের
অভিযোগ গ্রহণের অনুরোধ করিয়া ব্যর্থ হইয়াছেন মর্মে হলফনামা সহকারে ট্রাইব্যুনালের নিকট লিখিত
নালিশ দাখিল করিলে, ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট হইলে অভিযোগটি তদন্তের
জন্য পুলিশ অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করিবে, তবে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট
না হইলে অভিযোগটি সরাসরি নাকচ করিবে।
(৩) ট্রাইব্যুনাল তাহার এখতিয়ারের মধ্যে এই আইনের কোনো অপরাধ সংঘটনের কোনো তথ্য
প্রাপ্ত হইলে তাহা অনুসন্ধানের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং পুলিশ
প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।
(৪) ফৌজদারি কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, পুলিশ অফিসারের বা, ক্ষেত্রমত, যৌথ
তদন্ত দলের লিখিত প্রতিবেদন ব্যতীত ট্রাইব্যুনাল কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance)
করিবে না।
(৫) ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন অপরাধের বিচারকালে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য
ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২৩ এ বর্ণিত পদ্ধতি, এই আইনের বিধানাবলির সহিত সংগতিপূর্ণ হওয়া
সাপেক্ষে, অনুসরণ করিবে।
৪১। অপরাধের বিচার ও আপিল।— (১) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক
না কেন, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধসমূহ কেবল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচার্য হইবে।
(২) কোনো ব্যক্তি ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত রায়ে সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি আপীল ট্রাইব্যুনালে আপীল
দায়ের করিতে পারিবেন।
৪২। ফৌজদারি কার্যবিধি, Evidence Act ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের প্রয়োগ।
(১) এই আইনে ভিন্নরূপ কোনো বিধান না থাকিলে, উহার অধীন কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষেত্রে ফৌজদারি
কার্যবিধি, ১৮৯৮, Evidence Act, 1872 এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর
বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
(২) ট্রাইব্যুনাল ফৌজদারি কার্যবিধি এর অধীন আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী দায়রা আদালতের
সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে।
৪৩। সাক্ষ্যগত মূল্য। — Evidence Act, 1872 বা অন্য কোনো আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই
থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন প্রাপ্ত বা সংগৃহীত কোনো ফরেনসিক প্রমাণ বিচার কার্যক্রমে সাক্ষ্য
হিসাবে গণ্য হইবে এবং ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবে প্রস্তুতকৃত ডিজিটাল ফরেনসিক এভিডেন্স সংরক্ষণ
বাধ্যতামূলক হইবে।
১৬৬৪৪
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
৪৪। বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ, প্রশিক্ষণ, ইত্যাদি। — (১) ট্রাইব্যুনাল বা আপীল ট্রাইব্যুনাল,
বিচারকার্য পরিচালনাকালে, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ফরেনসিক, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা
সুরক্ষাসহ অন্যান্য বিষয়ে অভিজ্ঞ কোনো ব্যক্তির মতামত গ্রহণ করিতে পারিবে।
(
পূর্ণ বাংলা খসড়া
বা সেবা প্রদানকারীকে ষাণ্মাষিক
ভিত্তিতে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলে জমা প্রদান করিতে হইবে।
৪০। মামলা দায়ের ও অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি।— (১) কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্ কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত
ব্যক্তি বা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ব্যতীত কেহ এই আইনের অধীন মামলা দায়ের করিতে পারিবে না।
(২) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্ কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি থানায় কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণের অনুরোধ করিয়া
ব্যর্থ হইয়াছেন মর্মে হলফনামা সহকারে ট্রাইব্যুনালের আদালতের নিকট লিখিত নালিশ দাখিল করিলে, ট্রাইব্যুনাল আদালত
অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট হইলে অভিযোগটি তদন্তের জন্য পুলিশ অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করিবে, তবে
অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট না হইলে অভিযোগটি সরাসরি নাকচ করিবে।
(৩) ট্রাইব্যুনাল আদালত তাহার এখতিয়ারের মধ্যে এই আইনের কোনো অপরাধ সংঘটনের কোনো তথ্য প্রাপ্ত হইলে তাহা অনুসন্ধানের
জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং পুলিশ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।
(৪) ফৌজদারি কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, পুলিশ অফিসারের বা, ক্ষেত্রমত, যৌথ তদন্ত দলের লিখিত প্রতিবেদন ব্যতীত
ট্রাইব্যুনাল আদালত কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) করিবে না।
(৫) ট্রাইব্যুনাল আদালত এই আইনের অধীন অপরাধের বিচারকালে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২৩
এ বর্ণিত পদ্ধতি, এই আইনের বিধানাবলির সহিত সংগতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, অনুসরণ করিবে।
৪১। অপরাধের বিচার ও আপিল।— (১) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের
অধীন সংঘটিত অপরাধসমূহ কেবল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচার্য হইবে।
(২) কোনো ব্যক্তি ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত রায়ে সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি আপীল ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করিতে পারিবেন।
৪১। অপরাধের বিচার।— (১) এই আইনের ধারা ১৭ (গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বে-আইনি প্রবেশ বা হ্যাকিং, ইত্যাদির
দণ্ড), ধারা ১৮ (কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম ইত্যাদিতে বে-আইনি প্রবেশ ও দণ্ড), ধারা ২৩ (সাইবার সন্ত্রাসী
কার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড), ধারা ২৪ (আইনানুগ কর্তৃত্ব বহির্ভূত ই-ট্রানজেকশনের অপরাধ ও দণ্ড), ধারা ২৫ এর উপ-ধারা (৩)
(যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং, বা অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশ এবং মানহানিকর তথ্য সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড), ধারা ২৬ক (সাইবার স্পেসে
গুজব, অপতথ্য ইত্যাদি প্রচার ও উহার দণ্ড)- এ উল্লিখিত অপরাধ, এবং উক্ত ধারাসমূহে বর্ণিত অপরাধ সংঘটনে সহায়তার ক্ষেত্রে ধারা
২৭ এর অধীন অপরাধের বিচার সাইবার ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচার্য হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ ব্যতীত এই আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কর্তৃক
বিচার্য হইবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ ব্যতীত এই আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধসমূহ মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ (২০০৯
সনের ৫৯ নং আইন) এর তফসিলভুক্ত হওয়া সাপেক্ষে, মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার করা যাইবে।
৪১ক। আপীল।— (১) কোনো ব্যক্তি ধারা ৪১ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধের ক্ষেত্রে সাইবার ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত
রায় বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ হইলে, তিনি আপীল ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করিতে পারিবেন।
(২) কোনো ব্যক্তি ধারা ৪১ এর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত অপরাধের ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কর্তৃক প্রদত্ত
রায় বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ হইলে, তিনি ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে আপীল দায়ের করিতে পারিবেন।
৪২। ফৌজদারি কার্যবিধি, সাক্ষ্য আইন ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের প্রয়োগ।— (১) এই আইনে ভিন্নরূপ কোনো
বিধান না থাকিলে, উহার অধীন কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, Evidence Act, 1872 এবং তথ্য ও
যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
(২) ট্রাইব্যুনাল ফৌজদারি কার্যবিধি এর অধীন আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী দায়রা আদালতের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে
এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ফৌজদারি কার্যবিধি এর অধীন আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের সকল
ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে।
৪৩। সাক্ষ্যগত মুল্য।— Evidence Act, 1872 বা অন্য কোনো আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের
অধীন প্রাপ্ত বা সংগৃহীত কোনো ফরেনসিক প্রমাণ বিচার কার্যক্রমে সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হইবে এবং ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবে প্রস্তুতকৃত
ডিজিটাল ফরেনসিক এভিডেন্স সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক হইবে।
৪৪। বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ, প্রশিক্ষণ, ইত্যাদি।— (১) ট্রাইব্যুনাল আদালত, আপীল আদালত বা আপীল ট্রাইব্যুনাল,
বিচারকার্য পরিচালনাকালে, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ফরেনসিক, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য বিষয়ে অভিজ্ঞ
কোনো ব্যক্তির মতামত গ্রহণ করিতে পারিবে।
(
, ডিজিটাল ফরেনসিক,
ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান করিতে পারিবে।
৪৫। মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা।— (১) আদালত ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই আইনের অধীন কোনো মামলার
অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
(২) আদালত ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি
উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালত ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি
উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত
রাখিতে পারিবেন।
৪৬। অপরাধের আমলযোগ্যতা, জামিনযোগ্যতা ও আপোসযোগ্যতা ইত্যাদি।— (১) এই আইনের ধারা ১৭, ধারা ১৮ এর
উপ-ধারা (১) এর দফা (গ), ধারা ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৩ ও ২৫ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য এবং অন্যান্য ধারায় বর্ণিত
অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য হইবে।
(২) ধারা ১৭, ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (গ), ধারা ১৯, ২২ ও ২৩ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-জামিনযোগ্য হইবে এবং ধারা
১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ও (খ), ধারা ২০, ২১, ২৪, ২৫ ও ২৬ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ জামিনযোগ্য হইবে।
(৩) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ও (খ), ধারা ১৯, ২১, ২২, ২৪ ও ২৫ এ উল্লিখিত অপরা
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
, ডিজিটাল ফরেনসিক, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয়
বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান করিতে পারিবে।
৪৫। মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা।—(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই আইনের অধীন
কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা
নিষ্পত্তি করিবেন।
(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি
করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস
পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা
নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট
বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।
৪৬। অপরাধের আমলযোগ্যতা, জামিনযোগ্যতা ও আপোসযোগ্যতা ইত্যাদি।— (১) এই
আইনের ধারা ১৭, ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (গ), ধারা ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৩ ও ২৫ এ
উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য এবং অন্যান্য ধারায় বর্ণিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য হইবে।
(২) ধারা ১৭, ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (গ), ধারা ১৯, ২২ ও ২৩ এ উল্লিখিত
অপরাধসমূহ অ-জামিনযোগ্য হইবে এবং ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ও (খ), ধারা ২০,
২১, ২৪, ২৫ ও ২৬ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ জামিনযোগ্য হইবে।
(৩) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ও (খ), ধারা ১৯, ২১, ২২, ২৪ ও ২৫ এ উল্লিখিত
অপরা
পূর্ণ বাংলা খসড়া
, ডিজিটাল ফরেনসিক,
ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান করিতে পারিবে।
৪৫। মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা।— (১) আদালত ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই আইনের অধীন কোনো মামলার
অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
(২) আদালত ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি
উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালত ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি
উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত
রাখিতে পারিবেন।
৪৬। অপরাধের আমলযোগ্যতা, জামিনযোগ্যতা ও আপোসযোগ্যতা ইত্যাদি।— (১) এই আইনের ধারা ১৭, ধারা ১৮ এর
উপ-ধারা (১) এর দফা (গ), ধারা ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৩ ও ২৫ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য এবং অন্যান্য ধারায় বর্ণিত
অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য হইবে।
(২) ধারা ১৭, ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (গ), ধারা ১৯, ২২ ও ২৩ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-জামিনযোগ্য হইবে এবং ধারা
১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ও (খ), ধারা ২০, ২১, ২৪, ২৫ ও ২৬ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ জামিনযোগ্য হইবে।
(৩) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ও (খ), ধারা ১৯, ২১, ২২, ২৪ ও ২৫ এ উল্লিখিত অপরা
পেক্ষে
আপোসযোগ্য হইবে।
৪৭। বাজেয়াপ্তি।— (১) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইলে, যে সাইবার উপকরণ বা বস্তু সম্পর্কে বা সহযোগে
উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি ট্রাইব্যুনালের আদালতের আদেশানুসারে বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৪৫
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি ট্রাইব্যুনাল আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয়, যে সাইবার উপকরণ বা বস্তু সম্পর্কে বা
সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে উহা যে ব্যক্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণে পাওয়া গিয়াছে তিনি উক্ত উপকরণ সংশ্লিষ্ট অপরাধ
সংঘটনে
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
পেক্ষে আপোসযোগ্য হইবে।
৪৭। বাজেয়াপ্তি।— (১) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইলে, যে সাইবার উপকরণ
বা বস্তু সম্পর্কে বা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি ট্রাইব্যুনালের আদেশানুসারে
বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৪৫
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি ট্রাইব্যুনাল এই মর্মে সন্তুষ্ট হয়, যে সাইবার
উপকরণ বা বস্তু সম্পর্কে বা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে উহা যে ব্যক্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণে
পাওয়া গিয়াছে তিনি উক্ত উপকরণ সংশ্লিষ্ট অপরাধ সংঘটনে
পূর্ণ বাংলা খসড়া
পেক্ষে
আপোসযোগ্য হইবে।
৪৭। বাজেয়াপ্তি।— (১) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইলে, যে সাইবার উপকরণ বা বস্তু সম্পর্কে বা সহযোগে
উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি ট্রাইব্যুনালের আদালতের আদেশানুসারে বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি ট্রাইব্যুনাল আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয়, যে সাইবার উপকরণ বা বস্তু সম্পর্কে বা
সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে উহা যে ব্যক্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণে পাওয়া গিয়াছে তিনি উক্ত উপকরণ সংশ্লিষ্ট অপরাধ
সংঘটনে
#৫৩খসড়া: পৃষ্ঠা ২৬DOCX: অনুচ্ছেদ ১৪৫০–১৪৫২, ১৪৫৪–১৪৫৫, ১৪৫৭, ১৪৫৯অতিরিক্ত পার্থক্য
…
ধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো অপরাধ সংঘটনের জন্য কোনো সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ
সংস্থার সাইবার উপকরণ বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।
–ব্যাখ্যা।- “সাইবার উপকরণ” অর্থে কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম এবং ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো
আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে।
অষ্টম অধ্যায়
আ
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
ধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো অপরাধ সংঘটনের জন্য
কোনো সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার সাইবার উপকরণ বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে
উহা বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।
–“সাইবার উপকরণ” অর্থে কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম এবং ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট
ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে।
অষ্টম অধ্যায়
আ
পূর্ণ বাংলা খসড়া
ধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো অপরাধ সংঘটনের জন্য কোনো সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ
সংস্থার সাইবার উপকরণ বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।
ব্যাখ্যা।- “সাইবার উপকরণ” অর্থে কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম এবং ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো
আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে।
অষ্টম অধ্যায়
আ
গের মাধ্যমসহ একটি তালিকা অনলাইনে প্রকাশ করিবে।
(৪) এজেন্সি প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর কার্যাবলির যেকোনো পরিবর্তনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ফোকাল পয়েন্টকে দ্রুত
অবহিত করিবে।
১৬৬৪৬
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
নবম অধ্যায়
বিবিধ
৪৯। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা।—(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রয়োজনীয়
সংখ্যক বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(২)
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
গের মাধ্যমসহ একটি তালিকা অনলাইনে প্রকাশ করিবে।
(৪) এজেন্সি প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর কার্যাবলির যেকোনো পরিবর্তনের বিষয়ে
সংশ্লিষ্ট ফোকাল পয়েন্টকে দ্রুত অবহিত করিবে।
১৬৬৪৬
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
নবম অধ্যায়
বিবিধ
৪৯। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা।—(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে
প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(২)
পূর্ণ বাংলা খসড়া
গের মাধ্যমসহ একটি তালিকা অনলাইনে প্রকাশ করিবে।
(৪) এজেন্সি প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর কার্যাবলির যেকোনো পরিবর্তনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ফোকাল পয়েন্টকে দ্রুত
অবহিত করিবে।
নবম অধ্যায়
বিবিধ
৪৯। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা।—(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রয়োজনীয়
সংখ্যক বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(২)
#৫৫খসড়া: পৃষ্ঠা ২৬–২৭DOCX: অনুচ্ছেদ ১৪৯০–১৪৯২, ১৪৯৪, ১৪৯৬, ১৪৯৮, ১৫০০–১৫০১অতিরিক্ত পার্থক্য
…
রা (১) এর সামগ্রিকতাকে ক্ষুণ্ণ না করিয়া, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে, বিশেষ করিয়া
নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোনো বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে, যথা:—
–
(ক) ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব প্রতিষ্ঠা;
(খ) মহাপরিচালক কর্তৃক ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব তত্ত্বাবধান;
(গ) ট্রাফিক ডাটা বা তথ্য পর্যালোচনা এবং উহা সংগ্রহ ও সংরক্ষণ পদ্ধতি;
(ঘ) হস্ত
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
রা (১) এর সামগ্রিকতাকে ক্ষুণ্ণ না করিয়া, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা,
অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে, বিশেষ করিয়া নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোনো বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করিতে
পারিবে, যথা: —
(ক) ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব প্রতিষ্ঠা ;
(খ)
মহাপরিচালক কর্তৃক ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব তত্ত্বাবধান ;
(গ) ট্রাফিক ডাটা বা তথ্য পর্যালোচনা এবং উহা সংগ্রহ ও সংরক্ষণ পদ্ধতি ;
(ঘ) হস্ত
পূর্ণ বাংলা খসড়া
রা (১) এর সামগ্রিকতাকে ক্ষুণ্ণ না করিয়া, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে, বিশেষ করিয়া
নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোনো বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে, যথা:–
(ক) ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব প্রতিষ্ঠা;
(খ) মহাপরিচালক কর্তৃক ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব তত্ত্বাবধান;
(গ) ট্রাফিক ডাটা বা তথ্য পর্যালোচনা এবং উহা সংগ্রহ ও সংরক্ষণ পদ্ধতি;
(ঘ) হস্ত
সহযোগিতার পদ্ধতি;
(ছ) ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম গঠন, পরিচালনা ও অন্যান্য টিমের সহিত সমন্বয়সাধন;
(জ) ক্লাউড কম্পিউটিং বা মেটাডাটা সম্পর্কিত ডিজিটাল ফরেনসিক সংক্রান্ত বিষয়াদি; এবং
(ঝ) গ্লোবাল থ্রেট ইন্টেলিজেন্স এ দ্বিপাক্ষিক তথ্য ও লগ আদান-প্রদান; এবং
(ঞ) অনলাইন কনটেন্ট অপসারণ বা ব্লককরণের জন্য প্রয়োজনীয় সময়সীমা নির্ধারণসহ
অন্যান্য বিষয়ে প্রযুক্তি কোম্পানীর সহিত কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ।
৫০। ২০২৩ সনের ৩৯ নং আইনের রহিতকরণ ও হেফাজত।— (১) সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৩৯
নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্বাদ্দ্বারা রহিত করা হইল।
(২) উক্তরূপ রহিতকরণের অব্যবহিত পূর্বে উক্ত আইনের ধারা ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২২, ২৩, ৩০, ৩২, ৩৫ এবং উক্ত ধারাসমূহে বর্ণিত
অপরাধ সংঘটনে সহায়তার অপরাধের অনিষ্পন্ন মামলাসমূহ সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে এবং অনুরূপ মামলায় প্রদত্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডের
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
সহযোগিতার পদ্ধতি ;
(ছ) ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম গঠন, পরিচালনা ও অন্যান্য টিমের সহিত সমন্বয়সাধন ;
(জ) ক্লাউড কম্পিউটিং বা মেটাডাটা সম্পর্কিত ডিজিটাল ফরেনসিক সংক্রান্ত বিষয়াদি ;
এবং
(ঝ) গ্লোবাল থ্রেট ইন্টেলিজেন্স এ দ্বিপাক্ষিক তথ্য ও লগ আদান-প্রদান।
৫০। ২০২৩ সনের ৩৯ নং আইনের রহিতকরণ ও হেফাজত।—(১) সাইবার নিরাপত্তা আইন,
২০২৩ (২০২৩ সনের ৩৯ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্বারা রহিত করা হইল।
(২) উক্তরূপ রহিতকরণের অব্যবহিত পূর্বে উক্ত আইনের ধারা ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২২, ২৩, ৩০,
৩২, ৩৫ এবং উক্ত ধারাসমূহে বর্ণিত অপরাধ সংঘটনে সহায়তার অপরাধের অনিষ্পন্ন মামলাসমূহ
সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে এবং অনুরূপ মামলায় প্রদত্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডের
পূর্ণ বাংলা খসড়া
সহযোগিতার পদ্ধতি;
(ছ) ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম গঠন, পরিচালনা ও অন্যান্য টিমের সহিত সমন্বয়সাধন;
(জ) ক্লাউড কম্পিউটিং বা মেটাডাটা সম্পর্কিত ডিজিটাল ফরেনসিক সংক্রান্ত বিষয়াদি; এবং
(ঝ) গ্লোবাল থ্রেট ইন্টেলিজেন্স এ দ্বিপাক্ষিক তথ্য ও লগ আদান-প্রদান; এবং
(ঞ) অনলাইন কনটেন্ট অপসারণ বা ব্লককরণের জন্য প্রয়োজনীয় সময়সীমা নির্ধারণসহ
অন্যান্য বিষয়ে প্রযুক্তি কোম্পানীর সহিত কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ।
৫০। ২০২৩ সনের ৩৯ নং আইনের রহিতকরণ ও হেফাজত।— (১) সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৩৯
নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্দ্বারা রহিত করা হইল।
(২) উক্তরূপ রহিতকরণের অব্যবহিত পূর্বে উক্ত আইনের ধারা ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২২, ২৩, ৩০, ৩২, ৩৫ এবং উক্ত ধারাসমূহে বর্ণিত
অপরাধ সংঘটনে সহায়তার অপরাধের অনিষ্পন্ন মামলাসমূহ সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে এবং অনুরূপ মামলায় প্রদত্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডের
#৫৭খসড়া: পৃষ্ঠা ২৭DOCX: অনুচ্ছেদ ১৫২৬–১৫২৮, ১৫৩০, ১৫৩২, ১৫৩৪–১৫৩৫অতিরিক্ত পার্থক্য
…
র্যক্রম বাতিল হইবে
এবং উহাদের বিষয়ে আর কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যাইবে না এবং উক্ত ধারাসমূহের অধীন কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক
প্রদত্ত দণ্ড ও জরিমানা বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৪৭
(৫) উক্ত আইন দ্বারা রহিতকৃত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৬ নং আইন) এর ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯,
৩১ ধারাসমূহে বর্ণিত অপরাধ সংঘ
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
র্যক্রম বাতিল হইবে এবং
উহাদের বিষয়ে আর কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যাইবে না এবং উক্ত ধারাসমূহের অধীন কোনো আদালত
বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ড ও জরিমানা বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
১৬৬৪৭
(৫) উক্ত আইন দ্বারা রহিতকৃত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৬ নং আইন)
এর ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩১ ধারাসমূহে বর্ণিত অপরাধ সংঘ
পূর্ণ বাংলা খসড়া
র্যক্রম বাতিল হইবে
এবং উহাদের বিষয়ে আর কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যাইবে না এবং উক্ত ধারাসমূহের অধীন কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক
প্রদত্ত দণ্ড ও জরিমানা বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) উক্ত আইন দ্বারা রহিতকৃত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৬ নং আইন) এর ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯,
৩১ ধারাসমূহে বর্ণিত অপরাধ সংঘ
রাসমূহের অধীন কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ড ও
জরিমানা বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।
(৬) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও, উক্ত আইন ও অধ্যাদেশের অধীন-
(ক) গঠিত জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি, দলিল-দস্তাবেজ (খ)
(গ)
(ঘ)
ও দায়-দেনা,
যদি থাকে, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির নিকট ন্যস্ত হইবে;
(খ) প্রণীত বিধিমালা, জারীকৃত আদেশ, নির্দেশ, প্রজ্ঞাপন বা গাইডলাইন বা কৃত, সূচিত বা গৃহীত কোনো ব্যবস্থা
এই আইনের বিধানাবলির সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন রহিত না হওয়া পর্যন্ত, বলবৎ
থাকিবে, এবং উহা এই আইনের অধীন প্রণীত, জারীকৃত, কৃত, সূচিত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে;
(গ) জাতীয় সাইবার সুরক্ষা নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালক এবং পরিচালকগণসহ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক, পরিচালক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসাবে গণ্য হইবেন, এবং
তাহারা যে শর্তে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা নিরাপত্তা এজেন্সিতে নিয়োগকৃত বা কর্মরত ছিলেন সেই একই শর্তে
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সিতে নিয়োগকৃত বা কর্মরত রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন;
(ঘ) গঠিত জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম এবং কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম এই আইনের
অধীন গঠিত জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম এবং কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম
…DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
রাসমূহের অধীন কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল
কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ড ও জরিমানা বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।
(৬) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও, উক্ত আইন ও অধ্যাদেশের অধীন
(ক) গঠিত সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি, দলিল-দস্তাবেজ
(খ)
(গ)
(ঘ)
ও দায়-দেনা, যদি থাকে, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির নিকট ন্যস্ত হইবে ;
প্রণীত বিধিমালা, জারীকৃত আদেশ, নির্দেশ, প্রজ্ঞাপন বা গাইডলাইন বা কৃত, সূচিত
বা গৃহীত কোনো ব্যবস্থা এই আইনের বিধানাবলির সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া
সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন রহিত না হওয়া পর্যন্ত, বলবৎ থাকিবে, এবং উহা এই
আইনের অধীন প্রণীত, জারীকৃত, কৃত, সূচিত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে ;
সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক এবং পরিচালকগণসহ সকল কর্মকর্তা-
কর্মচারী জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক, পরিচালক এবং কর্মকর্তা-
কর্মচারী হিসাবে গণ্য হইবেন, এবং তাহারা যে শর্তে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা
এজেন্সিতে নিয়োগকৃত বা কর্মরত ছিলেন সেই একই শর্তে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা
এজেন্সিতে নিয়োগকৃত বা কর্মরত রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন ;
গঠিত জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম এবং কম্পিউটার ইমার্জেন্সি
রেসপন্স টিম এই আইনের অধীন গঠিত জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম
এবং কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম
পূর্ণ বাংলা খসড়া
রাসমূহের অধীন কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ড ও
জরিমানা বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।
(৬) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও, উক্ত আইন ও অধ্যাদেশের অধীন-
(ক) গঠিত জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি, দলিল-দস্তাবেজ ও দায়-দেনা,
যদি থাকে, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির নিকট ন্যস্ত হইবে;
(খ) প্রণীত বিধিমালা, জারীকৃত আদেশ, নির্দেশ, প্রজ্ঞাপন বা গাইডলাইন বা কৃত, সূচিত বা গৃহীত কোনো ব্যবস্থা
এই আইনের বিধানাবলির সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন রহিত না হওয়া পর্যন্ত, বলবৎ
থাকিবে, এবং উহা এই আইনের অধীন প্রণীত, জারীকৃত, কৃত, সূচিত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে;
(গ) জাতীয় সাইবার সুরক্ষা নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালক এবং পরিচালকগণসহ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক, পরিচালক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসাবে গণ্য হইবেন, এবং
তাহারা যে শর্তে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা নিরাপত্তা এজেন্সিতে নিয়োগকৃত বা কর্মরত ছিলেন সেই একই শর্তে
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সিতে নিয়োগকৃত বা কর্মরত রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন;
(ঘ) গঠিত জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম এবং কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম এই আইনের
অধীন গঠিত জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম এবং কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম
র
অধীন ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো বলিয়া গণ্য হইবে।
(ছ) উক্ত অধ্যাদেশ এর অধীন কৃত কোন কার্য বা গৃহীত কোন ব্যবস্থা এই আইনের অধীন কৃত বা গৃহীত হইয়াছে
বলিয়া গণ্য হইবে।
১৬৬৪৮
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
৫১। রহিতকরণ ও হেফাজত।—- (১) সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ২৫ নং অধ্যাদেশ) এবং সাইবার সুরক্ষা
(সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৫৪ নং অধ্যাদেশ) অতঃপর উক্ত অধ্যাদেশসমূহ বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্বাদ্দ্বারা রহিত করা
হইল।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও, উক্ত অধ্যাদেশসমূহের অধীন কৃত কোনো কাৰ্যর্য, গৃহীত কোনো ব্যবস্থা বা সূচিত কোনো
কার্যধারা এই আইনের অধীন কৃত, গৃহীত বা সূচিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
৫২। ৫২। দায়মুক্তি।- জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, সদস্যবৃন্দ ও এই আইনের অধীন কার্যসম্পাদনের জন্য
ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারী দণ্ডবিধির section 21 এর public servant (জনসেবক) অভিব্যক্তিটি যে অর্থে
ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে public servant (জনসেবক) বলিয়া গণ্য হইবেন এবং এই আইনের অধীনে সরল বিশ্বাসে কৃত
কোনো কাজের ফলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলা দায়ের করা যাইবে না।
৫৩। ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ।— (১) এই আইন অধ্যাদেশ প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের
ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিতে পারিবে।
(২) এই আইন ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে এই আইন প্রাধান্য পাইবে।
ব্যারিস্টার মোঃ গোলাম সরউদ্দেশ্য ও য়াকারভূঁইয়া
সচিণ সংব।
মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, উপপরিচালক (উপসচিব), বাংলাদেশ সলিত বিবৃতি:
ভারকারী মুদ্রণালয়, তেজগাঁও, ঢাকা কর্তৃক মুদ্রিত ।
মোঃ নজরুল ইসলাপ্রাপ্ত ম, উপপরিচালক (উপসচিব), বাংলাদেশ ফরম ও প্রকাশনা অফিস, তেজগাঁও,
ঢাকা কর্তৃক প্রকাশিতন্ত্রী।
website: www.bgpress.gov.bd
DOCX ও খসড়া আলাদাভাবে দেখুন
existing text.docx
র অধীন ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো বলিয়া গণ্য
হইবে।
(ছ) উক্ত অধ্যাদেশ এর অধীন কৃত কোন কার্য বা গৃহীত কোন ব্যবস্থা এই আইনের অধীন
কৃত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
১৬৬৪৮
বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ১০, ২০২৬
৫১। রহিতকরণ ও হেফাজত।—(১) সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ২৫ নং
অধ্যাদেশ) এবং সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৫৪ নং অধ্যাদেশ) অতঃপর
উক্ত অধ্যাদেশসমূহ বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্বারা রহিত করা হইল।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও, উক্ত অধ্যাদেশসমূহের অধীন কৃত কোনো কাৰ্য,
গৃহীত কোনো ব্যবস্থা বা সূচিত কোনো কার্যধারা এই আইনের অধীন কৃত, গৃহীত বা সূচিত হইয়াছে
বলিয়া গণ্য হইবে।
৫২। ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ।—(১) এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারি গেজেটে
প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English
Text) প্রকাশ করিতে পারিবে।
(২) এই আইন ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে এই আইন প্রাধান্য পাইবে।
ব্যারিস্টার মোঃ গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া
সচিব।
মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, উপপরিচালক (উপসচিব), বাংলাদেশ সরকারী মুদ্রণালয়, তেজগাঁও, ঢাকা কর্তৃক মুদ্রিত ।
মোঃ নজরুল ইসলাম, উপপরিচালক (উপসচিব), বাংলাদেশ ফরম ও প্রকাশনা অফিস, তেজগাঁও,
ঢাকা কর্তৃক প্রকাশিত। website: www.bgpress.gov.bd
পূর্ণ বাংলা খসড়া
র
অধীন ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো বলিয়া গণ্য হইবে।
(ছ) উক্ত অধ্যাদেশ এর অধীন কৃত কোন কার্য বা গৃহীত কোন ব্যবস্থা এই আইনের অধীন কৃত বা গৃহীত হইয়াছে
বলিয়া গণ্য হইবে।
৫১। রহিতকরণ ও হেফাজত।- (১) সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ২৫ নং অধ্যাদেশ) এবং সাইবার সুরক্ষা
(সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৫৪ নং অধ্যাদেশ) অতঃপর উক্ত অধ্যাদেশসমূহ বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্দ্বারা রহিত করা
হইল।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও, উক্ত অধ্যাদেশসমূহের অধীন কৃত কোনো কার্য, গৃহীত কোনো ব্যবস্থা বা সূচিত কোনো
কার্যধারা এই আইনের অধীন কৃত, গৃহীত বা সূচিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
৫২। দায়মুক্তি।- জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, সদস্যবৃন্দ ও এই আইনের অধীন কার্যসম্পাদনের জন্য
ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারী দণ্ডবিধির section 21 এর public servant (জনসেবক) অভিব্যক্তিটি যে অর্থে
ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে public servant (জনসেবক) বলিয়া গণ্য হইবেন এবং এই আইনের অধীনে সরল বিশ্বাসে কৃত
কোনো কাজের ফলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলা দায়ের করা যাইবে না।
৫৩। ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ।— (১) এই অধ্যাদেশ প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের
ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিতে পারিবে।
(২) এই আইন ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে এই আইন প্রাধান্য পাইবে।
উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতি:
ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী।